থৈ

পলী-নম্গাজ

আর্ট খিয়েটাস কনক সর রঙলগমঞ্চে অভিনীত প্রথম অভিনয় রজনী-শনৈবাক্র ১৯ আশরাবণ, ১৩৩৪

শরৎ্চক্ঞ চট্টোপাধ্যায়

গুরুদদাস চট্রোপাধ্তায় এও সন্ন ২০৩।১।১৯ কর্ণওযালিস্‌ শ্রী, কলিকাতা!

€দড় টকা?

ষ্ঠ বল্ল ২৫ হট ৪2

নাট্টোলিখিত ব্যক্তিগণ

পুল্রতস্ম

বেণী ঘোষাল *** জমিদার

রমেশ ঘোষাল খুল্লপতাতপুক্র

মধু পাল টি মুদী

বনমালী পাঁড়ুই *** হেড মাষ্টার

যতীন -*" যছুনাথ মুখুয্যের কনিষ্ঠ পুত্রঃ রমার ভাই

গোবিন্দ গাঙুলী

ধন্মদীস চাটুষ্যে

58 ' গ্রামবাসিগণ

দীননাথ ভট্টাচার্য

য্টীচরণ

পরাণ হালদার

তজুয়া *-" রমেশের হিন্দুস্থানী দরোয়ান

গোপাল সরকার "০, সরকার

দীন্ছ ভট্টাচার্য্যের ছেলে মেয়েরা, ময়রা, ভৃত্য, খরিদ্দারগণ, বীঁডুষ্যে,

নাপিত, যাত্রী, কর্মচারী, ভিথারিগণ, কুলদাঃ কৃষকগণ,

আকবর, গহর, ওসমান, বৈষ্ণব সরকার, সনাতন

হাঁজরাঃ জগন্নাথ নরোতিনঃ দরোয়ান ইত্যাদি শ্রী বিশ্বেশ্বরী “** বেণীর মা

রমা *** যছু মুখুযষ্যের কন্তা

রমার মাসী, সুকুমারী, ক্ষান্তঃ খেঁদী, নন্দর মাঃ ভিখারিণীগণ, বৈষবী, লক্ষী, ইত্যাদি

পল্লী-নমাজ প্রথম অঙ্ক

প্রথম ছুশ্

৬যছুনাথ মুখুয্যে মশায়ের বাটার পিছনের দিক | খিড়কীর দ্বার খোলা, সন্দুখে অপ্রশস্ত পথ। চারিদিকে আম-কাটালের বাগান। এবং অদুরে পু্ষরিণীর বাঁধানো ঘাটের কিয়দংশ দেখা যাইতেছে সকাল বেলায় রমা তাহার মাসি স্নানের জন্য বাহির হইয়া আসিল এবং ঠিক সময়েই বেণী ঘোষাল আর একদিক দিয়া প্রবেশ করিলেন। রমার বয়স বাইশ তেইশের বেশি নয়। অল্প বয়সে বিধবা হইয়াছিল বলিয়া হাতে কয়েক গাছি চুড়ি ছিল, এবং থানের পরিবর্তে সরু পাড়ের কাপড় পরিত। বেণীর বয়সও পয়ত্রিশ ছত্রিশের অধিক হইবে না

বেণী। তোমার কাছেই যাচ্ছিলেম রম!

মাসি। তা+ খিড়কীর দোর দিয়ে কেন বাঁছ! ?

রমা। তোমার এক কথা মাসি। বড়দা ঘরের লোঁক, ওর আবার সদর-খিড়কী কি? কিছু দরকার আছে বুঝি? তা? ভেতরে গিয়ে একটু বন্ুন নাঁ, আমি চট ক'রে ডুব! দিয়ে আসি।

বেণী। বস্বার যো নেই দিদিঃ ঢের কাজ। কিন্তুকি করবেস্থির করলে ?

রম! প্রথম অন্ধ

রমা কিসের বড়দা ?

বেণী। আমার ছোট খুড়োর শ্রাদ্ধের কথাটা বোন্‌। রমেশ কাঁজ এসে পৌছেছে। বাপের শ্রাদ্ধ না কি খুব ঘট1 করেই করবে। যাবে না কি?

রুম! আমি যাঁবে তারিণী ঘোষালের বাড়ী!

বেণী। সেতোজানি দিদি,আর যেই কেনন1 যাক তোর! কিছুতেই সে বাড়ীতে প! দ্দিবি নে। তবে শুন্তে পেলাম ছোঁড়া নিজে গিয়ে সমস্ত বাড়ী বলে আস্বে। বজ্জাতি বুদ্ধিতে সে তার বাপের ওপরে যায় যি সত্যই আসে কি বলবে?

রমা আমি কিছুই বৌলব বড়দা,--বাইরের দরওয়ণন তার জবাব দেবে।

মাসি। দরওয়াঁন কেন লা, আমি বল্‌তে জাঁনি নে? নচ্ছার ব্যাটাকে এম্নি বলাই বোল্ব যে বাঁছাধন জন্মে কখনো আর মুখুয্যে-বাঁড়ীতে মাথা গলাবে না। তারিণী ঘোষালের ছেলে ঢুকবে নেমন্তন্ন করতে আমার বাড়ীতে! আমি কিছুই ভুলি নি বেণীমীধন | তারিণী এই ছেলের সঙ্গেই আমার রমার বিয়ে দিতে চেয়েছিল। তখনে! যতীন জন্মায় নিঃ ভেবে- ছিল যছু মুখুষ্যের সমস্ত বিষয়ট! তা+ হলে মুঠোঁর মধ্যে আস্বে। বুঝলে ন! বাবা, বেণী !

বেণী। বুঝি বই কি মাসি, লব বুঝি।

মাসি বুঝবে বই কি বাবাঃ তে| পড়েই রয়েছে আর তা যখন হল ন! তখন ভৈরব আঁচাধ্যিকে দিয়ে কি সবজপ-তপ,তঁক-তাঁক করিয়ে মায়ের কপালে 'আমার এমনি আগুন জ্বেলে দিলে যে ছ*মাস পেরুল না বাছার হাতের নোৌয়া মাথার সি'ছর ঘুচে গেল। ছোট জাত হয়ে চায় ফিন! যছুমুখুয্যের মেয়েকে বৌ করতে ত্তেমনি হারামজাঁদার মরণও হয়েছে। সদরে গেল মকর্দম! করতে আর ঘরে ফিগ্ুতে হ'ল না? এক

গ্রথম দৃশ্য রমা

ব্যাটা, তার হাতের আগুনটুকু পধ্যস্ত পেলে না। ছোট জাতের মুখে আগুন।

রমা। কেন মাসি, তুমি লোকের জাত তুলে কথা! কও? তারিণী ঘোষাল বড়দারই আপনার খুড়ো বামুন মানুষকে ছোট জাত বল কি করে? তোমার মুখে যেন কিছু বাঁধে না।

বেণী। ( স্লজ্জে) ন1 রমা, মাঁসি সত্যি কথাই বলেছেন। তুমি কত বড় কুলীনের মেয়ে, তোমাকে কি আমরা ঘরে আনতে পারি বোন? ছোট খুড়োব কথা মুখে আনাই বেষাদপি। আর তৃক-তাকের কথা যদিবল তো” সে সত্যি। ছুনিধায় ছোট খুড়ো! আর ভৈরবের অসাধ্য কাঁজ কিছু নেই। রনেশ আস্তে ন! আস্তে ব্যাটাই জুটে গিয়ে হয়েছে তার মুরুব্বি

মাসি। সেতজানা কথাবেণী। ছোঁড়া বছর দশ বারো দেশে আনে নিঃ--সেই যে মামার এসে কাশী না কোথায় নিয়ে গেল আর কথনো মুখো হতে দিলে না। এতকণল ছিল কোথায়? কর্ছিল কি?

বেণী। কি করে জাঁন্বে মাসি ছোট খুড়োর সঙ্গে তোমাদেও যে ভাব আমাদেরও তাই। গুন্চি, এতদ্দিন বোগ্বাই না কোথায় ছিল। কেউ বল্চে ডাক্তারি পাশ করেছে, কেউ বল্চে উকিল হয়েছে আবার কেউ বল্চে সব ফাঁকি ছোড়া না কি পাড় মাতাল। যখন বাড়ী এনে পৌছল, তখন চোঁথ ছুটে! ছিল না কি জবা ফুলের মত বরাঁড1।

মাসি। বটে? তা”হলে তাঁকে বাড়ী ঢুকৃতে দেওয়াই যাঁয় না।

বেণী। কিছুতে না। হা রমা; তোমার রমেশকে মনে পড়ে?

রমা। ( সলজ্জ মুছু হাসিয়।) সেদিনের কথা বড়দা। তিনি আমার চেয়ে বছর চারেকের বড়। এক পাঠশালায় পড়েচিঃ এক সঙ্গে

9 রমা প্রথম অস্ক

থেলা করেচি, ওদের বাড়ীতেই থাকৃতাম। খুড়িমা আমাকে মেয়ের মত ভালবাসতেন

মাসি। তাঁর ভালবাসার মুখে আগুন। ভালবাস! ছিল কেবল কাজ হাসিল করবার জন্টে তাহাদ্দের ফন্দিই ছিল কোন মতে তোকে হাত করা কম ধড়িবাজ ছিল রমেশের মা!

বেণী। তাতে আর সন্দেহ কি। ছোট খুড়িও যে-_

রমা দেখো মাঁসি,তোমাদের আর যা ইচ্ছে বল, কিন্তু খুঁড়িমা আমার ঘর্গে গেছেন, তাঁর নিন্দে আমি কারও মুখ থেকেই সইতে পাঁরবে। ন1।

মাঁসি। বলিদ্‌কি লো? একেবারে এতো ?

বেণী। তাঃ বটে, তা বটে। ছোট খুঁড়ি ভাল-মানুষের মেয়ে ছিলেন তাঁর কথ! উঠলে মা আজও চে।খের জল ফেলেন তা সে যাক, কিনজ্ধ এই স্থির রইল দিদি, নড় চড় হবে না ত!

ব্রমা। (হাসিয়। ) না। বড়দা, বাবা বলতেন আগুনের শেষ খণের শেষ, আর শক্রর শেষ কখনে! রাঁখিস্‌ নে রমা তারিণী ঘোষাল জ্যান্তে আমাদের কম জাঁল! দেয় নি,বাঁবাঁকে পর্য্যন্ত জেলে দিতে গিয়েছিল আমি কিছুই ভূলি নি, বড়দা, যতদিন বেঁচে থাঁকৃবে! ভুলবো না রমেশ সেই শন্ররই ছেলে। আমরা নযই-_-আমাঁদের সংশ্রবে যাঁরা আছে তাদের পর্যন্ত যেতে দেব না

বেণী। এই তচাই। এই তোমার যোগ্য কথা।

রমা আচ্ছি!। বড়দা, এমন করা যায না যেকোন ব্রাঙ্গণ না তার বাড়ী যায়? তা হলে--

বেণী। আরে, সেই চেষ্টাই করুচি বোন্‌। তুই শুধু আমার সহায় থাকিস আর আমি কোন চিন্তা করিনে। রমেশকে এই কুঁয়াপুর থেকে না তাড়াতে পারি আমার নাঁমই বেণী ঘোঁষাঁল নয়। তার পরে রইলাম

প্রথম দৃশ্য রমা

আমি আর আচাষ্য ব্যাটা ছোট খুড়ো আর বেঁচে নেই, দেখি তাঁকে কে রক্ষা করে।

রমা। (হাসিয়া) রক্ষে করবেন বোধকরি বমেশ ঘোষাল কিন্ত আমি বলে রাখ.লেম বড়দা,আমাদের শত্রুতা করতে ইনিও কম করবেন না

বেণী। (এদিক ওদিক চাহিয়া! এবং কণ্ঠস্বর আরও মুছু করিয়া) বমাঃ আসল কথা হচ্চে বিষয সম্পত্তির ব্যাপাৰ সে আজও কিছুই বোঝে না। বাঁশ হুইযে ফেল্তে চ1ও এই সময। পেকে উঠলে আর হবে না ত1 তোমাকে নিশ্য বলে দ্িচি। দিন রাত মনে রাখতে হবে তাঁবিণী ঘোষালেব ছেলে আঁব কেউ নয চেপে বস্লে আর--

অস্থরাল হইতে গম্ভীর কণ্ঠের ডাক আসিল--“রাণী কইরে ?” রমা চকিত হইযা উঠিল। এবং পরক্ষণেই দ্বারের ভিতর দিবা রমেশ প্রবেশ কর্সিল। তাহার কক্ষ মাথা, খালি পা, উত্তরীয়ট। মাথায় জডান। বেণীর প্রতি দৃষ্টি পডিতেই-_ রমেশ। এই যে বড়দা এখানে ? বেশ, চলুন। আপনি নইলে করবে কে? আমি সারা গা আপনাকে খুঁজে বেড়াচ্চি। রাণী কৈ? বাড়ীর মধ্যে দেখি কেউ নেই ঝি বল্লে এই দিকে গেছে-__

বমা নতমুখে দ্রাডাইয়। ছিল সহস| তাহাকে দেখিতে পাইয়।

রমেশ। আরে এই যে! ইস্‌! কত বড় হযেছে।? ভালে। আছে! ত? আমাকে চিন্তে পারচে। না বুঝি? আমি তোমাদের রমেশদ!।

রমা (মুখ তুলিয়! চাহিল না, কিন্তু অত্যন্ত মৃদৃকণ্ঠে জিজ্ঞাসা করিল) আপনি ভাল আছেন?

রমেশ। হা? ভাই ভাল আছি। কিন্তু আমাকে “আপনি? কেন রাণিণ (বেণীর দিকে চাঁহিয়।) রমার একটা কথা আমি কোন দিন

ঙ৬ রমা গ্রথম অস্ক

তুলতে পারি নি বড়দা। মা যখন মারা গেলেন তখন ছে!ট? কিন্ত তখনি আমার চোথ মুছিয়ে দিয়ে বলেছিল, তুমি কেঁদো না রমেশদা, আমার মাকে আমর! ছুজনে ভাগ করে নেব। তোমার বোধ হয় মনে পড়ে না? লা? আমার মাকে মনে পড়ে ত?

বম! নিরুত্তর। লজক্জাষ যেন তাহাব মাথ| তারও হেট হইয। গেল

রমেশ। কিন্কু আর সময নেই ভাঁই। যা করবার করে দাও; যাঁকে বলে একান্ত নিরাশ্র আমি তাই হযেই আবার তোমাদের দোর গৌোড়াষ ফিবে এসে দ্লাড়িযেছি তোমরা না গেলে এতটুকু ব্যবস্থা পথ্যস্ত হয়ত হবে না।

মাঁসি। (কাছে আসিয়া মেশের মুখের দিকে চাহিযা ) তুমি বাপুঃ তারিণী ঘোঁষালের ছেলে না?

রূমেশ নিঃশবে বিল্ময়ে চাহিয়। বুহিল

মাসি। আগে দেখ নি, চিন্তে পারবে না বাছাঃ_আমি বমাঁর আপনার মাসি কিন্ত এমন বেহাযা পুকষ মাহষ তোমার মত আব দেখিনি যেমন বাঁপ তেম্নিই কি ব্যাটা? বলা নেই, কহ! নেই, একটা গেরস্তর বাড়ীর খিড়কীতে ঢুকে উৎপাত করতে সরম হয না তোমার?

রমা কি বোক্চ মাসি, নাইতে যাও না।

বেণীর নিঃশবে প্রস্থান

মাঁসি। নে রমা, বকিস্নে। যে কাঁজ করতেই হবে তাতে তোগ্গের মত আমার চক্ষু-লজ্জা হয় না। বলি, বেণীর অমন কোরে পালানোর কি দরকার ছিল? বলে গেলেই তহোত আমরা বাপু তোমার গোমস্তাও নই, থাঁস-তালুকের প্রজাও নই যে তোমার কর্মবাঁড়ীতে জল তুল্তে ময়দা মাথতে যাবো তারিণী মরেছে লোকের হাড় জুড়িযেছে। কথাটা

প্রথম দৃশথা রমা

বলবার বরাত আমাদের মত ছুজন মেয়েমান্ছষের ওপর না দ্রিয়ে নিজে বলে গেলেই পুরুষের মত কাজ হো1তো।।

রমেশ নির্ববাক পাথরের মূর্তির মত ঈাডাইয! রহিল

মাসি। যাই হোক্‌, বামুনের ছেলেকে আমি চাঁকর-বাঁকর দিয়ে অপমাঁন কবতে চাই নে, একটু হ'স্‌ করে কাজ কোরো কচি খোঁকাঁটি নও যে লোকের বাঁড়ীতে ঢুকে আব্দার করে বেড়াবে। বরাঁণীকি? রাণী ওব নাঁম নাকি? তোঘাঁর বাড়ীতে আমার রমা কথনো৷ পা ধুতে যেতেও পারবে না। এই তোমাকে আমি বলে দিলাম।

রমেশ__তোঁমাকে ম| বল্‌তেন রাণী ছেলেবেলার সেই ডাকৃটাই মনে ছিল রমা আমি তজানতাম নাষে আমাদের বাড়ীতে তুমি যেতেই পারো না। না জেনে যে উপদ্রব করে গেলাম সে আমাকে তুমি ক্ষমা কোরে রমা

রমেশের প্রস্থান বেণীর আবির্ভাব

বেণী। (তাহার সমস্ত মুখ খুসিতে ভরিয়। গিযাছে ) হা, শোনালে বটে মাপি। আমাদের সাধ্যিই ছিল না অমন ক'রে বলা। একি চাঁকর- বাক্রদ্ধের কাজ রমা? আমি আড়ালে দীড়িযে দেখলাম কিনা, ছোড। মুখখানা যেন আষাঁড়ের মেঘের মত করে বেরিষে গেল এই ঠিক হ'ল।

মাসি। হ'ল তজানি, ক্তিম্ত মেয়েমাঙ্ছষের ওপর ভার ন! দিয়ে, ন। সরে গিয়ে নিজে বললেই আরোও ভাল হোতে।। আর না-ই ষদ্দি বলতে পারতেঃআমি কি বল্লাম ধ্াঁড়িয়ে থেকে গুনে গেলে না কেন বাছা?

রমা ছুঃথ কোরে! না মানি, উনি না শুঙুন আমর শুনেছি। যে যতই বলুক না কেন, এতখানি বিষ জিভ দিয়ে ছড়াতে তোমার মত আর কেউ পেরে উঠত না

ৰম। গ্রথম অঙ্ক

মাসি। কিবল্লিল!? বমা। কিছুনা বলি, রান্না-বান্না কি আজ হবেনা? যাঁওনা ডুবট! দিযে এসো না।

পুষ্করিণীর উদ্দেশে রমার দ্রুতপদে প্রস্থান বেণী। ব্যাপার কি মাসি?

মাসি। কি ক'রে জান্বো বাছা রাঁজ-বাণীর মেজাজ বোঝা কি আমাদের মত দাসী-বাদীর কর্ম?

প্রস্থান

গোবিন্দ গাঙলীর প্রবেশ

গোবিন্দ ভ্যালা যাহোক সকাল থেকে সার! গঁটা খুজে বেডাঁচ্চি বেণীবাবু গেল কোথাষ বলি শুনেছ খববটা? বাবাজী কাল ঘবে পা দ্নিযেই ছুটেছিলেন নন্দীদের ওখানে এযদি না দুদিনে উচ্ছন্প যাষ আমার গোবিন্দ গাঁঙলী নাম তোমরা বদূলে বেখো। নবাবী কাণ্-কার- খানার ফর্দ শোন অবাক হযে যাবে তাঁবিণী ঘোষাল সিকি পযস! রেখে মরেনি তা জানি, তবে এত কেন ? হাতে থাকে কব,না থাঁকে, বিষষ বন্ধক দিযে কে কবে ঘটা কোরে বাপেব শ্রাদ্ধ কবে তা”তো কথনে। শুনিনি বাবা। আমি তোমাকে নিশ্চয বল্চি বেণিমাঁধব বাবুঃ ছোঁডা নন্দীদের গদী থেকে অন্ততঃ পাঁচটি হাজার টাকা দেনা করেচে।

বেণী। বল কি! তাহলে কথাটা বার করে নিতে হচ্ছে গোবিন্দ- খুড়ো ?

গোঁবিন্দ। (মৃদু হাস্য করিযা ) সবুর কবোন! বাবাজী, একবাব ভাল

প্রথম দৃশ্ব রমা

ক'রে ঢুকৃতেই দাওনা তাঁর পৰে নাঁড়ীর খবর ফেড়ে বার করে আন্বো --তখন বুঝবে গোবিন্দ গাঙলীকে। এর মধ্যে অনেক কথাই শুন্তে পাবে বাবাজী, অনেক শালাই লাগিষে যাবে১-কিন্ধ চেনো খুড়োকে? সেইটুকু যনে মনে বুঝো, এখন আর কিছু ফাস করচিনে।

বেণী। রমার কাছে গিয়েছিলাম

গোবিন্দ। তাজানি। কিবলেসে?

বোৌ। তাৰা নযই, তাঁদের সম্পর্কে যে-যেখানে আছে তার! পর্যন্ত নয।

গোবিন্দ ব্যস! ব্যস! আর দেখতে হবে না।

বেণী। কিন্তু তোমরা যে__

গোবিন্দ উতল! হও কেন বাঁবাজী, আগে ঢুকি উদ্যোগ আয়ো- জনট| একটু ভাল ক'রে করাই, তখন নাঁ,_ছাদ্দ গড়ানো কাকে বলে একবার বাইরে দীড়িযে দেখো!

বেণী। তবে ষে শুনি

গোবিন্দ | অমন ঢেব শুন্বে বাবাজী, অনেক ব্যাটা এসে অনেক রকম: ক'রে লাগাবে। কিন্তু গোবিন্দ খুড়োকে চেনো ত? ব্যস! ব্যস্‌!

উভয়ের প্রস্থান

ছিজ্জীক্স ভুল)

রমেশের বহির্ধাটা। চণ্ডী মণ্ডপেব বারান্দার একধারে তৈবব আচাধ্য থান ফাডিয় কাপড পাট করিযা গাঁদা দিতেছে চণ্ডীমগ্ুপের অভ্যন্তরে বসিযা গোবিন্দ গাঙ.লী ধূমপান করিতেছে এবং আডচোখে চাহিযি| বন্ত্রাশির মনে মনে সংখ্যা নিরূপণ কবিতেছে। কশ্মবাড়ী। আসন্ন শ্রাদ্ধকৃত্যের বহুবিধ আয়োজন চারিদিকে বিক্ষিপ্ত নানা লোক নান! কাষে ব্যস্ত সমধ অপরাহু।

রমেশের প্রবেশ

রমেশ। (গোবিন্দ গাঁঙুলীর প্রতি সবিনযে ) এই যে আপনি এসেছেন

গোবিন্দ আম্বে। বই কি বাবা, আস্বো বই কি! এযে আমার আপনার কাজ রমেশ।

নেগথ্যে কাশির শব্ধ কাঁশিতে কাণিতে ৪1৫টা ছেলে মেয়ে লইয| ধর্মদাদ চাটুষোর প্রবেশ তাহার কাধের উপর মলিন ডন্তরীয, নাকর ঙপর এক জোড়! ভশটার মত মন্ত চস্ম! পিছনে দড়ি দিয়। বাঁধ! সাদা চুল, সাদা গোঁফ তামাকের খু'য়ায তান্বণ | অগ্রসর হইয়! রমেশের মুখের প্রতি ক্ষণকাল চাহিযা কোন কথা না কহিযা কাদিয়! ফেলিলেন। রমেশ চিনিল না ইনি কে। কিন্তু যেই হোন্‌, বও হইয! হাত ধরিতেই

ধর্মধাস। ( কীদিঘ! ) ন! বাব! রমেশ, তারিণী যে এমন কোরে ফাকি দিয়ে পালাবে তা স্বপ্নেও জানিনে | কিন্তু আমারও এমন চাটুধ্ে বংশে জন্ম নয যে কারু ভযে মুখ দিয়ে মিথ্যে কথা বেরুবে। আসবার সময় তোমার আপন জাটতুতে! ভাই বেণী ঘোষালেব মুখের উপর কি বনে

দ্বিতীয় দৃষ্থয রমা ১১

এলাম জানো? বল্লাম, রমেশ যেমন শ্রান্ধের আয়োজন করছে, এমন করা চুলোপ্র,যাক্‌, অঞ্চলে কেউ চোখেও দেখেনি 1” আঁমার নাষে অনেক শাল! অনেক রকম তোমার কাছে লাগিষে যাঁবে বাবা, কিন্তু এটা নিশ্চঘ জেনে! এই ধর্মদান শুধু ধর্ম্েরই দস আর কারও নব।

এই বলয। গোবিন্দ হস্ত হইতে হু'কোট! ছিনিয। লইয়া এক টান দিযাই প্রবল বেগে কাশিয়া ফেলিলেন

রমেশ না না) বলেন কি, বলেন কি--

প্রত্যুত্বরে ধর্মদান ঘড় ঘড় করিয়া কত কি বলিলেন, কিন্তু কাশির ধমকে তাহার একটা! বর্ণও বুঝ! গেল না গোবিন্দ সর্ধবাগ্রে আসিয়াছিলেন, সুতরাং এই নবীন জমিদারাটিকে ভাল ভাল কথ। বলিবার কুযোগ তাহারই ছিল, অথচ নষ্ট হইতেছে বুঝিযা তিনি তাডাতাড়ি উঠিয! ঈাড়াইলেন

গোবিন্দ। কাল সক1লেঃ বুঝলে ধর্মদাসদা, এখানে আসবে বলে বেরিষেও আস! হল না বেণীর ভাকাডাকি-_গোবিন্দখুড়ো তামাক খেয়ে যাও একবার ভাঁবলেম কাজ নেইঃ__তাঁর পরে মনে হ'ল ভাবখাঁন৷ বেণীর দেখেই যাইনে বেণী কি বল্‌্লে জানে! বাবা রমেশঃ বলে খুড়ো, তোমর| দেখচি হয়েছ রমেশের মুকবি্ব, বলি লোকজন খাবে টাবে ত? আমিই বা ছাড়ি কেন,--তুমি বড়লোক আছে না৷ আছো,আমার রমেশও কারে চেয়ে খাটে নয়। তোমার ঘরে একমুঠো চিণ্ড়ের পিত্যেশ কারু নেই। বল্লাঁম, বেণীবাবু$ এই পথ-্লাড়িয়ে একবার কাঙ্গালী বিদেয়ের ঘটাট। দেখে! কালকের ছেলে রমেশ, কিন্তু বুকের পাট! রলি একে কিন্ত তাও বলি ধর্মদাঁসদা১ আমাদের সাধ্যই বা কি! ধা

১২ রম! প্রথম অহ

কাঁজ তিনিই ওপরে থেকে কবাচ্চেন। তারিণীদ। শাপত্রই দিকপাল ছিলেন বই নয।

ধর্মদাসের কিছুতেই কাঁশি থামেনা, আর তাহারই সম্মুখে গোবিন্দ বেশ বেশ কথাগুলি এই অপরিপক্ক তকণ জমিদার্টিকে বলিধা যাইতেছে 'দখিয| আরও ভাল বলিবার চেষ্টাষ ধর্মনদাস যেন আকুলি বিকুণলি করিতে লাগিল

গোবিন্দ | তুমি আমার পর নও বাবা, নিতান্ত আপনাব। ভোমার ম। ছিলেন আমার সাক্ষাৎ পিসতৃত বোনের আপনার ভণ্রী। রাধাঁনগবের বীত্্যেবাডী,_-সে সব তাবিণীদাঃ জানতেন তাই যে কোন কাঁজ-কন্মন _মামলা-মোকর্ধম। করতে, সাক্ষী দিতে-ডাক গোবিন্দকে-_

ধর্মদীস। কেন বাজে বকিস্‌ গোবিন্দ? থক খক খক-__খ--আমি আজকের নইঃন! জানি কি? সেবছর সাক্ষী দেবার কথাষ বল্লি, আমার জুতো! নেই খালি-পাষে যাই কি কবে? খক্‌ থক্‌-__তারিণী অম্নি আড়াই টাকা দিযে জুতে! কিনে দিলে তুই তাই পাষে দিযে সাক্ষী দিয়ে এলি কি না বেণীব হযে ! থক খক খক__খ--

গোবিন্দ (চক্ষু রক্তবর্থ করিয|) এলুম ?

ধন্মদাস। এলিনে?

গোবিন্দ। দুর মিথ্যেবাদী !

ধর্মদাস। মিথ্যেবাদী তোর বাবা!

গোবিন্দ (ভাঙা ছাতি লইয! লাফাইয। উঠিল ) তবে রে শালা

ধর্মদাস। ( বাঁশের লাঠি উচাইয়া ) শালার আমি-_-খক্‌ থক্‌ খক্‌ -থ--ও শালার আমি সম্পর্কে বড় ভাই হই কি নাঁ, তাই শালার আক্কেল দেখ! (কাশি)

দ্বিতীয় দৃন্ত রমা ১৩ গোবিন্দ ও£:--শাল| আমার বড় ভাই!

চারিদিকের লোক ছুটিয়! আসিল, ছেলে-মেয়েরা ই! করিয়! চাহিয়। রহিল, এবং রমেশ দ্রতপদে তাহাদের মাঝখানে আসিয়া ধাড়াইল

রমেশ কি এ! আপনারা উভয়েই প্রাচীন ব্রাঙ্মণ --এ কি কাণ্ড? ভৈরব (উঠিয়া আসিয়৷ রমেশের প্রতি ) প্রায় শ* চারেক কাপড় হলঃ আরও চাই কি?

রমেশ নিরুত্তর

ভৈরব। ছিঃ গাঙলী মশাই, বাবু একেবারে অবাক্‌ হয়ে গেছেন আপনি কিছু মনে করবেন না বাবুঃ এমন ঢের হয়। বৃহৎ কাজ-কর্মের বাড়ীতে কত ঠ্যাঙডা-ঠেডি রক্তারক্তি পধ্যন্তহয়ে যায়»_-আবার যে কে সেই হয়। নিন্‌ চাটুষ্যে মশাই, দেখুন দিকি আরও থান ফাঁড়বো! কি না?

গোবিন্দ হয়ই ত! হয়ই ত! ঢের হয়। নইলে বিরূদ কর্ম বলেছে কেন। সে বছর তোমার মনে আছে ভৈরধঃ ষছু মুখুয্যে মশাইয়ের কন্তা রমার গাছ পিতিষ্ঠের দিন সিধে নিয়ে, রাঘব ভট্চাষ্যে আর হারান চাটুষ্যেতে মাথা ফাটাফাটি] হয়ে গেল। কিন্তু আমি বলি ভৈরব ভায়া, বাবাজীর কাঁজট! ভাল হচ্চে না। ছোটলোকদের কাপড় দেওয়! আর ভন্যে ঘী ঢালা এক কথা৷ তার চেয়ে বামুনদ্দের একজোড়া আঁর ছেলেদের একখান! করে দিলে নাম হোতো। আমি বঙ্সি বাবাজী সেই যুক্তিই করুন। কি বল ধর্মরাস-দা?

ধদাস।' গৌঁবিন্দ মন্দ যুক্তি বলে নি বাবাজী। ওদের মিছে দেওয়া নইলে আর শাস্তরে ব্যাটার ছোটলোক বলেছে কেন ! বুঝলে না বাবা রমেশ?

রমেশ। হা, বুঝেছি বই কি।

৯৪ রম! গুথম অঙ্ক

তভৈবব। তা» হলে কি এই কাপড়েই হবে?

রমেশ বোধ হয় হবে না। বল! যায় না কত কাঙ্গীলী আসবে, আপনি বরঞ্চ আরও ছু”শ কাপড় ঠিক কবে রাখুন।

গোবিন্দ। তা” নইলে কি হয? তুমি একা আর কত পারবে ভায়া, চল আমিও যাঁই।

বলিতে বলিতে গোবিন্দ বন্ত্ররাশির কাছে অগ্রসব হ্‌ইযা গেল, এবং উপবেশন কবিষ। কাপড গুছাইতে লাগিল। ধর্মদান এই অবকাশে রমেশকে একধারে টানিয। লইয়া গিযা কানে বনে বলিতে লাগিল। ওদিকে গোবিন্দ উদ গীব হইয়! আড.চোখে চাহিয়া দেখিতে লাগিল

ধন্দ্দান। এদেশ বড় খাবাপ বাঁব/ঃ ভাব টশাড়ার কাঁউকে দিষে বিশ্বেস কোরে! না। তেল? হন, ঘী, মযন্দ! 'অর্জেক সরিষে ফেল্বে। আমি এখুনি গিষে তোমার পিসিম।কে পাঠিষে দিচ্চি বাব, একটি কুটে! তৌমার নষ্ট হবে ন1।

রমেশ। যে-মাজ্ছে

মুণ্ডিত-শশ্র শীর্ণকায় প্রাচীন দ্রীননাথ ভট্টাচার্য গ্রবেশ করিলেন। ইহার সঙ্গেও ছুই তিনটি ছেলে মেয়ে মেয়েটা নকলের বড়, পরনে একখানি শতচ্ছিন্ন ডুরে কাপড়

দীননাথ। কৈ গে বাবাজী কোথায় গো?

গোবিন্দ (উঠিয়া দীড়াইয়।) এস দীম্দাঃ বোস বড় ভাগি আমাদের ষে আজ তোমার পাষের ধূলো৷ পড়লে! ছেলেট! এক সার হয়ে যায় তা তোমরা ত-

ধর্মদাস কট.মট, করিয়! তাহার প্রতি চাহিল

দ্বিতীয় দৃষ্ত রমা

গোবিন্দ তা” তোমরা কেউ এদিক মাঁড়াবে ন৷ দাদা

দীন্স। আমি ছিলাম না ভায়া, তোমার বৌঠাক্রুণকে আন্তে তার বাপের বাড়ী গিয়েছিলাম বাবাজী কোথায়? শুন্চি না কি ভারি আঁয়োঁজন হচ্চে। পথে ও-গীয়ের হাটে শুনে এলাম খাইয়ে দাইয়ে ছেলে-বুড়োর হাতে নাকি ষোশ পাত লুচি আর চাঁর জোড় করে সন্দেশ দেওযা হবে।

গোবিন্দ (গল! খাটো। করিয়া) তাছাড়া হয় একখানা করে কাপড়ও-_-

রমেণের প্রবেশ

দীনুদা, এই আমার রমেশ তা তোমাদের পাঁচজনের বাপ-মায়ের আশীর্বাদে যোগাঁড়-সোঁগাঁড় একরকম করচি, কিন্ক বেণী একেবারে উঠে পড়ে লেগেছে এই আমার কাছেই হুবাঁর লোক পাঠিয়েছে। তা আমার কথা না হয় ছেড়েই দিলে, রমেশের সঙ্গে আমার নাঁড়ীর টান রয়েছে, কিন্তু এই যে দীম্ুদ্দা”, ধর্দাসঙ্গা শ্ররাই কি বাব! তোমাকে ফেল্তে পারবেন ? দীনুদা” পথ থেকে শুন্তে পেয়ে ছুটে আঁস্ছেন। ওরে, ষঠীচরণ, তামাক দ্বেনা রে। বাঁবা রমেশ, একবার এদ্দিকে এসো দ্দিকি একটা কথা বলে নিই।

ভৃত্য আমিয! দীন্ুর হাজে ভ'কা দিয়! গেল এবং গোবিন্দ রমেশকে আর একদিকে স্রাইয়৷ লইয়া গিয়া চাঁপা গলায়

গোবিন্দ। ভেতরে বুঝি ধর্মদীস-গিন্নি আস্চে? খবরদার বাঁবাঃ খবরদাঁর-_বিটুলে বাঁমুন যতই ফোসলাক কখনো! তাঁর হাতে ভীঁড়ার- টাড়ার দিওনা মাগী অর্দেক ফাক করে দেবে। বলি, তোমার ভাবন! কি বাব? তোমার যে আপনার মামী রয়েছে! আমি গিয়েই তাকে

১৩ রমা প্রথম অঙ্ক

পাঠিষে দিচ্চি, নাড়ীর টানে সে যেমন করবে আর কি কেউ তেমন পারবে? নাঃ কখনে!। পারে?

শিশু ছু'টা ছুটিয়া আসিয়া দীনুর কাধের উপর ঝুলিয়। পড়িল

শিশুরা বাবা, সন্দেশ থাবো। দীছনু। (একবার রমেশ একবার গোবিন্দর প্রতি চাহিষ1 ) সন্দেশ কোথায় পাব রে? সন্দেশ কই?

দীনুর মেয়ে অন্তরালে অঙ্গুলি নির্দেশ করিযা দীন্ুর মেয়ে কেন» প্র যে হচ্চে বাঁবা_

বাকি ছেলে মেয়েরা নাকে কা'িতে কাদিতে আসিয়া ধর্মদাসকে ঘিরিয়। ধরিল

ছেলেমেয়েরা আমরাও দাদ! মশাই--

রমেশ (অগ্রসর হইয়া) বেশ ত, বেশ তঃ আঁচাধ্যি মশাই, বিকেল বেলায় ছেলের! সব বাড়ী থেকে বেরিষেছে খেষে আসেনি ( অন্তরাল* বর্তী ময়রার উদ্দেশে ) ওহে, কিনাম তোমার? নিয়ে এস ত্ থালাটা এদিকে আঁচাধ্যি মশাই? দেখুন যেন দেরি ন1 হয়। ভৈরব আঁচার্ধ্য ভিতরে চলিয়া গেল এবং ক্ষণকাল পরেই ময়রা সন্দেশের থালা আনিতেই

ছেলের! উপুড় হইয়া পড়িল বাঁটিয়! দিবার অবকাশ দেয় না এমনি ব্যস্ত করিয়। তুলিল। ছেলেদের খাওয়! দেখিতে দেখিতে দীননাথের শুবদৃষ্টি সজল তীব্র হইয়। উঠ্ভিল দীনু। ওরে খেঁদিঃ খাঁচ্চিস খুব, সন্দেশ হযেচে কেমন বলদ্দিকি? খেঁদী বেশ বাবা

এই বলিয়া! সে চিবাইতে লাগিল

দ্বিতীয় তৃশ্ত রমা ১৭

দীচু। (মুছু হাঁসিয়! ঘাড় নাঁড়িয়! ) হাঃ__-তোদের আবার পছন্দ! মিষ্টি হলেই হ'ল। হাঁ হে কারিকর, কড়াটা কেমন নাবালে? কি বল গোবিন্দ ভায়ঃ এখনে! রোদ একটু আছে বলে মনে হচ্চে না ? ময়রা। আজ্ঞে, আছে বই কি। এখনে! ঢের বেল! আছে, এখনো সন্ধ্যে আহ্ছিকের-- দীন্ম। তবে কই দাঁও দিকি গোবিন্দ ভায়াকে একটা চেখে দেখুক, কেমন কলকাতার ক।রিকর তোমরা ময়রা গোবিন্দ দীন্ু উভয়কেই সন্দেশ দিতে গেল দ্ীচ। না! না, আমাকে আবার কেন? তবে, আধখানা--আধখানার বেশি নয়! (হু*কা রাখিয়া দিষা ) ওরে, ষঠীচরণ, একটু জল আন্‌ দিকি বাবা, হাতট! ধুষে ফেলি। রমেশ (ভিতরের দিকে চাহিয়া) ওরে, অম্নি ভিতর থেকে গোটা চঁরেক রেকাৰি নিয়ে আসিস্‌ ষঠী। গোবিন্দ সন্দেশের চেহারা দেখেই বোধ হচ্চে হযেছে ভাল। কি হে, মযরার পো+ পাঁকৃট। একটু নরমই রাখলে বুঝি ? ময়রা। আজ্ঞে হা, কড়াটা একটু নরমই রেখেচি। গোবিন্দ (হাস্য করিয়া) আমরা বুঝি কি না। তাঁকাঁলেই ধরে দিতে পারি কোন্ট। কেমন। ময়রা। আজ্ঞে, আপনার] বুঝবেন ন। বুঝবে কারা ! বঠীচরণ আর একজন তৃত্য রেকাবি, জলের গ্রাস প্রভৃতি আনিয়া! উপস্থিত করিল, ময়রা সন্দেশের খালাট। সন্ুখে আনিয়া রাখিল, এবং ব্রাহ্মণদিগের পাত্রে তুলিয়া দিতে লাগিল কাহারও মুখে কথা নাই, ছেলেমেয়েরাএবং ধ্মদাস, গোবিন্দ দীনু গৌগ্রানে গিটিতেছে এবংদেখিতে দেখিতে সমস্ত থালাটাই নিঃশেধিত হইয়া গেল

৯৮ রমা প্রথম অঙ্ক

দীনত্ধ। ই], কলকাতার কার্রিকর বটে। কি বল ধর্শদাস-দ ?

ধর্মদাসের কণ্ঠশ্বর সনদেশের তাল ভেদ করিয়! বেশ স্পষ্ট বাহির হইল না, কিন্তু বুঝা গেল মতের অনৈক্য নাই

গোঁবিন (নিশ্বাস ফেলিয়] ) হই! ও্তাঁদি হাত বটে ! মযরা। যদি কষ্টই কবলেন ঠাঁকুব মশাই, তাহলে মিহিদানাটাঁও অমনি পরথ করে দিন। দীছ। মিভিদানা? কই আনে দিকি বাপু। ময়রা_-এই যে আনি। এই খলিষা সে চন্ষের পল-ক এবখাল! মিহিদান! আনিযা হাজির করিল, এবং ব্রা্গণদিশের পাত্রে উজাড় করিষ দিল মিহিদান!

শেষ হহ্ধা আসিতে বিলম্ব তল না

দীছ। (হাত বাঁড়াইয়! মেষেব প্রতি ) ওরে খেদি, ধর্‌ দ্রিকি মাঁ, এই ছুটে! মিহিদান]

খেদি। আমি আর খেতে পারবোনা বাঁব!।

দীন্ঘ। পারবি পাঁরবি। এক ঢেঁকি জল খেষে গলাটা ভিজিযে নে দিকিঃ মুখ মেরে গেছে বই না। না পারিস আচলে একটা গেরো দিষে রাখ, কাল সকালে উঠে খাস্‌।

এই বিষ মেয়ের ভাত গুজিযা দিল দীজ। ( মযরাব প্রতি ) হা বাপু খাওয়ালে বটে। যেন অমৃত তা বেশ হয়েছে, মিষ্টি বুঝি ছু, রকম করলে বাবাজী?

মযরা। আজে নাঃ বসগোললা, ক্ষীরমোহন--- দীন্গ। আয) ক্ষীনোহন? কই, সে তো বার করলেন! বাপু?

দ্বিতীয দৃশ্ঠ রম ১৯

(বিশ্মিত রমেশের মুখের প্রতি চাহিয়া ) ই! খেয়েছিলাম বটে রাধানগরের বোসেদের বাড়ী, আজও যেন মুখে লেগে রয়েছে বল্‌্লে বিশ্বেস করবে না বাবাজী, ক্ষীরমোহন খেতে আমি ব্ড্ড ভালবাসি রমেশ। ( হাঁসিযা ) আজ্ঞে না, অবিশ্বীস করবার কোঁন কারণ নেই। ওরে যগ্ী, ভেতবে বোঁধ করি আঁচাঁধ্যি মশাই আছেন, য।” তো কিছু ক্ষীরমোহন তাঁকে আন্তে বলে আয দিকি। ষঠীচণের প্রস্থান

গোবিন্দ (উদ্দিপ্রকঞ্ঠে ) আ1? মিষ্টি কি সব বাইরে পড়ে নাকি? না না, এতো! ভাল না।

ধর্মদাস। চাবি? চাবি? ভাড়াঁরের চবি কাঁর কাছে?

গোবিন্দ বলি, ভৈরে। মাঁচাধার হাঁতে নয ত?

য্ঠীচরণের প্রবেশ

ষগি। এখন আর তীঁড়ীর খব খোলা হবে না বাবু, ক্ষীবমোহন বার হবে না।

রমেশ। আঃ বল্গে যা আমি আন্তে বল্চি।

গোবিন্দ দেখলে ধশ্বগান-দা, আচাব্যির আকেল? এষে দেখি মায়ের চেয়ে মাসির বেশি দরদ সেই জন্যেই আমি বলি-__-

ষ্তী। আচাঁধা মশাষের বৌষ কি? ওক্বাড়ী থেকে গিশ্জি-মা এসে ভাড়ার বন্ধ করে ফেলেচেন। তীরই হ্ুকুষ।

ধর্শদদীস গোবিন্দ | কে? বেণীবাঁবুর মা? ও-বাঁড়ীর বড়-গিক্লি ঠাঁকরুণ ?

রমেশ জ্যাঠাইমা--এসেছেন না কি?

রমা প্রথম অঙ্ক

ষষ্ঠী। ই! বাবু। তিনি এসেই ছোট ঝড় ছুটো ভীড়ারই তাল! বন্ধ করে ফেলেচেন। চাবি তাঁরই আচলে।

গোবিন্দ দেখলে ধর্মদাস-্দাঃ ব্যাপারখান।? বলি মতলবটা বুঝলে ত?

দীন্থু। মতলব বোঁঝ। আর শক্ত কি ভাষা? তালা বন্ধ ক'রে চাঁবি নিজের কাছে বেখেছেন তার মানে ভাড়ার আর কারো না হাতে পড়ে। তিনি সমস্তই জানেন।

গোবিন্দ। বোঝনা সোঝন! তুমি কথা কও কেন বল তে।? ভুমি এসব ব্যাপারের কি জানে। যে হঠাৎ মানে কবতে এসেচ ?

দীন আরে, এতে বোঁঝা-বুঝিটা আছে কোন্থানে? শুন্চে। ন! গিঙ্গি-ম| স্ববং এসে তাঁল। বন্ধ করেছেন? এতে কথা কইবে আবার কে?

গোবিন্দ। ঘরে যাওন! ভট্গাষ। যে জন্যে ছুটে এলে, গুষ্টিখগ মিলে থেলেঃ বাধলে, আর কেন? ক্ষীরমোহন পরশ্ড খেষো আজ বাড়ী যাও আমাদের ঢের কাজ

রষেশ। আপনার হ'ল কি গাঙ়লীমশাই ? যাকে-তাকে এমন থামোকা অপমান করচেন কেন?

খমক খাহয়। গোবিন্দ লঙ্জেত হইল। পরে শুক্ক হাহা করি

গোবিন্দ অপমান 'আবাঁর কাকে করলাম বাবাজী ? ভাল, ওকেই জিজ্ঞেলা কবে দেখ না ঠিক সত্যি কথাটা বলেচি কি না? ডালে- ডাঁলে বেড়ায় ঘি আমি পাতাঁষ-পাতাষ ঘুরি যে। দেখলে ধর্মাদাসধা, দীনে বাম্নার 'আঁম্পদ্ধ।? আচ্ছা--

রমেশ। আচ্ছ। কি?

দী্ম। ( রমেশের প্রতি ) না বাঃ গোবিন্ সত্য কথাই বণেছেন।

দ্বিতীয় দৃষ্ঠ রম! ২২

আমি বড় গরীব সে এদিকের সবাই জানে গুদের মত আমার জমি-জমা চাঁষ-বাঁস কিছুই নেই, একরকম চেযে-চিন্তে ভিক্ষে-শিক্ষে করেই আমাদের দিন চলে ।--ভাঁল জিনিস ছেলেপিলেদের কিনে খাঁওযাবার ক্ষমতা ভগবান দেন্‌ নি, তাঁই বড়-ঘরে কাজকন্মন হলে ওব! খেয়ে বাঁচে। কিছু মনে কোঁরে। না বাঁধ, তাঁরিণীদাঁদা” বেচে থাকৃতে আমাঁদেব তিনি খাঁওযাঁতে বড় ভালবাসতেন

দীনুর ছু'চক্ষু জলে ভব্মিয়। টপ, টপ, করিয়। ছু'ফেশাটা অঞ্র সকলের সন্মুখেই ঝরিষা পড়িল দীন্ু মলিন ছিন্ন উত্তরীয়-প্রান্তে তাহা মুছিয়া ফেলিল

গোবিন্দ আহা! তারিণীদাঁদ! শুধু তোমাকে খাঁওযাঁতেই ভলি- বাস্তেন ! শুন্লে ধর্মদাসদা”, শুন্লে কথা?

দীন আমি কি তাই বল্চি গোবিন্দ? আঁমার মত গরীব দুঃথী কেউ কথনে। তারিণীদা”র কাছ থেকে খালি হাতে ফেরে নি।

রমেশ ভুচাঁধ্যি মশীই, এই ছুটে। দিন আমার ওপরে একটু দা রাখবেন। আর যদি খাছুর মা! বাড়ীতে একবার পাষের ধূলে! দিতে পারেন ভাগ্য বলে মান্ব।

দীছধ। আমি বড় গবীব বাঁবা, আমি ঝড় দুঃখী আমাকে এমন কবে বললে যে আমি লজ্জা মরে ধাই--

ভূত্যের প্রবেশ

ভূৃত্য। বাবু, গিন্নি-ম1! একবার বাঁড়ীব ভেতরে ডাক্‌চেন। রমেশ। যাই। দীন্ু। বাবা, আমরা তাহলে এখন আসি।

হই রমা গথম অঙ্ক

রমেশ। আস্ুন। কিন্ত আমাৰ প্রীর্ঘন! যেন ভূলে যাবেন না। দীন না৷ বাবা, প্রার্থনা বোল্চ কেন তোমার দযা। ছেলেদের লইয়! দীনুর প্রস্থান

গোবিন্দ বাবা বমেশ, আমিও এখন তাহলে আসি সন্ধ্যে আহিক ঠাকুরের শিতল দেওযা__

রমেশ। কিন্তু গালি মশাই-_

গোবিন্দ কিছু বল্তে হবে না বাবাঃ আমাব দ্মাপনাৰ কাজ। তুমি না ডাঁকলেও আমাকে নিজে এসে সমস্ত কবতে হতো কাল সকালেই তোমার মামীকে পাঠিযে দিষে তবে নিশ্চিন্ত হতে পারব।

ধর্মদাীস। তুই বড় বাজে বক্স গোবিন্দ

গোবিন্দ | কোন ভাবনা নেই বমেশ ভাঁডার-্টাড়ার যা কিছু---

ধন্মদাস। ভীড়াঁবেব জন্যে তোব এত মাথ। ব্যথা কেন বল্‌ ত?

গোবিন্দ আসাঁদেব শিজের কাজ বাবা আমি আব ধর্ম্াসদা+ -_আঁমর! দুভাই তোমাঁব ডাকার অপেক্ষা বাখি নি,_-আপনারাই এসে উপস্থিত হযেছি। হ্যেছিকি না?

ধর্মদাস। বলি শোন রমেশ, আমরা বেণী ঘোষাল নই, আমাদের জন্মে ঠিক আছে।

রমেশ। আঃ-_কি বল্চেন আপনারা?

জ্যাঠাইম| অন্তরাল হহতে একটুখানি মুখ বাহির করিয|

জ্যাঠাইম]। ওর] অম্নিই বলে রমেশ! শিক্ষা আর জসজদোষে জানেও ন। যে কি ওর! বল্লে।

গোবিন্দ ধন্মদাসের জ্রুতপদে প্রস্থান

দ্বিতীয় দৃশ্য রম! ২৩

রমেশ। জ্যাঠাইমা ! জ্যাঠাইমা। হবে আমিই। বলি চিন্তে পারিস্‌ ত?

বলিতে বলিতে তিনি সন্্ুখে আগিয়! দীডাইলেন ঠাহার বস পঞ্চাশের কম নয়, কিত্ত কিছুতেই চল্িশের বেশি বলিয়া মনে হয় না মাথার চুলগুলি ছোট করিষা ছটা, ছুই এক শাছি কুঞ্চিত হইযা কপোলের উপর পড়িযাছে। একদিন যে বপের খ্যাতি মঞ্চলে প্রসিদ্ধ ছিল, আজিও সেই, নিন্দা সৌন্দখ্য ভাহার নিটোল পরিপূর্ণ দেহটিকে বর্জন করিয়া দূরে যাইতে পারে নাই দেখিয়া আজও মনে ভয তাহার সকল অবয়ব যেন শিল্পীর সাধনাগ ধন

রমেশ। একদিন যে ছেলেকে তুমি মানুষ কবেছিলেঃ আর একরিন বড় হযে ফিরে এসে সে-ই তোমাকে চিন্তে পারবে না এই কি তোমার রমেশের কাছে আশা কব জ্যাঠাইমা ?

জ্যাঠাইম1 | না, সে আঁশঙ্ষ) কবিনি বমেশ তবুও তোরই মুখ থেকে না শুনে পারি নে বাবা, জ্যাঠাহমাকে তোর মনে আছে।

রমেশ। মনে আছে মাঃ খুব বড করেই [তোমাকে মনে আছে। কিন্ত যা পারতাম নিজেই করুতাম, তুমি কেন আবার বাড়ীতে এলে?

জ্যাঠাইমা। তুই তো! আমাকে ডেকে আনিস্নি বাবা, যে, তোর কাছে তার কৈফিষৎ দেব।

রমেশ। ডেকে আন্বকি মা, মা ঝলে যে তোমাব কোঁলেই সকলের আগে ছুটে গিষেছিলাম। কিন্তু বাঁড়ী নেই নলে তে! তুমি দেখা কর নি জ্যাঠাইমা! ?

২৪ রমা প্রথম অঙ্ক

জ্যাঠাইমা। সেই অভিমানেই বুঝি নিজের বাঁড়ী থেকে আজ আমাকে বিদায় করতে চাঁস্‌ রমেশ?

রমেশ। অভিমান? যাঁর মা নেই, বাপ নেইঃ নিজের জন্মভূমিতে যে নিরাশরয়ঃ বিদেশী,বিনাদোঁষে যাকে প্রতিবেশী আত্মীয়-স্বজন বাড়ী থেকে দূর করে দেয় তাঁর অভিমানের দাম কি জ্যাঠাইমা ?

জ্যাঠাইমা। আমার কাছেও তাঁর দান নেই রমেশ ?

রমেশ। নানেই। আজ নিজের ছেলেকেই শুধু ছেলে বলে জেনে রেখেচ। কিন্তু আর একটা মা-মর! ছেলেকে বে একদিন ঠিক তেম্নি কোরেই মানুষ করতে হয়েছিল সে কথ। আজ ভূলে গেছ।

জ্যাঠাইমা। এমনি কোরে শূল বি'ধে তুই কথ! বল্বি রমেশ ? ঘরে- বাইরে এই শাস্তি পাব বলেই কি তোদের দুজনকে মানুষ করেছিলাম রে?

রমেশ ঘরে-বাইরে! তাই তকটে! (হঠাৎ পায়ের কাছে হাটু গাঁড়িবা বসিয়া) আমাকে ক্ষমা করে! জ্যাঠাইম।, আমি প্রাণের জালাঁয় তোমার এই দিকৃটার পাঁনে চেয়ে দেখি নি।

জ্যাঠাইমা রমেশকে তুলিয়! ডান হাত দিয়! তাহার চিবুক ম্পর্ণ করিলেন

জ্যাঠাইমা। জানি বাবা।

রমেশ। কিন্তু আর তুমি বাড়ীতে এসে না আমার সব সইবে, কিন্ত আমার জন্তে দুঃখ পাবে আমার সইবে না জ্যাঠাইমা

জ্যাঠাইম।। তোর অন্তাঁয় রমেশ। হছুঃখ সওরাই যদি দরকার হয় তোরও সইবে, আমারও সইবে। ফাঁকি দিয়ে আরামের চেষ্টা করলে তার ফাক দিয়ে শুধু আরামই বার হয়ে যায় না বাবা, ঢের বেশি দুঃখ হুড়মুড় কোরে ঢুকে পড়ে। আঁমাকে বারণ করবার মতলৰ তুই করিস্‌নে। তাছাড়া তোর নিষেধ শুন্বোই বা কেন?

দ্বিতীয় দৃশ্ত রমা ২৫

রমেশ। তোমাকে ভূলে ছিলাম জ্যাঁঠাইমা, তাই নিষেধ করবার স্পর্ধ| করেছি আমার কথা তুমি শুনো না-য/ তোমার ভাল মনে হবে তাই করো

জ্যাঠাঁইমা। তাই তো কোব্বে |

রমেশ। কোরো কত ঝড়-বাদল, কত তুর্যোগ তোমার মাথার ওপর দিযে বযে গেছে-__দূব থেকে মাঝে মাঝে আমি তাঁর খবর পেষেছি। কিন্ত কিছুতেই তোমাকে বদলাতে পাবে নি। তেম্নি অনির্বাণ তেজের আগুন তোমার বুকের মধ্যে তেম্নিই দপ, ধপ, করে জ্ল্চে।

জ্যাঠাহমা॥ তুই থাম ছেলে-মুখে বুড়ো কথা বলিদ্‌ নে।-তা শোন্‌। তোর বড়দার কাছে একবার গিয়েছিলি?

রমেশ অধোমুখে নীগব

জ্যাঠাইমা বাড়ী নেই বলেদেখা করে নি বুঝি?

রমেশ তেম্নি নিকত্তর

জ্যাঠাইমা। না-ই করুক, আর একবার যা” | (ক্ষণকাঁল মৌন থাঁকিয়া) আমি জানি রে, সে তোদেব ওপব প্রসন্ন নয়, কিন্ত তোর কাজ তো তোকে কর! চাই। সে বড় ভাই-__তার কাছে হেট হতে তো লজ্জা নেই। তাছাড়া এট! মানুষের এম্নি ছুঃসমধ বাঁধা, যে-কোন লে।কের হাতে-পাষে ধরে মিট্মাটু কবে নেওযাই মন্তস্তত্ব লক্ষ্মী মাণিক আমার-_ ষ” আর একবার। এখন হয় সে বাড়ীতেই আছে।

রমেশ তুমি আদেশ করলেই যাব জ্যাঠাইম] |

জ্যাঠাইমা। আর গ্ভাখ,১ রমাঁদের ওখানেও একবার যা।

রমেশ। গিয়েছিলাম

২৬ রমা এথম অন্ধ

জ্যাঠাইমা। গিষেছিলি? তোকে সে চিন্তে পেরেছিল ত?

রমেশ। বোধ হয পেরেছিল নইলে অপমান করে বাড়ী থেকে দূর করে দেবে কেন?

জ্যাঠাইমা। অপমান ক'রে দুব করে দিলে? রমা?

রমেশ। অপমানটা বোধ কবি তাঁব তেমন মনঃপুত হয নি। তাই বলে দিষেছে এবাধ এলে দরওযান দিযে বাব কবে দেবে।

জ্যাঠাইম!। বমা বলেছে? এযে নিজের কানে শুন্লেও বিশ্বাস হয না রমেশ।

রমেশ বড়! ছিলেন, তাঁকে জিজ্ঞাস! কবে দেখে জাঠাইমা।

জ্যাঠাইমা। বেণী ছিল? তবে, হবেও বা। (এক মুহূর্ত পরে) কিন্তঃ ঠিক বল্চিস রমেশ? রমা বল্‌লে বাডী ঢুকলে দরওযাঁন দিয়ে বার করে দেবো? আমাকে ভাড়াস নে বাবাঃ ঠিক করে বল্‌।

রমেশ হাঁ, জ্যাঠাইমা তাই তবেঃ নিজে না বলে কে তার মাসী আছে তার মুখ দিয়েই বলিযেছে।

জ্যাঠাইম1।| (নিশ্বাস ফেলিযা ) ওঃ--তাই বল্‌! নইলে বাতও মিথ্যে ধিনও মিথ্যে রমেশঃ এত বড় গহিত কথা তার গলায় ছুরি দিনেও সে তোকে বন্তে পারত না। পেই মাসাব কথাঃ_তার নব।

রষেশ। তবে কি তাদের বাঁড়ীতেও আমাকে যেতে হুকুম করে! জ্যাঠাইম! ? রমাঁকে কি ভুমি এমনি করেই জান?

জ্যাঠাইমা। জানি। কিন্ত যেতে আর বলি নে। তোর বাপের সঙ্গে তান্দের চিরঙ্দিন মাঁম্লা-মকর্দিমা! চলেছে? তাঁদের শক্র বল্লেও মিথ্যে বলা হয় না) তবুও আনি জনি ওকথা রম! বলে নি! অমন মেষে বাবাঃ লক্ষ কোটার মধ্যেও সহজে খুজে পাওয়া যাঁয় না। )৪ আছে বলে তবুও এই গ্রামের মধ্যে একটুখানি ধর্ম বেঁচে আছে।

দ্বিতীয় দৃশ্ঠ রমা ২৭

রমেশ। তাকে দেখে তো৷ সে কর! মনে হ'ল না জ্যাঠাইমা।

জ্যাঠাইমা। হঠাৎ হয়ও নাঁ। তবুও কথ! সত্যি রমেশ। তা সে যাই হোক, সেখানে যখন যাওয়াই হতে পারে না তখন তা” নিয়ে চিন্তা করে লাভ নেই। কিন্তু এতক্ষণ ধাঁরা এখাঁনে ছিলেন এবং আমি আস! মাত্রই ধারা সরে গেলেন তাদের তৃই বিশ্বেদ করিদ্‌ নে বাঁবা, তাদের আমি চিনি

রমেশ। কিন্তু তারাই বিপদে আমার সব চেয়ে আপনার লোক জ্যাঠাইমা। তীদের বিশ্বাস না করলে কাদের করবো?

জ্যাঠাইমা তাই তো ভাঁবচি বাবা» কথার জবাঁব দেবই বা কি ! ইহা রে? তোর নেমন্তন্নর ফর্দি তৈরি হযে গেছে?

রমেশ না এখনে হয় নি।

জ্যাঠাইমা। সেইটে একটু বুঝে শ্বঝে করিস রমেশ গ্রামে, আর এই গ্রামেই বলি কেন, সব গাঁয়েই এই ওর সঙ্গে খায় নাঃ তার সঙ্গে কথা কয় না_একট! কাজ-কর্্ম পড়ে গেলে মানুষের আর দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না কাকে বাদ দিযে কাকে বাঁখা যায় এর চেয়ে শক্ত কাঁজ আর নেই

রমেশ। কেন রকম হয় জ্যাঠাইম1?

জ্যাঠাইমা সে অনেক কথ৷ বাঁবা। যদি থাকিস এখাঁনে, আপনিই সব জান্তে পারবি। কারুর সত্যিকার দোঁব-অপরাঁধ আছে, কারুর মিথ্যে অপবাদ আছে, তাছাড়া মামলা মোকর্দিমা, মিথ্যে সাক্ষী দেওয়া নিয়েও মন্ত দলাদলি। আমি যদি তোর এখানে দুর্দিন আগে আস্তাম রমেশ, এত উদ্ভোগ-আয়োজন কিছুতে করতে দিতাম না। কি যে সেদিন হবে আমি তাই শুধু ভাবচি।

এই বলিয়। তিণি নিশ্বান মোচন করিলেন

রমা প্রথম অন্ক

রমেশ। তোমার দীর্ঘনিশ্বাসের মর্ম বোবা কঠিন জ্যাঠাইমা, কিন্ত আমার সঙ্গে তো এর কোন যোগ নেই আঁমাঁকে বিদেশী বল্লেই হয়।--- কারো সঙ্গে শত্রতাঁও নেই, দলাদলিও নেই»আঁমি কাউকে অপমান করতে পারব নাঃ সকলকেই সসম্মে আহ্বান করে আন্ব।

জ্যাঠাইমা। উচিত তাঁই। কিন্ত-যাঁই হোক, সকলের মন নিষে কাঁজট1 করিস বাঁবা, নইলে ভাঁরি গণ্ডগোল হবে | মাঃ বিপদ-তাঁরিণী !

রমেশ। তুমি কি এখুনি চলে যাচ্চ?

জ্যাঠাইমা। না এখখুনি নয) ছু” একটা কাঁজ পডে আছে সেগুলো সেরে ফেলেই যাঁবো। কিন্তু চাবি আমাঁর সঙ্গে রইলে রমেশ; কাঁল সক্কালেই আমি নিজে এসে ভীড়ার খুল্ব |

প্রস্থান

ধর্মদাস, গোবিন্দ পরাণ হালদারের প্রবেশ

গোবিন্দ রমেশের প্রতি ) বাবাঃ এই পরাণ মামাকে ধরে নিষে এলাম। আসতে কি চাঁয়? কিন্তু আমিও ছাঁড়নে-বালা নই বলি, বেণীই জমিদাব আঁর আমার ভাগ্নে রমেশ নয? (উপরের দিকে মুখ তুণিয়! ) তারিণীদা, স্বর্গে +সে সমস্তই দেখচে! শুন্চো, কিন্তু এই তোঁমাঁর কাছে প্রতিজ্জে কুচি আমি, এই উঠোনের ওপর বেণীর যদি না এম্নি করে নাঁক রগড়াঁতে পাঁরি আমার নাঁমই গোঁবিন গাঁওলী নয়।

ধশ্মদীন। আঁহাঃ তুই থাঁম্ন। গোবিন্দ! (কাঁশিতে কাঁশিতে) সে আমি ঠিক করে নেবে!

অকনম্মাৎ বেণী ঘোষাল প্রবেশ করিল

বেণী। এই যে রমেশ, একবার এলাম--বড জরুরি কাঁজ---মা এসেছেন নাকি?

ছিতীয় দৃশ্য রমা ২৯

গোবিন্দ আস্বেবই কি বাবা, একশ/বার আস্বে। তো তোমারই বাঁড়ী। তাঁই ত+ আঁমি রমেশ বাঁবাজীকে সকাল থেকে বল্চি রমেশঃ ঝগড়া-বিবাঁদ তারিণীদাঁর নঙ্গেই যাক--আর কেন? তোমরা ছুভাই এক হও আমরা দেখে চোখ জুড়োই। তাছাড়া বড়-গিক্জি ঠাঁকরুণ যখন স্বয়ং এসে উপস্থিত হয়েছেন তথন-_-

বেণী। মা এসেছেন?

গোবিন্ব। শুধু আসা কেন, ভীড়ার-টশাড়ার, করা-কর্মম যা” কিছু তিনিই করছেন। আর তিনি না করলে করবেই বা কে?

সকলেই নীরব হইয়। রহিল

গোবিন্দ (নিশ্বীস ফেলিয়! ) নাঃ--্গায়ের মধ্য বড়-গিল্গি ঠাকরুণের মত মানুষ কি আর আছে? না হবে? না বেণীবাঁবু, সাম্নে বল্লে থোষামোদ করা হবে, কিন্তু যে যাই বলুক, গাঁয়ে যদি লক্ষমী থাকেন সে তোমার মা। এমন মাকি কারু হয়?

এই বলিয়! পুনশ্চ একটা নিশ্বাস ত্যাগ করিলেন

বেণী আচ্ছা

গোবিন্দ শুধু আচ্ছা নয় বেণীবাবু। আস্তে হবেঃ করতে হবে, সমস্ত ভাঁর তোমার ওপর . ভাল কথাঃ সবাই আপনারা তে। উপস্থিত আছেন, নেমস্তন্টা কি রকম কর! হবে একট! ফর্দ করে ফেলা হোঁক। কি বল রমেশ বাবাজী? ঠিক কি না হালদার মামা? ধর্শদাসদা চুপ, করে থাকলে হবে না»-কাঁকে বলতে হবে, কাকে বাদ দিতে হবে জান মব।

রমেশ। বড়দা, একবার পায়ের ধুলো যদি দিতে পারেন-_.

নি রমা প্রথম অঙ্ক

বেণী। মা ষখন এসেছেন তখন, আমার আস। না-আসা--কি বল গোবিন্দ খুড়ো ?

রমেশ। আপনাকে আমি পীড়াঁপীড়ি করতে চাই নে বড়দা, যদি অন্থবিধে না! হয একবাব দেখে শুনে যাবেন

বেণী। সেতোঠিক। আমার মা যখন এসেছেন তখন আমার আসা-না-আসা-কি বণ হালদার মাঁম।? তা মাকে একটু শিগ.গির যেতে বোলো রমেশ, বিশেষ দবকাঁবী কাজ, আমাবও এখন ধীড়াবার যো নেই

প্রজার সব বলিতে বলিতে বেণীর গ্রুতপদে প্রস্থান

গোবিন্দ (নেপথ্যে গল! বাঁডাঁউযা দেখিযা লইযা) আরে, বেণী ঘোষাল ! তুই পাঁতীষ পাতা বেড়ীস্‌ তো 'মামি তাৰ শিরে শিরে ফিরি। আমার নাঁম গোবিন্দ গাঁও লী। নিলেব চোঁথে দেখতে এসেছে মা এসেছে কি না। বুঝিনে বটে ! ( বমেশের প্রতি ) আব দেখলে বাঁবা বমেশ, কেমন তোফা মিষ্টি মোলাষেম কথাগুলি শুনিষে দিলাম? যেন মিছরিব ছুরি ! আব বল্বার যে! নেই যে বর্মবাঁড়ীতে ।গষে খাতির পাই নি। লোকেব কাছে যে বলে বেড়ীবে রমেশ না হব ছেলে মাস্থষ, কিন্ত তাঁর মামা গোবিন্দ গাঁওলী -ত উপস্থিত ছিল ! বৃহৎ কাঁজে-কর্ম্ে কর্মকর্তা হযে থাঁক! সহজ ব্যাপার নয বাবা, এক একট! চাল্‌ ভাবতে মাথা ঘুরে যায !

ধন্মদাস। তুই ঝড় খাজে বকিস্‌ গোবিন্দ! থাম্না?

একদিক দিয়া শুকুনারী তাহার মা ক্ষান্ত প্রবেশ করিয়া বাটীর অন্তঃপুরে চলিখা গেন। পরাণ হালদার কঠিন চক্ষে তাহাদের নিরীক্ষণ করিলেন। মুহূর্তে স্ত্য যীচরণ প্রবেশ করিল পরাঁণ। ওরা বাড়ীর মধ্যে গেল কারা ? ষঠঠী। ক্ষান্ত বাঁসুন ঠাঁকরুণ আব তীর মেয়ে

দ্বিতীয় দৃশ্য রম ৩১

পরাঁণ। যা ভেবেছি তাই ওর্দের বাড়ী ঢুকতে দ্রিলে কে?

ষ্ঠী। অচাঁধ্যি মশাই ডেকে এনেছেন দুদিন ধরে সমস্ত কাঁজ-কর্ম্ম করছেন।

পরাণ। ওর! যদি খাগ্যদ্বব্য স্পর্শ কবে থাকে কোন ত্রাক্ষণই এখানে জল গ্রহণ করতে পাববে না।

ক্ষান্ত মাডালে দীডাইয| বোধ হয শুনিতেছিল তৎক্ষণাৎ বাহির হইয়। আদিল

ক্ষান্ত কেন শুনি হাঁপদাব ঠাকুপপো ( বমেশেব প্রতি ) ই! বাবা, তুমিও গাঁষের একজন জমিপাব,বলি সমস্ত দৌষই কি এই ক্ষেস্তি বাম্নির মেষের ? মাথার ওপব আামাদেব কেউ নেই লে কি বতবার ইচ্ছে শাস্তি দবে? (গোবিন্দকে দেখাহবা) উনি শুখুজ্যে বাড়ীর গাছ পিতিষ্ঠেব নম্য জরিম|না বলে দশ টাকা মাদাষ কবেন নি? গায়ের ষোল-আন।! মনসা পূজোব নামে ছুজোডা পঠাঁব দাম ধবে নেননি? তবে কতবার এক কথা নিষে থাঁটাথাঁটি কখতে চাষ শুনি?

গোখিন্দ যাঁদ আমার গামটাহ কনে ক্ষীন্তমাঁশীঃ তবে সত্যি কথা বলি বাছ।। খাতিবে কথা কহবাব পোক গোবিন্দ গাউ,লী নয সে দেশ- সু লোকে জানে। তোমার মেধের প্রায় শত্তও হয়েছে, সামাজিক দণ্ডও কবেছি১--সব মানি কিন্তু যজ্ছিতে কণঠি দিতে আমর! হুকুম দিই নি? মগলে ওকে পোড়াতে আমর। কীধ দ্েখঃ কিন্ত-_

ক্ষান্ত মনে তোমার নিজের মেবেকে কাধে করে পোড়াতে বেযো বাহা, আদর মেষের ভাবনা তোমাকে জাবতে হবেনা। বলি? হা গোবিন্দ, নিজের গাঁষে হাত দিষে কি কথ] কওনা? তোমার ছোট ভাঁজের কাশীবাসের কথা মনে পরে না? হালদার ঠাঁকুরপোঁর বেয়ানের তাতি অপবাদ ছিল না? সে সব বড় লোকের বড় কথা বুঝি?

৩২ রমা প্রথম অন্ক

গোবিন্দ তবে বে হারাঁমজাঁদ! মাঁগী-_ ক্ষীস্ত। (অগ্রদর হইযা) মারবি নাকি বে? ক্ষেস্তি বাম্নিকে খাটালে ঠগ. বাছতে গ! উজোড় হযে যাঁবে। বনি, এতেই হবে, না আবও বোঁল্বো? ভৈরব আচার্া দ্রুতপদে প্রবেশ করিয়া

ভৈবব। এতেই হবে মাসী, আব কা নেই। (ভিতরেব দিকে চাহিয ) স্থকুমারী, চল দিদি, এসো মাঁপী আমার সঙ্গে বাঁড়ীব ভেতবে গিষে বম্বে চল ভৈরব ক্ষান্তব প্রস্থান গোবিন্দ দেখলে পব।ণ মামা, আমাদের 'অপমাঁন কবে ওদেব বাড়ীব ভেতরে বসাতে নিষে চল্ল। দেখলে তভৈববেব আম্পর্দা? আচ্ছা-_ পবাঁণ হাঁলদাব। আমাদের বিন! হুকুমে ছুটে! ভ্রষ্ট মাগীদের কেন বাড়ীতে ঢুকতে দেঁওয| হল, বমেশ তাঁর কৈফিযৎ দিক নইলে কেউ আমরা এখানে জলম্পর্শ করব না! জ্যাঠাইমা (দ্বারের নিকট হইতে ) রমেশ! রমেশ তুমি কি এখনে|-আছ জ্যাঠি।ইম1? ছ্যাঠীইমা। আছি বইকি। গোবিন্দ গাঁওলীকে বল্‌ যে ক্ষান্ত ঠাকুরঝি আব স্ুকুণারীকে আদর করে আমি ডেকে আনিষেছি আচাৰ্ি মশাধ নয শাদেব খামোকা অপমান কববার কোন দরকাং ছিল না পরাণ হালদার কিন্ত ওদের দূর করে না দিলে আমর! কেউ জঃ গ্রহণ করতে পারব না জ্যাঠ।ইমা। সে পরশ্তব কথা? আজ আমার কর্ম-খাঁড়ীতে

ছিতীয় দৃশ্ত রমা ৩৩

চেচার্টেচি হীকা-ীকি করতে আমি নিষেধ করচি। আমি সকলকেই নিমন্ত্রণ কোঁরব, কাউকে বাদ দিতে পারব না।

পরাঁণ। কিন্তু আমর! কেউ এখানে জলটুকু পর্যস্ত মুখে দিতে পারব না।

জ্যাঠাইমা। আমাঁকে ভয দেখাতে বারণ কর রমেশ দেশে অনাথ আতুর কাঁঙালের অভাব নেই। আয়োজন আমার ব্যর্থ হবে না, ররঞ্চ সার্থক হবে।

রমেশ। (ব্যাকুলকঠে ) কিন্ত সমস্ত এর! পণ্ড কোরে দিতে চাঁন্‌। এর সকল দাঁষ যে তোমার মাঁথাঁষ পড়বে জ্যাঠাঁইমা !

জ্যাঠাইমা। তোর অন্যাঁষ রমেশ আমার বাড়ীর কাজের দাধিত্ব আমার মাথায় পড়বে না তি পরের মাথায পড়বে? এখন গুদের যেতে বলেদে। ঢের কাজ পড়ে আছে নট করবাঁর সময নেই।

জ্যাঠাইম! অস্তঃপুরে চলিয়া গেলেন। সদরদার দিয়া গোবিন্দ ধর্মদ্বাস পরাণ হালদার ধীরে ধীরে প্রস্থান করিল

রমেশ। ভেবেছিলাম বুঝি আমার কেউ নেই,_-কিন্ত সবাই আছে যাঁর