ভিষক্কুল-পঙ্কজ-সবিত] শ্রীযুক্ত মহেন্দ্রলাল সরকার এম্‌. ডি'

হৃদয়সন্নিহিতেষু 'সহোদরপ্রতিম মহেজ্জ,

কতিপয় দিবস অতীত হইল আমি এক দিন উষার সমীরণ সেবন করিতে করিতে তোমার ভবনে উপনীত হইয়াছিলাম। দেখিলাম তমি চেয়ারে উপবিষ্ট, তোমাকে বেষ্টন করিয়া অনেকগুলি লোক-- বাঙ্গালি, হিন্নস্থানী, উতৎকল, সাহেব, বিবি-_দগ্ডায়মান রহিয়াছে ; তুমি তাহাদিগের পীড়া নির্ণয় করিয়া ওষধ বিতরণ করিতেছ। আমি কতক্ষণ এক পার্থে বসিয়া রহিলাম, জনতানিবন্ধন তুমি আমাকে দেখিতে পাইলে না। এই দৃশ্যটা অত নক্মুহর ! ইচ্ছ! হইল আলেখ্যে লিখিয়া জনসমাজে প্রদর্শন করাই। অধ্যযনকালা- বধি তুমি আমার পরমবন্ধু; সেই সময় হইতে তোমাতে নানারূপ মহত্বের চিহ্ন দর্শন করিয়াছি; সত্যের অনুরোধে বিপুলবিতব-প্রদ এলোপাখি একপ্রকার বিসর্জন দিয়া হোমিওপাখি অবলম্বন অসা- ধারণ মহাত্বের কর্ম্মঃ কিন্ত প্রিয়দর্শন, উলিথিত প্রিয় দর্শনটী মহত্বের পরা কাষ্ঠা। তোমার মহত্বের এবং অক্ুত্রিম প্রণয়ের অনুরাগ-স্বরূপ আমার স্ুুরধুনী কাব্য তোমাকে অর্পণ করিয়া যার-পর-নাই পরিতৃপ্ত হইলাম।

অভিন্নহদর

শ্াদীনবন্ধু মিত্র।

প্রথম ভাগ

প্রথম সর্গ।

কবিতা-কুস্ুম-মালা-শোভিতা! ভারতি, দীনে দয়া বীণাপাণি, কর ভগবতি, বিবরণ বল বাঁণি, শুনিতে বাঁসনা, কেমনে গমন করিয়াছে ভবাঁয়ন। ; শুনিতে শুনিতে ভগীরথ-শঙ্বধ্বনি,

সে কাঁলে সাগরে যায় ভীক্ষমের জননী ; এখন বাজায়ে ন্বীণ। তুমি এক বার শৈল হতে গঙ্গা লয়ে যাও পারাবার।

হিমালয় মহীধর, ভীম-কলেবর, ব্যাপিয়াঁছে সমুদয় ভারত-উত্তর ;

2১ টির রিয়া গর +

্ু * ইভ 4 টি 2 বন টা টুক টা শষ 2 র্‌ ০১ শিতিত ঠ৮:০০ তে সহ চা টা কত ৪০ 4৫2 টি রে & টি পপ পপ শশী শিস পপ

সুরধুনী।

তুষারমণ্ডিত শ্বেত শিখরনিকর ভেদিয়াছে উচ্চ হয়ে অন্থুদ-অন্বর ;-_ ধবল ধবলগিরি, উচ্চ অতিশয়, করিতেছে সুধাপান চক্দ্রমাআলয় ; উজ্জ্বল কাঞ্চনশৃঙ্গ-শূঙ্গ উচ্চতর

পরশন করিয়াছে শুক্র গ্রহবর ; শীত-খত দেবধাম শৃঙ্গ শ্রেষ্ঠতম, ধরিয়াছে তাপ-আঁশে অরুণ অগম।

নদ নদী হুদ উত্স সলিল-প্রপাত শোভা করে শৈলবরে সব শৈলজাত, পৃথিবী-পিপাসা-নাশা৷ জলচ্ছত্র জ্ঞান, অকাতরে গিরিবর করে শীর দান; অবনীর নীর-প্রয়োজন অনুসারে,

ভূরি ভূরি বারি ভর ভূধর-ভাগারে ;-- ভাঁগুরের কিয়দংশ পোরা স্বচ্ছ জলে, কিয়দংশ বিজাতীয় বরফের দলে, কিয়দংশ পরিপুণ সজল জলদে, সকলি সঞ্চিত দিতে জল জনপদে

এই মহাঁহিমালয়-হৃদয়-কন্দর জীহ্বীর জন্মভূমি জনে অগোচর | শিশুকাঁল হয় গত প্রিতার ভবনে, যুবতী হইলে টি পতি পড়ে মনে।

সা শি পিট বা শিসপ্পীপাপশপাপ্থর শি ্পাীপাপপশি পেশী শশী পাশাপাশি

প্রথমার্থ] প্রথম ভাগ। ৭২৩

জীবন-যৌবনে গঙ্গা! কালে স্ুশোভিল, বিষম বিরহবাথ। হৃদয়ে বিধিল।

একদ। বিরলে বসি জাহ্নবী কাতর বাম করে গণ্ড, বামেতরে ধরা ধরা, বিমুক্ত কুন্তলদল, সজল নয়ন,

হুতাঁদরে নিপতিত সিন্দুর চন্দন, বিকম্পিত দত্তবাস, লুষ্ঠিত অঞ্চল, কীদিছে বিষগ্রমনে, নিতান্ত চঞ্চল হেন কালে পদ্মা আসি হাসি হাসি কয়, “এ কি ভাব, মরে যাই, আজ্‌কে উদয় ! কিসে এত উচাটন, কে হরিল মন, কার জন্যে ঝুরিতেছে নবীন নয়ন,

মাত। খাস, মরাযুখ দেখিস্‌ সজনি,

সত্য বল কিসে তুমি বিরসবদনী,

কেন চুল বাধ নাই, পর নি ভূষণ, কিশোর বয়সে কেন ৰেশে অযতন, অবাক্‌ হয়েচি ছেরে লেগেছে চমক, কীচা বাশে ঘুণ সই, কোরকে কীটক ?”

বিষাঁদে নিশ্বাস ছাড়ি ঈষৎ হাসিয়ে-_ উদয়-আতপ যেন শীরদ মাখিয়ে বলিলেন ভাগীরথী, “শুন পদ্মা সই, বেশভূষা অভাগীরে সাজে আর কই,

নি সিসি ০৬১০৪৮০৭০১১ সা. শী শিট আশাকরি শিপ িিটিতি ডজাপাপতশািক্ঠিশাটিত তি পপাটোশিতাশীশ শিপপিশীশি তত 0 পি তি

৭২৪

সুরধূনী।

রাই জীবন মম, বৃথাই যৌবন,__ বনে ফুটে বনফুল বনে নিপতন ; দেশীস্তরে রহিলেন পতি পারাবার, দেখ! তার দুরে থাক্‌, নাহি সমাচার £ আমি অতি মন্দমতি কঠিন-অন্তর, তুষধারসংঘাতশিল! মম কলেবর,

তাই সখি, এত দিন ভূলে আছি কান্ত, সতীর সর্বস্ব নিধি, ছুর্লত নিতান্ত ; তুমি মম প্রাঁণসখী বিশ্বাসের স্থল, বিকশিত তব কাঁছে হৃদয়-কমল, শুনিলে যাতনা, কর রক্ষার উপাঁয়, বিনা গ্রাণপতি প্রাণ যায় যায় যায়, পতিহার! সতী সই, জীবিত কি রয়? অনিল-অভাবে দীপ নির্ববাপিত হয় 1”

নীরবিলা সুরধূনী। পদ্মা হাঁসি কয়, পেলেম প্রাণের সখি, ভাল পরিচয় ; কেমন পড়েচে কাল, লাঁজে যাই মরে, কচি মেয়ে কীদে মাগে। ! পতি পতি করে, আমরাও এককালে ছিলেম যুবতী, করি নাই কখন হা! পতি যো পতি”; টল টল করে জল বিশাল নয়নে, সাগর-সম্ভব বুঝি হবে বরিষণে,

পপ্পশপীপপীস্পিপীশ শশী সপ পেপাল

শা... পপি তিশা পে্ীপাপীপাািটিিশিশা তিশা

প্রথম ভাগ।

কাঁদ্‌ কীদ্‌ কীদ্‌ সখি, কীদ্‌ মন দ্রিরে, বিচ্ছেদ-অনল যাবে এখনি নিবিয়ে |”

ধরিয়ে পন্মার করে গঙ্গা হাঁসি কয়, “তোর কি কৌতুক সখি, সকল সময় ! রঙ্গ-ভঙ্গ দে লো পম্মা, করি লো৷ বিনতি। জীবন-নিধন ধনি, বিনা প্রাণপতি পারাবারে যাব আমি করিয়াছি পণ, কাঁর সাধ্য মম গতি করে নিবারণ? বিরহিণী পাগলিনী, ব্যাকুল-দ্ধদয়, পতি-দরশনে যেতে নাহি লাজভয়, পবিত্র স্বামীর নাঁমে নাহি দুরাঁদুর, কোমল মালতী বর্ম দুর্গম বন্ধুর ; স্নেহভরা সহচরী তুই লো আমার, কেনা রব চিরদিন, কর উপকার |”

জাঁহ্ৃবীরে ধীরে ধারে পদ্মা প্রবাহিনী বলিল মধুর-স্বরে ভাষা বিমোহিনী, “কেঁদে! না কেঁদো ন! ধনি, সুরধুনি সই, ব্যাকুলা হেরিলে তোরে, দিশেহারা হই, প্রচণ্ড-গ্রবাহ-ভরে পয়োধি-আঁলয়ে আনন্দে আদরে তোরে আমি যাৰ লয়ে, পাবে পতি পাঁরাবার পতিতপাবনি, পুজিবে যুগলরূপ আনন্দে অবনী,

৭২৫

& 8 লন পন পশট পাকি পলা পপ লাশে স্পা

সপ সাশিপপ শশী শিশিশ্পিিশিলাশীশিটিশ্াশিশীিাশীীীশিটিিশপশিশীটীশাশিটিিিিশাশিাীটি শশী শিাসীশিস্পিপীপাপপ পিপিপি শিপপাশ

৭২৬ সুরধুনী

হেরিবে পতির মুখ, জুড়াইবে প্রাণ, উথলিবে সুখসিন্ধু সিন্ধু-সমিধান £ কিছুদিন ধৈর্য ধরে থাক লো সুন্দরি, সাগর-গমন-যোগ্য আয়োজন করি ; পরাধীনী সীমন্তিনী হয় চিরদিন, শৈশবে অবলা বাল! পিতাঁর অধীন, যৌবনে যুবতী-গতি পতি-অন্ুম্তি, স্থবিরে তনয়-করে নিপতিত। সতী ; অতএব অন্বু-অঙ্গি, বিবেচন। হয়, হিমালয়ে সমুদয় দিই পরিচয়, অনুমতি লয়ে তার উভয়ে মিলিয়ে, চপল-চরণে যাব সাগরে চলিয়ে 1৮

এত বলি চলে গেল পদ্মা উন্মাদিনীঃ যথায় মেনকা রাণী বসে একা কিনী, “নিবেদন” বলে পম্মা, “শুন গো আমার, তোমার গঙ্গায় আর ঘরে রাখা ভার, যৌবনে ভরেচে অঙ্গ, পতি নাই কাছে, বড় যাই ভাঁল মেয়ে আজো ঘরে আছে ; হিমালয়ে জিজ্ঞাসিয়ে দেহ অনুমতি, পতি-কাছে লয়ে যাই জাহ্নবী যুবতী ; ঘরেতে রাখিলে গল্গ! ঘটিবে জঞ্জাল, কোর মায়ে মেয়ে ঘরে রাখে চিরকাল ?”

আপ পি শশী ০০

০০০

জপ পপি পাপা উজ পসপা পতি

):

[

০০০

শা. ০০ পাপী টি পিশিশশাশ্পী তি ৩০০৬ শে শীল স্পশাদীি

প্রথম ভাগ। ৭২৭

প্রস্থান করিল পদ্মা বলিয়ে সংবাঁদ) নীরবে মেনকা রাঁণী ভাবেন প্রমাদ ; হেন কাঁলে হিমালয় গিরি-কুলেশ্বর হাসি হাসি তথা আসি, চুম্বিয়ে অধর, জিজ্ঞামিল পরিচয় মধুর-বচনে, “কেন[প্রিয়ে, হাদি নাই তব চক্দ্রীননে, কি বিযাদ হৃদি-পন্ম, হদি-অধিকারী, আমি অদ্ধাঙ্গ কান্ডে, অংশ পেতে পারি ?” মেনক! কহিল কথ। বিস্ময়-হৃদয়ে, “কি আর বলিব নাথ, মরিতেছি ভয়ে, ঘরেতে যুবতী মেয়ে, কত জ্বাল! মার, কৌথায় জামাত! তীর নাহি মমাঁচার, পতি-ছাড়া মেয়ে রাখা মানা কলিকালে, কেমনে জীবিতনাথ, ভাত উঠে গালে! অবল| সরল। আমি.ভাবিয়ে আকুল, কলঙ্কে পঙ্ষিল হতে পারে জাতি কুল; দাসীর বিনতি পতি, কাঁতর-অন্তরে, জাহ্ৃবীরে পাঁরাবারে পাঠাও সত্বরে |”

হিমালয় মহাশয়, স্বভাঁব-গন্ভীর, বলে, “প্রিয়ে, বুথ! ভয়ে হয়েচ অধীর, অমুলক ভাবনায় ব্যাকুল হৃদয়, কেন কন্যা! করিবেন অধম্ম আশ্রয়?

পাপী পট পিপাসা পাল পা সপ শাসিত ৮৮ ০প০০০-০-৩ পা পিপি পাপা পাশাপাশি শত পাতা

৮৯

শী

এপি পিপি পা ০4 4 পিসী 4

সপ স্পা শিশীশি শিশির শিিিটিীী্শীিটিিপীশিস্পীশীীপশি তি টিটি টিতে ্পীশপীছিল

৭২৮ সুরধূনী।

শিক্ষিত! সুশীল বাল! তনয়া-রতন, পতিব্রতা সতী সাঁধবী, সদা ধর্মে মন, পিতামাতী-পাঁদপদ্ম ভক্তি-মহকারে করে পুজা দিবানিশি, বসি অনাহারে হিতৈষী ছুহিতা মনে জানে বিলক্ষণ, কলঙ্কে পঙ্কিল যদি হয় আচরণ,

বুক ফেটে মরে যাবে জনক জননী ; এমন অঙ্গজ কভু, আনন্দ-আননি, করিবেন হেন হীন কন্ম্ন ভয়ঙ্কর,

যাতে দগ্ধ হবে পিতামাতার অন্তর ? কলুধিত হবে যাঁতে ধর্ম সনাতন ? দূরীভূত কর প্রিয়ে, চিন্তা অকারণ ; পাঠান বিহিত বটে কন্যা পারাবারে, অধয়োজন কর তার বিবিধ প্রকারে, যে দিন হয়েচে মেয়ে, জানি সেই দিন প্র ঘরে যাঁবে মাতা, হব সুখহীন ।%

অতঃপর চাঁরি দিকে হইল ঘোঁষণ, করিবে জাহ্নবী দেবী সাগরে গমন সজল-নয়নে রাণী মেনকা তখন সাঁজাইল জাহ্ুবীরে মনের মতন, শৈবাল-চিকুরে বেণী বিনাইয়1 দিল, কমল-কোরক-মালা গলে পরা ইল,

পিসি পলা পিশিপপপীপাই পা পিসী পপ পা পা পা

কস পপ পপ শপ

প্রথম ভাগ। ৭২৯

স্সগোল ম্বণাল করে শোৌভিল বলয়, কটিতে মরাল-মালা-মেখলা-উদয়,

গ্রবাহ-পাটের সাড়ী আচ্ছাদিল অঙ্গ, খচিত কুসুম তাহে শোভিল তরঙ্গ

সজ্জা হেরি পদ্মা হাসি কৌতুকেতে কয়, “ষে ছুরন্ত মেয়ে গঙ্গা অস্থির-হৃদয়, তোলপাড় করে যাঁবে সহ সঙ্গিগণ, ছিড়ে খুড়ে ফেলাইবে অর্ধেক ভূষণ ।৮

বলিল গঙ্গার প্রতি মধুর বচন,

“প্রণ যে কেমন করে, করি কি উপায়,

এত দিন পরে মা! গো, ছেড়ে যাস্‌ মায় ?

শূন্য ঘর হল মম, ফুরাইল সুখ,

কারে কোলে লব ম৷ গে চুন্বে চন্দ্রমুখ ;

দু বেল! মা বলে মা গো, কে ডাকিবে আর,

ভাল মাচ্‌ ঘন ছুদ যুখে দেব কার ?

চির দিন সুখে থাক স্বামীর সদনে,

হাতের ক্ষয় যাক, পাল দশ জনে,

রাজরাণী হও মাতা, স্বামীর আগারে, |

স্লেহতরে গিরিরাণী, চুন্থিয়ে বদন, |

জামাই সোণার চক্ষে দেখুক তোমারে, সুপুজর প্রনবি কেতু দেহ স্বামি-কুলে, অক্ষয় সিন্দুর মাতা, পর পাক! চুলে।

পপ -.-৮শিিটি শশী 45522 - দু

৯১৮

৭৩০০

স্ুরধূনী।

রহিল জননী তোর বিষগ্র-হৃদয়ে, মা বলে মা, মনে করো সময়ে সময়ে 1

বেশ ভূষা করি গঙ্গা সজল-নয়নে প্রণাম করিল আসি ভূধর-চরণে ; অপত্য-স্লেহের ভরে গলিয়ে ভূধর নিপাঁতিত অশ্রচ্বারি করিল বিস্তর £ জাহ্বীর যুখ পানে চেয়ে হিমালয় বলিলেন সকরুণ বচননিচয়, “ন্েহময়ি মা জননি জাহ্ৃবি স্ুশীলে, অন্ধকার করি পুরী নিতান্ত চলিলে সন্বরিতে নারি মা গে, অন্তর-রোদন, রহিবে কি দেহে প্রাণ বিনা দরশন ? কে বেড়াবে আলে করি শিখর-ভবন ? কে চাঁহিবে নিত্য নিত্য নুতন ভূষণ ? পালায় পাগল প্রাণ দিতে মা, বিদায়, আর কি দেখিতে মা! গো, পাইব তোমায় ? প্রমদা-পরম-গুরু পতি মহাজন, সেবিবে তাহার পদ করি প্রাণ পণ, যা ভালবাসেন স্বামী, জানিয়ে যতনে, সম্পাদন করিবে তা সদা প্রাণপণে, কখন স্বামীর আজ্ঞ! করো! ন। লঙ্ঘন; পতির অবাধ্য ভার্য্যা বিষদরশন

চিল লিশীপাশিশ শিশির টিশাোশিশিীপিশপাশিীশাশীশাটাোশ্ীীাটীিসিপীি

প্রথম ভাগ! ৭৩১

যদি পতি করে মাতা, কুপথে গমন, বলো না সরোষে যেন অপ্রিয় বচন, বিপরীত হয় তায়, ঘটে অমঙ্গল,

দিন দিন দম্পতীর প্রণয় সরল কৃষ্ণপক্ষ-ক্ষপাকর-কলেবর-প্রায়

ক্ষয় পেয়ে একেবারে ধ্বংস হয়ে যায়; করিবারে পতি-কদাঁচাঁর নিবারণ,

ধর পন্থা--স্সেহ, ভক্তি, জুধাআঁলাপন, কান্তের চরিত্র-কথ! জেনেও জেনো! না, বিমল প্রণয় সহ করো! আরাধনা,

তার পরে সুকৌশলে সময় বুঝিয়ে, অতিসমাদরে কর করেতে করিয়ে নিষ্ট-ভাঁষে মন্দ রীতি কর.আন্দোলন, অন্ুতাপে পরিপূর্ণ হবে স্বামি-মন, সলাজে করিবে ত্যাগ কুরীতি অমনি )-- পতিকে সুমতি দিতে ওধধ রমণী

শ্বশুর শ্বাশুড়ী অতি ভকতি-ভাঁজন, তনয়ার স্নেহে দোহে করিবে যতন )

ভাশুরে করিবে ভক্তি মরল-অন্তরে ) কনিষ্ঠ-সোদর-সম দেখিবে দেবরে ;

যা-গণে বাণিবে ভাল ভগিনীর ভাবে, স্বীয় ক্ষতি সহ করে কলহ এড়াবে।

জী) রি পক টাাীশাাটী সী প্পািশিশিশিশিপিপিস্ীশীশীশীিশিটিশিশী শীলা শী শি পপীশিতাশপিশী শী লিপি পাপা শন

পিশ্ীাশীটী শি শশিসি এডি

স্থরধুনী। [ও

পতির বয়স্থয বন্ধু, আদরের ধন,

ভাসিবে আনন্দ-নীরে পেলে দরশন,

যদি কান্ত গৃহে নাই এমন সময়

পতির প্রাণের বন্ধু উপস্থিত হয়,

আতিথ্য করিবে স্েহে সোদর-আদরে, কত ন্ুুখী হবে স্বামী ফিরে এলে ঘরে সুশীলতা, মিষ্টভাষা, সতীত্ব, নরম, অঙ্গনাঁর অলঙ্কার অতিমনোরম,

ভূষিত করিবে বপু এই অলঙ্কারে,

আনন্দে রহিবে, পাঁবে সুখ্যাতি সংসারে

বেল! যায়, বিলম্বের নাহি প্রয়োজন, স্সরিয়ে পরম ব্রন্ষে কর মা, গমন ; প্রিয়নখী সহচর আছে তব যত তোমার সেবাঁয় তাঁর! রবে অবিরত, তাহাদের সঙ্গে লয়ে করিয়ে যতন, অতিক্রম কর গঙ্গা, গোমুখী-তোরণ ; প্রেরিৰ পশ্চাতে দাস দাসী অগণন, পথেতে তাদের সনে হইবে মিলন ।৮

অশ্রুনীরে ভাসি গঙ্গ সুমধুর-স্বরে কহিল সরল বাণী, সন্বোধি ভূধরে, “বিদরে হৃদয় পিতা, মরি ভাবনায়, কোথায় গমন করি ছাড়ি বাপ মায়!

গ্রথম ভাগ। ৭1৩৩

সকাতরে চলিলাম চরণ ছাঁড়িয়ে তাঁসায়ে দাসীরে নীরে থেকো না ভুলিয়ে, পথ চেয়ে হব রত দিন-গণনায়,

যত শীস্ৰ পার পিতা, এনে! গো আমায়, বিলঘ্িত-স্নেহ-রজ্জু-সম সর্বক্ষণ

সংমিলিত তব পাদে রহিল জীবন।”

জননীর গলা ধরি জাহবী ক।তরে কীদিলেন কতক্ষণ ব্যাকুল-অন্তরে, «মা আমারে মনে করো” বলিল নন্দিনী, না হেরে তোমারে আমি হব পাঁগলিনী, কোথা যাই, কি করিয়ে থাকিব তথায়, “বাবারে বলে! মা, মোরে আঁনিতে ত্রাঁয় |”

কাঁদিতে কাদিতে রাণী মেনকা তখন, সরায়ে অলক অশ্রু করে নিবারণ, বলে, “মা কেঁদো না আর, কেদে না কেদে না, সহিতে পারি নে আর হৃদয়-বেদনা, সেই ঘর সেই দোর কর চির দিন, কেঁদো না কেদো না, যুখ হয়েচে মলিন, কোঁল শুন্য হল, শুন্য হইল ভবন, মৈনাকের শোক আজ্‌ বাঁজিল নৃতন-_” অতঃপর পদধুলি করি রাণী করে জাহ্ুবীর শিরে দিল অতিসমাদরে |

৭৩৪

সপ সপ পশসপসসসাজ

অুরধুনী। [প্রথম

প্রণমি জননী-পদে জাহৃবী যুবতী চড়িল প্রপাত-রথ মনোরথ-গতি। মনোহর ভয়ঙ্কর গোধুখী-তোরণ, অযুত-জীমৃত-শব্দে প্রপাত-পতন, এই দ্বার দিয়! গঙ্গ। হলেন বাহির, বেগবতী আোতস্বতী, কম্পিতশরীর।

তুষাঁরম্ডিত এক প্রকাণ্ড দেয়াল, শৈলকুলেশ্বর-সৌধ-প্রাচীর বিশাল, করিতেছে ধপ্‌ ধপ্‌, ভীম-দরশন, অনুমান শশাঙ্ক-শেখর বিভীষণ ; শির হতে শত শত, শুভ্র অতিশয়, নামিয়াছে তুষাঁর-শলাকা আভাময়, তুষার-শলাকাপুঞ্জ তুষার-প্রাচীরে শোভে যেন শুভ্র জট! ধূর্জটির শিরে। সেই শলাকা'র মাঝে গোমুখী বিরাঁজে, শিবের জটাঁয় গঙ্গা বলি কাঁজে কাজে

2

টা

1.

রা ৬৮

[ 37: ২৭. টি

দ্বিতীয় সর্গ।

প্রস্তর-আঁকীর্ণ বর্ম্ঘ মহাভয়ন্কর, উন্মাদিনী কল্লোলিনী নির্ভয়-অন্তর, দমিয়ে ছুরন্ত শিল! দুর্জয়-গমনে অবাধে চলিল গঙ্গা গন্ভীর-গর্জজনে | অভিমাঁন-অন্ধকাঁরে হিতাহিত জ্ঞান অন্ধ হয়, হিতাহিত করিতে সন্ধান, অসাধ্য সাধিতে মতি মেই হেতু যায়, সহস! শাসিত হয়ে যোগ্য ফল পায়, অবিলম্বে অনুতাপ হৃদয়ে উদয়, কাতর-অন্তরে করে তখন বিনয় রোধিতে গঙ্গার গতি প্রস্তরনিকর অহঙ্কারে উচ্চ-শিরে হয় অগ্রসর, পরাজিত এবে সবে অনুতপ্ত-মন, তাবনা-__-কেমনে হবে পাপ-বিমোচিন, বিনাশিতে পাঁপ তারা, নিতান্ত বিনীত, কলুষ-নাশিনী-নীরে হল নিপতিত নানাবিধ শিলাপুঞ্জ, পোত। পৃথথীতলে, বিরাজিত জাহ্নবীর নিরমল জলে হেরি জলে শিলাদলে কুঞগ্জরের কুল চমৃকে দাঁড়ায় কূলে, বিষাদে ব্যাকুল,

২০:০৯:25 সিকি হিসি লি স্এল৮ ১১০১3 লবএল, 53285 2435

বিরস-বদনে যনে ভাবে একি দায়,

বাঁরণে কে বা রণে পাঠালে হেথায়। করিরূপ শিলাপুপ্জ আলোতে বাধা দিল, কুপ্তর-প্রসঙ্গ তাই পুরাণে হইল

কোথাও প্রস্তরযুগ জাহুবীর জলে দাড়াইয়ে স্তস্তাকারে, বলী মহাবলে ; তার মধ্য দিয়ে আোঁত অতিবেগে ধায়, কল কল করে জল পাথরের গায়।

সলিলে হেরিয়ে কোথা মন বিমোহিত, শিলায় শিলায় মিলি দ্বীপ সঙ্কলিত, ভাসিছে হাঁসিছে দ্বীপ জাহ্বী-জীবনে, বিপিন-বিটপী তায় নাচিছে পবনে।

কোথাও স্বভাঁব, সুখে বসিয়ে নির্জনে, ক্ষোদিয়ে সুন্দর শিল! নিপুণ যতনে, নির্্িয়াছে তটযুগ তটিনীর তল, স্বভাবের গজগিরি আবরাধ্য-কৌশল।

কোথাও বিরাজে বালি সোণাঁর বরণ, মাঝে মাঝে শিলাখণ্ড স্ুখ-দরশন, স্ুুনয়নী কুরঙ্গিণী ভ্রমিছে তথায়, সচকিত লোচনেতে থেকে থেকে চায়, শার্দলের পদচিহ্ন বালির উপর, চপল নয়ন তাই, অধীর অন্তর

পপাপিপীস্পালিসি

প্রথম ভাগ ৭৩৭

চলিতে চলিতে গঙ্গ৷ অতিবেগভরে বিষুঃপ্রয়াগেতে আসি পৌঁছিল সত্বরে আনন্দে অলকনন্দ। মন্দাকিনী সতী, পালিতে ষ্থায় হিমালয়-অনুমতি, সহচরী-ব্ূপে আসি দিল দরশন্‌ ; জাহৃবী করিল ছুয়ে স্বুখে আলিঙ্গন। তিন বেণী এক ঠাই অতিমনোঁহর, বার যোগে হল বিষ্ছপ্রয়াগ জুন্দর |

বিষুপ্রয়াগের পর পতিতপাবনী গ্রীনগরে উপনীত, করি মহাঁধ্বনি ;-- এই স্থানে বড় ধুম মেলার সময়, কত লোক আনে তার সংখ্য। নাহি হয়, রাশি রাশি দ্রব্য দেখ বিক্রয়ের তরে, বসন বাসন বাঁজী ধরে না নগরে, এক দিন ছুই দিন তিন দিন যায়, কোন দ্রব্য আখি আর দেখিতে না পায়। পরিহরি শ্রীনগর পাষাণ-নন্দিনী উপনীত হরিদ্বারে, তরিতে মেদিনী।

বহুকাল ব্যাপে আছে ভারতে বিচার, ধরায় ন্বর্গের দ্বার তীর্ঘ হরিদার হুরিদার” নামে ঘাট হরের সোপান, পুণ্যের সঞ্চয় হয় এই ঘাঁটে স্রান।

শিপ টিটি তিশা 7 পালিশ শসা পিপি পাশাশাশীশিপশী তি ০৮, বাপি এপপপাশিপী শী বিশ পক৩৩ 1 ভাপা তা সা পাপী শি পিশিশ

৭৩৮ আুরধূনী।

'কূশাবর্ভ' ঘাটে বসি যত যাত্রিগণ কুশহস্তে ভক্তিভাঁবে করিছে তর্পণ।

বড় বড় রুই মাচ হাজার হাজার, হরিদারে কুশাবর্তে দিতেছে সাতার, কেহ মালসাট মারি কাপাঁয় জীবন, ধীরে ধীরে তীরে কেহ করে আগমন, তালে তালে গঙ্গাজলে কেহ খাবি খায়, নাচিতে নাচিতে কেহ তলে চলে যায়।

কৌতুকে কামিনী এক-__কাণে নীল দুল, কধিত-কাঞ্চন-কান্তি কিবা! চীপাফুল, পিঠে দোলে একা বেণী, গলে মতিমাঁলা, বিরাজিত মণিবন্ধে মণিময় বালা, আহলাদে দোলায়ে অঙ্গ সহাস-বদনে, শিলার সোঁপানে বসি ভাকে মীনগণে, “এস এস সোণামণি জাঁদু রে আমার, চাল চান! চিড়ে যুড়ী এনেচি খাবার |”

শুনিলে রমণীরব সেনা নত হয়,

অনক্ষর অন্তরেতে জ্ঞানের উদয়,

পাথল, না বলে আর আবোল তাবোল, মাতাল মরমে মরে ছাড়ে গণ্ডগোল ; কোথায়.জলের মাচ ! ধাইয়ে আইল বামাকরস্থিত খাদ্য খাইতে লাগিল |

প্রথম ভাগ ৭৩৯

ঘাটযুগে মীনচয় অভয়ে বিহরে,

দেবতার প্রিয় বলি কেহ নাহি ধরে)... কোথাও না যাঁয় তার! প্রবাহের মনে; পাঁড়ন ব্যতীত কেহ ছাঁড়ে কি ভবনে ?

'নীলধারা” নামে ঘাট নির্মিত শিলায়, নীলরূপ সুরধূনী-সলিল তথায় | পবিত্র বিশীল “বিল্বপর্ববত” সৌপান বেলতক্ত ভোলা পবহ্বকেশরের” স্থান; অখণ্ড রেলের মালা ভবের দুল্প, বম্‌ বম্‌ ব্যোমকেশ বগলাবল্লভ।

হরিদ্বার হতে খাল গেছে কাণপুর, উন্নতি বিজ্ঞানশাস্ত্র পেয়েছে প্রচুর 8. কটুলি যখন কাটে এই মহাখাল, হরিদ্বার-প|গু1গণ, করি ঝড় গাল, বলেছিল “বুথ! হবে আঁয়াম তন, কাটা খালে গঙ্গ! দেবী যাবে না কখন 1 বিজ্ঞানে নির্ভর করি কট্‌ুলি কহিল শুনিয়ে শঙ্খের ধ্বনি গঙ্গা গিয়াছিল, চাবুকের জোরে আমি লয়ে যাঁব খালে, খাটে না পাঁগুঁর আর তরণডামি কালে ।” লোকাতীত কাণ্ড এই খাল মনোহর ! কোথাও হয়েছে স্থিত নদীর উপর,

১৮ 9 রন কারি টির বি

দিরিনিতেতারারাল্রিতাত।

৭8২

1 পাপা পেপে শিপ পা পাশপাশি পিসী পাপিশিপাসপীিপপিশিপিি শশী শিপন পাপী

সুরধুনী | [দি

যাই যাই জলে পশি জুড়াই জীবন, কৃষুদিনী-কাছে জানি কেন কাদে মন |” অবগাহনেতে দেহ দহে আহুতির,

ধীরে ধীরে তীরে উঠ্ঠি দ্বিগুণ অধীর, মনোভাঁব পরাভব করিতে মহিল। নাগকেশরের মাল। গাঁথিতে বসিলা” সঙ্কলিত হল মালা পরিমলময়,

সহসা নবীন ভাব হৃদয়ে উদয়,

আদরে অবলা মালা গলে দোলাইল, ঈষৎ হাসিয়ে বালা আবাসে পশিল |

অনুপ প্রভাতি-কাধ্য করি সম্পাদন পুজায় বসিল যেন প্রভাত-তপন, পুত-মনে দেবতায় করিল অর্পণ বিস্বদল দুর্ববাদল কুন্মুম চন্দন; পুষ্পাঁধারে পুষ্প শেষ যেমনি হইল, নাগকেশরের মাল! প্রভা! প্রকাশিল, চমকি নবীন খষি চাহিল বিশ্বায়ে, বিকম্পিত কলেবর হোৌমানল-ভয়ে, সাদরে চুদ্ঘিল মাল! ভরিয়ে হৃদয়, ফুলে ফুলে আহুতির বদন উদয়।

দিবা অবসান, রবি ডবিল ডুবিল, সোণার আতপে ধর! ভামিাতি লাগিল, ;

প্রথম ভাগ। ৭৪৩

ছি টি নখ

রা

হা

শীতল পবন বয় পরিমলময়,

দোলে লতা কচিপাত৷ কুন্থম-নিচয়, নবীন তমাঁলে কাল কোকিল কুহরে, নাচিছে ময়র, মুখ ময়ুরী-অধরে, স্থুরধুনী-নীরে নাচে কনক-লহ্‌রী, নীরবে ভুলিয়ে পাল্‌ চলে যায় তরি। আলবালে দিতে জল সজল-নয়নে চলিল আহুতি কুলে মরাল-গমনে, তাবে মনে “এত দিনে ঘটিল কি দায়, নাগকেশরের মালা মজালে আমায় ।” উপকূলে উপনীত, আছৃতি অবাঁক-_ সুযোগ ুভোঁগ কিবা বিধির বিপাক ! বদিয়ে অনৃপ কুলে, মন উচাটন, নাগকেশরের মালা গলে সুশোভন।

চমকি নবীন খধি উঠে দাঁড়াইল,

নীরবে আহুতি-পাঁনে চাহিয়ে রহিল ; উভয়ে বচন-হীন, অঙ্গ অচেতন, রসনার প্রতিনিধি হইল নয়ন।

চেতন পাইয়ে পরে অনৃপ সাদরে, বলিল আহুক্তি প্রতি, ধরি বাম করে, “উচ্চ উপকূল, পথ হয়েচে পরছল, উপরে আহুতি থাক আমি আনি জল ।”

৭8৪8

নুরধুনী

নাবিল তাপনবর কৃম্ত করি করে, ভরিল জীবন ত'য় হরিষঅন্তরে, নীচেয় থাঁকিয়ে কৃম্ত লইতে কহিল, নত হয়ে নীলনেত্র! কলসী ধরিল, ললাটে ললাটে হল শুভ পরশন, অলক অনুপ-অংস করিল চুম্বন

বারি লয়ে আলবাঁলে গেল খধিবালা, স্তশোভিত গলে নাগকেশরের মালা দশনে রসন1 কাটি চমকি কহিল, “কেমনে কখন মালা গলে পরাইল |”

গোপনে গান্ধর্ব বিয়ে করি সম্পাদন, জায়া-পতি ভীতমতি অতি উচাটন ; আহুতি-উদরে স্ুত হইল উদয়, গোপন কি থাকে আর গুপ্ত পরিণয়? অবিলম্দে বিবরণ সব প্রকাশিত, হোমানল-ক্রোধানল মহাপ্রজ্বলিত, দন্ত কড়মড় করে বেগে ওষ্ঠ কাটে, ভীম যুষ্ট্যাঘাত মারে ভীষণ ললাঁটে, জ্বলন্ত অঙ্গার ছুটে আরক্ত লোচনে, ভয়ঙ্কর ব্জরপাত জিহবা-সঞ্চালনে, সম্োধি অনুপে বলে “ওরে ছুরাচার ! মম কোঁপানলে তোর নাহিক নিস্তার,

প্রথম ভাগ। ৭8৫

কামান্ধ কুপ্সাণ্ড কৃণ্ড কিরাঁতি কুক্কুর, চিরকুষ্গারীর ব্রত করেদিলি দুর,

শোঁন্‌ রে অধম যুঢ় ! আজ্ঞা তয়ঙ্কর-- মরু গিয়ে জাহৃবীর আবর্ত-ভিতর !” অনূপ “যে আজ্ঞা” বলি দিল পরিচয় অপাঁংশুল! আহুতির পুত পরিণয়, “পবিত্র জীবন তার করে! না নিধন, সকাতরে এই ভিক্ষা মাগি, তপোধন।”

দ্বিগুণ ভ্বলিয়ে বলে খধি হোমানল “তোর কাঁজ তুই কর্‌ তাপ-কজ্ছবল !” আদমর! আঁহুতির প্রতি দৃষ্তি করি, বলে “ওরে পাতকিনি, পাপিনি, পাঁমরি! কেমনে পবিত্র ধন্্ম দিলি বিসর্জন, এইজন্যে করিলি কি বেদ-অধ্যয়ন ? গর্ভিণী, অনলে তোরে করিব না দাঁন, বৈধব্য পাঁবন তোর করিনু বিধান ত্যজিল জাহ্ুবী-জলে অনুপ জীবন, হোমানল হিমালয়ে করিল গমন, শোকাঁকুল! অপাঁহশুল! আহুতি কাননে কাদিয়ে বেড়ায় একা কাতর-নয়নে

যে কুলে অনুপ কুস্ত দিয়েছিল করে, সেই কুলে এক দিন আহুতি কাঁতরে

৭৪

স্ুব্রধুনী।

বাহির হইল প্রাণ, আর নাহি ভয়, দেখিতেছি দশ দিক্‌ অন্ধকারময় ;

দয়ার সাগর তুমি ন্নেহ-পারাবাঁর,

এখন দাঁসীরে দেখা দেহ এক বাঁর,

উঠ উঠ প্রাণপতি, প্রবাহ ভেদিয়ে কে রাখে আমার নিধি জলে লুকাইয়ে ?”

আহুতি নিশ্বাস ছাড়ি করিলেন চুপ ;

জাহ্বীর জল হতে উঠিল অনুপ, নাগকেশরের মাল! গলে সুশোভিত, পবিত্র পীয়ুষ মুখে বেদান্ত সঙ্গীত; আঁহুতি হাসিল হেরি, অনুপ অমনি বুকে তুলে নিল নিজ ব্যাকুল! রমণী, নিবারি নয়নবারি পবিত্র চুম্বনে,

ডুবিল অতল জলে আহুতির সনে অপুর্বব অনুপ-মীয়! করিতে স্মরণ ঘঅনৃপ-সহর” নাঁম করিল অর্পণ |

অনুপ-সহর ছাঁড়ি চলে প্রবাহিনী, ফতেগড়ে উপনীত সাগরমোহিনী | রমণীয় পথ ঘাট, বিস্তীর্ণ বিপণি, অবতীর্ণ ফতেগড়ে বাণিজ্য আপনি, শত শত সদাঁগর বসিয়ে আপণে, বিবিধ ছিটের বস্ত্র বেচে ক্রেতৃগণে

সী

০৩২টি িউিি টি

ফতেগড় ছাড়ি গঙ্গা পার কাঁণপুর যথায় ঢুরস্ত নানা, নির্দয় নিষ্ঠুর, না জানি ইংরেজকুল কত বল ধরে, অজ্ঞানে হইয়ে অন্ধ মাতিল সমরে, বধিল বিলাতি রাম! মহ কচি ছেলে, সাহেব ধরিয়ে কত কুপে দিল ফেলে। সেনার বিকাঁর-ভাঁব শাসনে সারিল, সময় বুঝিয়ে নানা! বনে পলাইল।

বিরহিণী প্রবাহিনী দাড়াতে না চায়, কবে পড়িবেন বাম। প্রাণপতি-পায়, চলিল্গ সত্বরে বিষু-পদ-নিবাসিনী, উপনীত ফতেপুরে যেন উন্মাদিনী। ফতেপুর ছাড়ি গঙ্গা, গতি অবিরাম, আইল এলাহাবাদে-_রমণীয় ধাম।

পপ ০৯ তি পীর পিপি শি শিপসপাপিশিসপপাপা স্পা ইউপি পপ পাশা

যমুন! গঙ্গার বোন ছিল হিমাঁচলে, হেরে ভগ্িনীর ভাঁব ভাসে আখিজলে ; কেমনে সাগরে গঙ্গা যাবে একীকিনী, ভেবে ভেবে কলিরূপ তপন-নন্দিনী £ সত্বরে তরঙ্গ-যানে যমুনা চলিল,

প্রয়াগে গঙ্গার সনে আসিয়া মিশিল | আলিঙ্গন করি তারে স্ুুরধূনী কয়,

“কেমনে আইলে বোন, দেহ পরিচয় 1৮

সম্ভাষিয়ে জাঙ্ৃবীরে অতিসমাঁদরে,

যমুনা বলিল বাণী স্মধুর-স্বরে, “পথশ্রান্তে ক্লাস্ত আমি, সরে না বচন, মম সঙ্গী কুম্্ম সব করিবে বর্ণন।৮ কৃন্মবর যমুনার আজ্ঞা-অন্ুসারে পথ-বিবরণ যত বলিল গঙ্গারে, “দেখিয়ে এলেম দিল্লি পুরী পুরাতন, পাঁঠান-মোগল-রাজ্য, মহাসিংহাসন, চৌদদিকে বিরাজে উচ্চ প্রশস্ত প্রাচীর, শত শত রম্য হন্ম্্যে শোভিত শরীর নিরেট প্রস্তরময় দ্বাদশ তোরণ,

অতি উচ্চ অনুমান চুন্বিছে গগন,

৮০০ পপপপাাস্পাপাপা শপ পশিি পিটিশ পট শীলা পপি পাপী তা শা

স্তিতীয় সর্গ] প্রথম ভাগ ৭৫১

অভেদ্য তোরণচয় ভয়ঙ্কর-কায়, কামানের গেলি! তায় হার্‌ মেনে যায় সহরের বড় রাস্তা অতিপরিসর,

মধ্যেতে সানের পথ শোভিত জুন্দর, এই পথে পদব্রজে পাস্থ চলে যায়, গাড়ী ঘোড়া হাতী চলে পাশের রাস্তায়

“আল্লার মন্দির “জুম্মা মস্জিদ? সুন্দর, বিনির্দ্মিত উচ্চ এক শিলার উপর। আরংজিব-তনয়ার পবিত্র ইচ্ছায় সুগঠিত অপরূপ লোহিত শিলায়। বিশাল অঙ্গন শোভে সম্মুখে তাহার, মাজিত পাঁষাণে গাথা অতিপরিক্ষার, প্রাঙ্গন-পশ্চিম-পাশে মন্দিরের স্থান, আর তিন ধারে তিন তোরণ নিন্াণ, সুন্দর সোপান তিন তোরণ হইতে নাবিয়াছে শোভাময় নীচের ভূমিতে বিরাঁজে উঠান-মাঝে বাঁপী মনোহর, ফোয়ারায় দেয় বাঁরি তাহার ভিতর দাঁড়ায়ে মস্জিদে যদি ফিরাই নয়ন নগরের সমুদয় হয় দরশন |

“হুমাউন ভূপতির কবর কেমন অতিমনোহর' শোভা। সরল গঠন ;

মিটি

০৯৯

৫.

সপ পাশা লিল তি শিশীশীশতপীশা শশী --১শিশিটি 2 টি শি শীট 0 পি শিট িীীীপাপ্পিীশ শি শশিশশশশীশী্ীশিক্ছাশত শি ৩4 শি ভি িশীতিিশিটিশিশিশাশীশিহ পি শত শী

্ুরধুনী।

কবরের চারি পাঁশে বিরাজে বাগান, মাঝে মাঝে ফোয়ারায় করে নীর-দান, বিপিনের চারি দিক্‌ দেয়ালে বেষ্টিত, তদুপরি স্তম্তরাজি আছে বিরাজিত

6

কৃতবমিনার+ নামে স্তস্ত ভয়ঙ্কর পাঁচ থাকে উঠিয়াছে উচ্চ-কলেবর, আদি তিন থাক্‌ তাঁর লোহিতবরণ, লাল শিল। বাঁছি বাছি করেচে গঠন, নিশ্মিত চতুর্থ থাক ধবল পাথরে,

আবার পঞ্চম থাক্‌ রক্তবর্ণ ধরে |

এক শত বাট হাত দীঘ কলেবর, দাড়াঁইয়ে যেন এক ভূধর-শিখর, আশী-হাত-পরিমাণ পরিধি তাহার ধন্য পৃথুরাজ, তব কীত্তি চমণ্কার ! তুষিবারে তনয়ার তীর্-অনুরাগ

গঠে স্তন্ত পুর্ববকালে পৃথু মহাঁভাগ, প্রত্যহ প্রভাতে স্তস্ভতে করি আরোহণ, করিতেন স্ুলোচন। গঙ্গা-দরশন | মুসলমানেতে স্তম্ত করে পরিক্ষার “কুতব-মিনীর” তাই এবে নাম তার

“স্তম্ভের অদূরে ভগ্ন পৃথুরাঁজধানী, শোকাকুল! মরি যেন রাবণের রাণী ;

শা শ্পীশিিীটিপাপীলিপাসসপীপীপপ্পীপসপপাপ পাশ পিসী

প্রথম ভাগ ৭৫৩

কোথা পতি ! কোথা পুত্র ! কোথা স্বাধীনতা ! দলিত দ্বিরদ-পদে পল্লবিত লতা! !

ছিন্ন বেশ, ছিন্ন কেশ, ছিন্ন বক্ষতস্থল,

ছিড়েছে কুণুল সহ শ্রবণ পলল।

যে খানে বিয়ে রাজা করিত শাসন,

সে খানে শুগীল এৰে করেছে ভবন !

“বিমল মথুরা-ধাঁম হেরিলাঁম পরে, “হরি-হুরি গেট” যার সম্মুখে বিহরে, আবিরে আবরি অঙ্গ, লইয়ে নাগরী, হুরি গেটে হুরি খেলা খেলিতেন হরি। কৃষ্ণের মন্দির কত, কত কাজ তায়, মাটার পাহাড় কত গণ! নাহি যায়। কিংসবধ” নামে এক মৃত্তিকা-ভূধর,

হস ধ্বংস করে কৃষ্ণ যাহার উপর

“বিশুদ্ধ বিআ্াম-ঘাঁট, নিন্মিত প্রস্তরে,

হস-বধ-শ্রম যথা বাসি কৃষ্ণ হরে; বিরাজে থাটের মাঝে স্তন্ত শিলাময়) যাহার উপরে উঠি সন্ধ্যার সময় ব্রজবাসী দীপপুঞ্জ কাপাইয়ে ধীরে আনন্দে আরতি দেয় যযুন। দেবীরে ; সমবেত হয় তথ লোক শত শত,

মুদঙ্গ কাসর ঘণ্টা বাজে অবিরত ;

হু ১০ »০ শিট সপপপী শপ শিপীক শী শিীশিপিিীশশ শিিস্সপ হ০শতস্পী শিপ পপি পপ াটি

শিস?

্প্েসপ্পপা তির পিপি

৭৫৪8 স্ুরধুনী।

আরতি দেখিতে হাতে লয়ে নান। ফুল, দোঁতাল! তেতালা ছাঁদে উঠে যোষাকুল, সারি সারি কত নারী ছাঁদেতে দীড়ায়, ফেলায় ফুলের মালা দীপের মালায়, মালার আঘাতে হলে দীপের নির্বাণ, মহিলামগ্ডলে উঠে হাসির তুফান।

“বন্ুদেব দেবকীর মন্দির সুন্দর, দেখিলে তাঁদের ছুঃখ হৃদয় কাতর ; “দেবকী-অষ্টম-গর্ভে জন্মিবে নন্দন, হইবে তাহার হাতে কৎসের নিধন, এই বাণী শুনি কৎস, বাঁধি হাতে পায়, বস্গুদেব দেবকীরে রাখিল কারায়, বুকেতে পাযাঁণ চাঁপা, প্রহরী ছুয়ারে, গর্ভিণী যাতন1! এত সহিতে কি পারে? বজ-বক্ষ ছুষ্ট কংস ওরে ছুরাচার ! সৌদরার প্রতি তোর হেন ব্যবহার ! সরল স্রেহের ঘর গরলে আকুল, বধিতে বাসনা তার ননীর পুতুল! শিলায় দেবকী বন্গুদেব বিরচিয়। বন্ধনদশায় হেথা! দিয়েছে রাখিয়।। বাস্দেবে প্রসবিয়ে যেই সরোবরে দেবকী সুতিকাঁন্নান করেন কাঁতরে,

গোয়ালিয়ারের রাজ পবিভ্র-অস্তর গজগিরি করিয়াছে সেই সরোবর

“দেখিলাম তার পরে, ভরিয়ে নয়ন, সুমধুর বৃন্দাবন আনন্দ-ভবনঃ কত বৈষ্ণবের বাস বলিতে না পারি, রাঁসমঞ্চ দৌলমঞ্চ শোৌভে সারি সারি, লীলার নিকুপ্জবন তমাল-কাঁনন স্থুরম্য ভাগীরবন শোভা হরে মন ; অভয়ে বিহরে শিখী হরিণ হরিণী, কোকিল কুহরে কত মোহিয়ে মেদ্রিনী, পালে পালে হনুমান্, তাদের জ্বালায় পাহারা ব্যতীত জুতা রাঁখ! নাহি যায়, জুতা পেলে চড়ে গিয়ে গাছের উপরে, খিচোয় পোঁড়ার মুখ দাঁত বার্‌ করে, খাবার করিলে দাঁন জুতা দেয় ফেলে, কে নাজানে হনুমান বড় ঝানু ছেলে।

“যযুনা-পুলিনে কেলি-কদন্ঘ-পাদপ্‌, কোমল পল্লব কিবা বিমল বিটপ 7; জুড়ীতে নিদাঘস্বাল! গোপিনীর কুল পশিল সলিলে ফেলি পুলিনে ছুকুল, স্ুরঙ্গে ব্রিভঙ্গ শ্যাম মুরলীবদন সহসা সেখানে আমি, অঙ্গনা-বসন

৭৫৫

শীতে পোশাক ৮পশশপশীট শিপ পিপি শিলা শি

৭৫৬ স্থুরধুনী।

কৌতুকে হরণ করি হরিষ-অস্তরে বসেছিল হেসে এই তরুর উপরে

“লছ্মী সেঠের কীর্তি বিশাল মন্দির, ধবল-ভূধর-সম তাঁহার শরীর, সম্মুখে বিরাজে এক স্তন্ত মনোহর, সুবর্ণে আবৃত তাঁর দীর্ঘ কলেবর, মার্জিত প্রাঙ্গন কিবা কুস্তুম-কানন, সদাব্রত অবিরত পালে দীন জন বহুমুল্য তোঁষাখাঁনা, যাহার ভিতর রূপার প্রমাণ হাতী দেখিতে জুন্দর, রূপাঁর ময়ূর, আশাসোটা অগ্রণন, স্বর্ণ-অলঙ্কার হীর! মতির ভূষণ রক্ষিত মন্দিরমধ্যে লক্মনী-নারায়ণ ভক্তিভাঁবে ভক্তগণ করে দরশন

“অকালে সংসার-জাঁলে জলাঁঞ্জলি দিয়ে বসিলেন লালা বাবু বুন্দাবনে গিয়ে ; করেছেন নাঁন| কীত্তি বদান্য-হৃদয়, মোহন মন্দির মঠ অতিথি-আ লয়, হাজার হাজার যাত্রী আগত তথায়, অপুর্বব আহারে সবে পরিতোষ পায় সন্ধ্যার সময় হয় হরিগুণ-গান, ধন্য লালা বাঁবু তব স্ুুপবিত্র স্থান

পপ, পপর সপ পা প্পোসসপিস পিপল রর শশা িশীীশশীটি শস্পিপপপপাপপ সপপপসপপ িপপিসি ০০ পিপি টিশার্ট

৮৮ পাস দিসি পপ,

৯০৯৮০১৮৮১৮4

প্রথম ভাগ ৭৫৭

“ব্রজবাসী বলে “এত বৃন্দাবন-মান, উষ্ায় বায়ন মুখ করে না ব্যাদান, কেলি-ক্লান্তা কমলিনী সকালে ঘুমায়, কাঁকের কা-কায় পাছে ঘুম ভেঙ্গে যায় কাঁকের নীরব হেতু ইহা কিন্তু নয়, সত্য হেতু হনুমান্‌ অনুমান হয়, শত শত শাখামবগ শাখায় শাখায়, নিশিতে বায়স বাঁস করিবে কোথায়? সন্ধ্যার সময় তার করে পলায়ন, দিবাভাগে বুন্দাবনে দেয় দরশন।

“তপন-তনয়া-তটে ঘাট অগরণন, শিলায় নির্মিত সব অতি স্রুশোভন, প্রকাণ্ড কচ্ছপ কত করভ-আঁকাঁর পালে পালে কাল জলে দিতেছে সাতার, স্নানের সময় তার! করে জ্বালাতন, বহুদিন মনে থাকে সুখ বৃন্দাবন

“দেখিতে দেখিতে দেখ! দিল দছ্বিজরাজ) চক্ত্িকা চঞ্চল জলে করিল বিরাজ, মন্দির ভবন ঘাট যে যেখানে ছিল, শশিকরে সযুদায় হাসিতে লাগিল, বচন-বিহীন হল নুখ বুন্দাবন, জীবমাত্রে কোথা আর নাহি দরশন ;

পাশা শী শিস্পিসশশীদি১ ৮০০শিশ পিপি সি স্পেস পপ শিপ লা পপ 225 নু বহু টি শেপ পপা শিক পপ

আখি

টি টি শি শিশিশশশ্শিশি টেশ্াশীিটি 77৮ শশী শীশ্শীিটিত পতি শিট শি ৮শাশিনি

5 পা শীিটালাপীস্ীী্ীীটীশি টিটি ঘা

সুরধুনী।

এমন সময় মাতা, সুষুণ্ত মেদিনী, হেরিলাম অপরূপ,__অপুর্বব কাহিনী,

নিকুপ্জ-মন্দির-দ্বার হইল মোচন, বাহির হইল রাঁধা মদনমোহন ; বিষাদিনী বিনোদিনী নীল নেত্রে নীর, মলিন মধুর মুখ, আতঙ্কে অধীর, গিরিধারি-কর ধরি চলিল রমণী, চলিল অঞ্চল পিছে লুঠায়ে ধরণী, উপনীত উভয়েতে প্রবাঁহিনী-তটে 3 কিশোরী কহিল কাদি কৃষ্ণের নিকটে,

কেন নাথ, অকন্মাৎ ভাব তোমার, কিজন্য ত্যজিতে চাও জগৎ সংসার, অধীনী কি অপরাধী হল তব পায়, জন্মের মতন তাই নিতেছ বিদায়?

রাধার সর্বস্ব তুমি জীবনের সার, মুহুর্ত সহিতে নারি বিচ্ছেদ তোমার, তব প্রেম-পাগলিনী আমি অনুক্ষণ, বসন্তের অনুরাগী ব্রততি যেমন, বসন্ত চলিয়ে যায় কাদাইয়ে তায়, তুমিও কাদাও মোরে লইয়ে বিদায় ;

যবে তুমি মধুরায় করিলে গমন, কি ফাতন! পাইলাম বিনা দরশন,

সপ টিন ১১০ ত৮শিস্পীশ্শিটিতিত সী শিশি টা শীত শশী

প্রথম ভাগ। ৭৫৯

).. বিরহ-বিষম-বাণ বিদারিল কায়,

নিপতিত হইলাম দশম দশায় ;

হৃদয়ের নিধি বিধি যদি কেড়ে লয়, যে যাঁতন! ! জানে মাত্র ব্যথিত হৃদয় বার বার কেন আর কাঁদাও গোবিন্দ, চল ফিরি, ধরি হরি, পদ-অরবিন্ন |

“রাধার বচন শুনি মদনমোহন

বলিলেন মৃছু্বরে এই বিবরণ অঙচ্জানের অন্ধকারে ভ্রমের মন্দিরে আধিপত্য এতদিন উন্নত শরীরে করিয়াছি অনায়াসে, এবে অবোধিনি, জ্ঞানালোকে আলোময় হয়েছে মেদিনী, গিয়েছে আধার দুরে, ভেঙ্গেছে মন্দির, কতক্ষণ ঢাকা থাকে মেঘেতে মিহির ? অনাদি অনন্ত দেব বিশ্বধুলাধার, পরম পবিত্র ব্রহ্ম দয়া-পারাবার ; নির্মিত মন্দির তার জীবের হৃদয়ে, সত্য গন্ধ, ভক্তি পুষ্প সেই দেবাঁলয়ে, আরাধনা! অবিরত করিছে তাহার, পাতর পুতুলে পুজা কেন দেবে আর?

পুত্তলিকা পরিহত, হইল ঘোধণ

২... এিকমেবাদ্িতীয়ম্ত ধর্ম সনাতন

সপিপ্পতজজপাপ লা সী সত স্পা শিপ শপিপিসসস্পাশিসসিপীশীটি টি তি পিসী পিপিপি পা িপিপাপাস্পেস সিসি ০৯৮০ ০5 দ,

৭৬০

সুরধুনী।

পুর্ণব্রহ্ম পুর্ণানন্দে আনন্দিত মন,

কে আর করিবে বল তীর্ঘ-দরশন ?

নয়ন যুদিয়ে যদি দেখাঁপায় নরে সদানন্দ দয়াময় আপন অন্তরে, দেবদেবী-উপাসনা-_অজ্ঞীনের ফল--. কিজন্য করিবে আর মানবের দল ? আমাদের উপাঁনন! হইল বেহাত,

কে রোধিতে পারে সত্য-সলিল-প্রপাঁত ! ভূমিশুন্য ভূপতির বৃথাই জীবন, পরিহরি ধরা তাই করি পলায়ন। আইস আমার সঙ্গে, কিশোরি কমলে, থাকিলে সোণার অঙ্গ পুড়িবে অনলে ; মোক্ষদাত্রী নারায়ণী অসীম-গরিম! কগ্টিপাতরেতে তব দেখিবে মহিম| | বলিতে বলিতে শ্যাম বিরস-বদনে

ঝাঁপ দিল কালী-দহে সাঁর ভেবে মনে কোথায় প্রাণের হরি বলি কমলিনী পড়িল জীবন-মাঝে, যেন পাগলিনী।

“আ[কবার-রাজধানী আঁগরা নগরী, প্রবাহ-পুলিনে যেন বিভৃষিতা পরী, অপরূপ অগ্রালিকা, সরসীনিকর, রমণীয় রাজপথ, উদ্যান সুন্দর.

1 শি পাপ পীস্পিপাসপসসপীট পাপ পপ পন শসা পিসি পিক সটিগালা শিখ

পা সপ

প্রথম ভাগ ৭৬৯

বিরাজিত শিলাময় দুর্গ দীর্ঘকাঁয়, বিশ্বকর্দ্মা-বিনিন্দিত কীর্তি শোভে তায়।

“তাজমহলের শোভ। অতি চমত্কার) ভাঁরতে এমন হম্ম্য নাহি কোথা আর, রজত কাঞ্চন মণি হীরক প্রবাল শোভিরাছে মহলের শরীর বিশাল, করিতেছে চক্মক্‌ উজ্জ্বলতাময়, স্থির-বিজলীর পুগ্জ অনুভব হয়। অপূর্বব নিপুণ কন্ম করেছে প্রস্তরে, শিলা! যেন কাচ! ইট ভাক্করের করে, লেখনী নিন্দিয়ে লেখা লিখেছে শিলায়, মোহিত নয়ন মন তাহার ছটাঁয়। তেজীয়ান সাঁজিহান দিল্লি-অধিপতি, ভার্ধ্যা তার বন সতী অতি রূপবতী, তাহার স্মরণ হেতু ভূপ মাজিহান গৌরবে করিল তাজমহল নির্মাণ | নির্মিবারে নিয়োজিত ছিল নিরন্তর বিংশতি সহত্র লোক বাইশ ব্সর |

“শিষ্মস্জিদের শোভা অতি মনোহর, অভ্র-আবরিত তার মব কলেবর, রজত-রচিত দেখে অনুভব হয়, অথবা৷ অবনী-অঙ্গে শশাঙ্ক-উদয়

ি্পিসিপাসিপাপপ শতাশ পাশ শাশিশি স্পা পসী সপ প-৯--পা পাপিীপাকি পাশপাশি পপ দা

৭৬২

ন্ুরধুনী .

“শ্বেত পাতরের “মতি-মঞ্জিল” সুন্দর, পরিপাটী ঘর তাঁর অতিপরিসর, মোগলকুলের কেতু রাজা আকবার, এই স্থানে করিতেন রাজ-দরবার মঞ্জিলের তিন দিকে কিবা! শোভ। পায় বিবিধ ভবন, রচ1 ধবল শিলায়, যথায় বসিয়ে সদা উদাসীনগণ বিমল মানসে ব্রন্মে করিত ভজন

“স্ুবিস্তৃত সেকেন্দরা-বাগ্‌ অপ্পরূপ, কবরে বিহরে যথা আকবার ভূপ, নিন্দিয়ে নন্দনবন বিপিন-মাধুরী, স্ুবাসিত-বারিপ্রদ উদ্স ভুরি ভূরি, বিরাজিত তরুরাঁজি দেখিতে কেমন, নয়ন-রঞ্জন নব-পল্লব-শোভন, বিচিত্রবরণ পক্ষী শাখে করে গান, চুনিমণি-পান্গী-আঁভা পক্ষে দীপ্তিমান, মকরন্দবিম্ডিত ফুটিয়াছে ফুল, মধুকরে সমীরণে সমর তুমুল, উভয়েতে পরিমল করিছে হরণ, অনিল লুঠের ধন করে বিতরণ

“ভাসায়ে লোহার পিপ! নদীর উপর, নিন্মীণ করেছে সেতু দেখিতে সুন্দর

প্রথম ভাগ।

বিরাজে অপর পারে এম্দাদ্‌ উদ্যান, রমণীয় শোভা হেরে সুখী হয় প্রাণ

“ছাঁড়িয়ে আগর বেগে চলিতে চলিতে এলেম এলাহাবাদে তোমায় ধরিতে |

৭৬৩

৯০০২ স্পগার্জীশীতি পশীশাশ্পানপশ্ীশীশী শিপ পিি পিপাসা পাপ পপ শসপসীশপপা পিপি

_. ৯৭৮ পিসী পি উি্াক্িস-- তি

চতুর্থ সর্গ। পবিত্র প্রয়াগে পুর্বেব ছিল বিরাজিত, জোতস্বতী সরম্বতী ভারতী সহিত, বেদ? স্মৃতি ন্যায় কাব্য ষড় দরশন করিত যাহার তটে জ্ঞান বিতরণ ; অন্তদ্ধান সরস্বতী সহ সরস্বতী, আর কি ভারতে হবে তেমন উন্নতি ?

জাহ্বী যমুনা সরস্বতী নদীত্রয় সে কালে প্রয়াগ-কোলে সংমিলিত হয়, সেইজন্য যুক্তবেণী প্রয়াগের নাম, জনপদময় গণ্য ভোগ-মোক্ষ-ধাঁম। যাত্রিগণ আসি হেথা মস্তক মুড়ায়, সুকেশ। যুবতী যেন প্রয়াগে না যায়; যে ভাবিনী চুল বাঁধে দিয়ে পরচুল, প্রয়াগ তাহার পক্ষে তীর্থ অনুকূল

প্রয়াগে গ্রধান ছুর্গ অতি পুরাতন, পুর্বকালে হিন্দুরাঁজ। করে বিরচন, আকবার রাজ! পরে করে পরিক্ষার, বাড়াইল কলেবর, কৌশল, বাহার জাহ্বী-যমুনা-যোগে ছুর্গের স্থাপন, উভয়ে পরিখা-রূপে করেছে বেষ্টন।

+৮শীশিপিশশাশিশীি শীশীশশীশীিতিিশশির্শিশশীিপশীশলশশীিশিি পিপিপি শিিিশিশিশীটি টিপিপি শী শিস পপ পা

প্রথম ভাগ . ৭৬৫

প্রকাণ্ড রেলের সেতু যমুনা-উপর, নিপুণ-গঠন-কীন্তি অতীব সুন্দর, দুরেতে দেখিতে শোভা আরো চমত্কার, যমুনা-গলায় যেন কনকের হার!

ছাড়িয়ে প্রয়াগ গঙ্গা অবিরাম চলে, উপনীত ক্রমে আসি বাঁরাণসী-তলে ; কাশীতে হেরিল বাল! বিশ্বেশ্বর বর, সলাজে ফিরায় যুখ, কাপে কলেবর, সেই হেতু কাশীতলে তীক্ষপ্রসবিনী হয়েছেন মনোলোভা উত্তরবাহিনী নুবদনী সুরধুনী যায় পারাবারে, বিড়ম্বনা বিশ্বেশ্বর সহিতে কি পারে? “অসি” “বরণের” প্রতি দিল অন্ুুমতি-- “এখনি ফিরায়ে আন গঙ্গা গুণবতী |” বারাণসী-ছুই-পাঁশ দিয়ে ছইজন নতশিরে ধরিলেন গঙ্গার চরণ, বলিলেন বিবরণ যোঁড় কর করি ; জাহৃবী উত্তর দিল লজ্জা পরিহরি, “অন্ুঅঙ্গী আমি বাছা, তিনি শিলাময়, সম্ভব কভু কি তীর সনে পরিণয় ?” নদযুগ পরিতুষ্ট গঙ্গার বচনে, চলিল আঁনন্দমনে সিন্ধু-দরশনে |

পানি শিসষষপাি শী পিপপ্পীা পপ শী শী শী শী সী পট শিলা ি্স্পী শশী শী শপে পাস র্‌ রর -

৭৬৬

সুরধূনী।

দাড়ায়ে অপর তীরে কর দরশন কি শোভ। ধরেছে কাশী নয়ননন্দন, নিদ্রাবেশে স্বপ্ধে যেন পতিত নয়নে কিন্নরকুলের পুরী সজ্জিত রতনে £ স্ুরধুনী-নীর হতে উঠিয়ে সোপান মিশিয়াছে হর্্্য-অলে, হয় অনুমান এক খণ্ড শিলাঃক্ষোদি করেছে নিন্মীণ এক ভাগে অট্টালিকা, অপরে সোপান রজত-কাঞ্চন-চুড়! জুমার্জিত-কাঁয় শোঁভিতেছে সৌধপুঞ্জে সৌদামিনী-প্রায়।

কাঁশীতে অপুর্ব শোভা ঘাট সমুদয়,

পরিপাটা-বিনির্ম্িত বিমল শিলাঁয় ; বিকালে বসিয়ে তথা লোক অগণন কথোপকথন করে, সেবে সমীরণ “অগ্রীশ্বর+ “মাধরায়” ঘাট মনোহর, “পঞ্চগঙ্গা” এব্রহ্মঘাট” সোপান সুন্দর, “মণিকর্ণিকার” ঘাটে সমাধির স্থান, চির চিতানল যথা না হয় নির্ববাণ, “রাজরাজেশ্বরী” ঘাটে স্নানে মহাফল, “্রীধর? “নারদ” ঘাট আরাধনাস্থল, “দশ-তশ্বমেধ” ঘাঁটে হইলে মগন,

সশরীরে চলে যায় বিষু-নিকেতন,

পাশ পপ

প্রথম ভাগ। ৭৬৭

সুন্দর বিরাঁজে “রাঁজঘাট” শিলাময়, য্থায় রেলের লোক আসি পার হয়।

মাঁধরায়-ঘাঁটোপরি অতি-উচ্চ-শির বিরাজিত ছিল বেণীমাঁধব-মন্দির, বিঞুমুর্ভিধারী বেণীমাধব তথায়

পরিতুষ্ট হইতেন পবিত্র পূজায় ; অপকৃষ আরংজিব রাজা ছুরাচার প্রজার মনের ভাব ন! করি বিচাঁর নাশিতে কাশীর কীর্তি ভীম মুর্তি ধরি, কাশী আমি উপনীত, করে অসি করি, তাঙ্গিয্বে মন্দির তায় মস্জিদ্‌ গঠিল, প্রস্তর-বিগ্রহে ধরে দূরে ফেলাইল। মন্দিরের চূড়া এবে মস্জিদ্‌ মিনার, বহুদূর হতে লোক দেখাপায় তার।

বিশ্বেশ্বর-পুরাতিন-মন্দির এখন ভগ্ন অবস্থায় পড়ে, দেখিলে ভীষণ শোকের উদয় হয় মানবের মনে, অরে দুষ্ট আরংজিব নীচাত্সা, কেমনে নাশিলি এমন কীর্তি ? ছিল না কি তোর কিছুমাত্র পুর্ববকীর্তি-অনুরাগ-জোর ? বর্ধবর ভূপতি তুষ্ট পর্ববকীর্ভি-ভঙ্গে, প্রবালপ্রলম্থ চূর্ণ শাখাম্বগ-অঙ্গে !

৯৯ কতা লজ পের সি তি

৭৬৮

নুরধূনী।

অন্ধকার 'জ্ঞানবাঁপী” অজ্ঞাঁনের মুল, কতমত মানবের ধর্দপক্ষে ভূল দুরন্ত যবন যবে ভাঙ্গিল মন্দির, 'আতঙ্কেতে বিশ্বেশ্বর হলেন বাহির, দেবের উড়িল প্রাণ, জড়সড় অঙ্গ, ধাইল ধরণীতলে করিয়ে সুড়ঙ্গ বাচিল দেবতা হেথা জ্ঞানের কৌশলে, এই নুড়ঙ্গেরে তাই জ্ঞানবাপী বলে। সর্বশক্তিমান ব্রহ্ম বিশ্বরচয়িতা, কোপ-কুলিশেতে ধার পৃথথী বিকম্পিত, যবনের ভয়ে তার দুরে পলায়ন! যেমন মানুষ তার দেবতা৷ তেমন।

ন্ুগৌরবে দশ-অশ্বমেধ-ঘাঁটোপরে জ্যোতিষ-আধার মান-মন্দির বিহরে ; যেখানে বষিয়ে রবি শশী গ্রহণ বিদ্যার কৌশলে করে স্পষ্ট দরশন, প্রুবতার! ধরিবার সহজ উপায়, দিবার বিভাগ গণে ভাসঙ্কর-প্রভায়। স্বেয়। জয়সিংহ রায় রেয়াঅধিপতি, যার করে জ্যোতির্বিদ্যা পাইল উন্নতি, তাহার নিন্মীণ মান-মন্দির মোহন, মরিয়ে জীবিত রাজ! কীর্তির কারণ

শ্রথম ভাগ।

সুশোভিত শিক্রোল-পল্লী পরিক্ষার,

'পরিপাঁটী অট্টালিকা, বর চমত্কার, নবীন দুর্ববায় ঢাকা বিপুল প্রাঙ্গণ, মনোহর-দরশন নয়নরঞ্জন। শিকৃরোলে করে বাস সাহেবের কুল, জুরম্য উদ্যানে যেন মলিকার ফুল।

শিকরোল-সম্িকটে কালেজ-ভবন, বহুচূড়া-বিভূষিত অপুর্ব শোভন, প্রশস্ত প্রাঙ্গণ শোভে সম্মুখে তাহার, ফোয়ারায় বারি দান করে অনিবার, বিরাজিত মনোহর ক্ষুদ্র জলাশয়, দর্শকে কৌতুক ভায় কুস্তীর-দ্বিতয় ভিতরে বিহরে বড় পুস্তক-আগার, বিরাঁজে দর্শন বেদ কাব্য অলঙ্কার | চক্্রনারায়ণ-গুণে এই বিদ্যালয় করেছে পণ্ডিত-মাঝে নুখ্যাতি-সঞ্চয়। খালি পায় সমুদয় ছাত্র অধ্যাপক, রয়েছে কালেজে যেন কারায় আটক ; ন্যায়ের অন্যায় হায়! তাই মনে লাজ, ভুর্ববল-দলন। নছে মহতের কাঁজ।

বাজারে বিক্রয় হয় রত্ব অলঙ্কার, হীরক বলয় বাঁজু, মুকুতার হার,

পি

৭৬৯

পেপসি. ০২০ পা পা 22

শা তার ০৬০০০ _৬১৬

সী পি পাপী 5৩

স্ুুরধুনী

চেলির বসন, তায় কার্য পরিপাী, মোহিনীর মনোহর বারাণসী শাটী, বিবিধ বর্ণের ধুতি, উড়ানি উজ্জ্বল, জরিতে জড়িত শাল করে ঝল মল, ফুলকাটা সতরঞ্চি গালিচা আসন, ঘটী বাঁটী লোটা থাল বিচিত্র বান, হাতীর দাতের হাতী চিরুনি মুকুর, শলপাতা- মোড়া নন্য শ্লেল্স। করে দুর

সাপ পে

প্রতিউপকূলে রামনগর শুন্দর, কাশীর রাঁজার বাড়ী যাহার ভিতর মহারাজ-মহিমাঁর পরিসীমা নাই, স্ুচিন্ডে শের গাঁন করিছে সবাই, ভাঁগারে বিপুল নিধি রাঁজ-আভরণ, মন্দ্ুরায় বাজিরাজি-__গমনে পবন, দুরন্ত দ্বিরদরুন্দ--চলিত অচল, ভয়ঙ্কর দন্তযুগ নিতান্ত ধবল

রামনবমীর দিন,-_যে শুভ দিবসে প্রসবিল রামচন্দ্রে কৌশল্য স্ুষশে রামনগরেতে রেতে রাঁমলীল! হয়, প্রাসাদ প্রাস্তর পথ করে আলোময়, জনতা অবনী-অঙ্গ করে আচ্ছাদন, চাকেতে মাছির ঝাঁক দেখিতে যেমন,

সী

পিপিপি পিপি ৮৯৮৯০

শপ পাসপাপপপসাাসস্পপপপপপ পিপল পাপা শিটীিিকা শিশািিঁশিশিিিতিশিটিশ

প্রথম ভাগ

কুগ্তরনিকরে কত দরশকদল, আরোহিয়ে কত লোক তুরক্ষগপটল ; সারি সারি পোড়ে বাজি ঝলসি নয়ন, হাউই হুনুস্‌ স্বরে পরশে গগন, তুপড়ি অগিনি-ঝাঁড় করে বিনিম্মাণ, অন্ল-কণিকা-উৎ্স হয় অনুমান, তারাহার