সম্প্রতিকান্নের সমাজ রাজনীতি রবীন্দ্রনাথ

এ৬৪, কজেজ গ্রাট মার্কেট, কলকাত। ৭০০০৭

3811280েং 5811 জনি হ+০0 ২১৭ 9০০০-011001 ৪860৫ চ৪)1018780 | 42985০001 ০৫ $০০10-201101ঞ1 80817818 00 28017618748 78106, 8৫. ০৪ 11802],

প্রকাশক ; মজহারুল ইসলাম, নবনীতররপ্রকাশন,এ কলেজ ছুট মার্কেট কলকাতা ৭০০৭ যুত্রক £ রহিমা রায়, »-এ রামধন হিত্র লেন, কলকাতা! ৭***5৪ ্রচ্ছা : খালেদ চৌধুরী

মূল্য : পঁচাত্তর টাকা

মামার বাব! যছুনাথ ষণ্ডলকে বিনি হাতুড়ি ্ঘলে আমার হাতে ভুলে দিরেছিলেন কলক

গ্রসঙ্-কথা

রবীন্দ্রনাথের ১২৫তম জয্মশতবাধিকী উপলক্ষে একটি মংকলনগ্রন্থ প্রকাশের পরিকল্পনা আমাদের বহুদিনের আমর! আনন্দিত, দোরীতে হলেও গ্রন্থটি প্রকাশ করতে পেরেছি। সাংবাদিক, গ্রবন্ধকার এবং তরুণ গবেষক চিত্ত মণ্ডল এই ব্যাপারে একটি সুষ্ঠ প্রকল্প নিয়ে হাজির হলে তার বিষয়বস্ত নির্বাচন বিস্তাসের অভিনবত্ব দেখেই আমি এক কথায় এ-বই প্রকাশে রাছি হয়ে ঘাই। রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে এদেশে কম আলোচনা, মূল্যায়ন হয়নি ; মননশীল, একাডেমিক থেকে শুরু করে ফিচারধর্মী হালকা বহু চুল গ্রন্থেরও অবাধ আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। চিরাচরিত পথে না! গিয়ে এই গ্রন্থটির মূল্যায়ন কযা হয়েছে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে এবং সেই ব্যাপারে বিশ্লেষ্ণগত পদ্ধতিতেও ব্যতিক্রমিতা আনার চেষ্টা হয়েছে। গত দেড় দশকের ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ, ত্রিপুরা এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রের, বড় বড সামাজিক রাজনৈতিক নংকটে রাবীন্দ্রিক প্রাসঙ্গিকতা অনুদন্ধান করাই এই গ্রন্থের মূল উদ্দ্ট। সেই লক্ষে পৌঁছতে পেরেছি কিনা 'ভার বিচারের ভার পাঠকদের ওপর। বে ভরত প্রকাশনার কাজ শেষ করতে গিয়ে সাবধানতা অবলম্বন করা সত্ব কিছু ক্রটি থেকে গেছে। পাঠকবৃদদ-র কাছে এর জন ক্ষমাগ্রার্থা। বইটি আগরতলা বইমেলায় প্রকাশ করতে পেরে আমরা আননাতি।

নবজাতক গ্রকাশন মজহারুল ইসলাম কলকাত। ৭৬০০৭

লম্পাদনা-প্রনজে

'আজকের বিশ্বে নকল সংস্কৃতি, মকল সাহিত্য শিল্প-কলাই নির্দি শ্রেণীর অন্তত এবং সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক অভিমুখী প্রকৃতপক্ষে শিল্পের জন্ম শিল্প, শ্রেণী প্রভাবমুক্ত শিল্প কিংবা রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন ৰা রাজনীতির প্রভাবমূজ কোন শিল্প নেই। সাহিত্য শিল্পকল! রাজনীতির অধীন, কিন্তু অপরদিক থেকে দেখলে, রাজনীতি সাহিত্য শিল্পকল]| দ্বার! বিরাটভাবে প্রভাৰিত |” এই মতবাদ অনুসরণ করে প্রাচীন শিল্প-সাহিত্য-সংস্ৃতি বিশ্লেষণ করতে গেলে সমকালীন যুগ, রাজনৈতিক ঘটনাবলী, আর্থ-সায়াজিক পরিপ্রেক্ষিত নির্দেশ করতে হবে। এবং সেই নিদিষ্ট প্রেক্ষণ অনুসরণ করেই কোন যুগের বা ব্যক্তি বিশেষের শিল্প-সংস্ৃতির বিচার-বিশ্লেষণ করতে হবে প্রতিটি মানুষ ছদ্ৰের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয়, এবং এই ছান্দিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই বিশেষ ব্যক্তির মূন্রতি ঘটে একজন মান্য তীর সারা জীবনে প্রগতি প্রতিক্রিয়ার মধ্যদিয়ে অগ্রসর হুয়। ফলে তার জীবনের ভাল-মন্দ, আলো-অন্ধকার স্মস্তই তার হরির সংগে জড়িয়ে যায়। বিশ্লেষণের সময় তার নীমাবদ্ধতা সমূন্নতি-_উতয়তই লমকালীন স্ম্বের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্লেষণ কর! প্রয়োজন এই নীতি অনুনরণ না করলে বিশ্লেষণে বিভ্রান্ত ঘটতে বাধ্য। রবীন্দ্রনাথ ভারতবর্ষের এক অভিজাত সামন্ত পরিবারের সন্তান, এই পারিবারিক অবস্থান থেকে এবং সামস্ত শ্রেণীতে অবস্থান করে তিনি জীবন কাটিয়েছেন ইউরোপীয় ধনতান্ত্রিক সমাজের বিকাশের এক বিশেষ পর্যায়ে তিনি ধনতীস্ত্িক সমাজের আদর্শের সংগে ঘনিষ্টভাবে পরিচিত

হয়েছিলেন। তার জীবদ্বশায়ই রুশ-বিপ্রব হয়েছে এবং বিপ্লবোত্তর রাশিয়ায়ও ভিনি 'ভীর্ঘর্শনের' পূণ্যার্জন করেছিলেন সামন্ত, ধনতন্তর এবং সমাজতন্-_ মানব বিকাশের এই তিনটি স্তরকেই তিনি প্রত্যক্ষ করেছিলেন। এই তিনটি সমাজের আদর্শই তার জীবনে গ্রভাব ফেলেছিল। এর ফলে এই তিন সমাজ- ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাগুলিই তার সাহিত্যে দেখ! যায়। বিস্লেষণের লময় তাই তার প্রাগ্রসরতার দিকগুলির পাশাপাশি সীমাবদ্ধতার গ্রসঙ্গটিও সযত্বে বিশ্লেষণ করতে হবে এবং সেই বিশ্লেষণের সংগে সীমাবদ্ধতার কারণসমূহ, সামাজিক অবস্থান পরিস্থিতি পারিবারিক অর্থ নৈতিক আবহ, সংস্কতিক পরিবেশ--সব সুত্রাবদ্ধভাবে উল্লেখ করে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করতে হবে এই বৈজ্ঞানিক নীতি শৃংখলা অনেক ক্ষেত্রেই অন্তত হয় না বলেই এক শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী রবীন্দ্রনাথকে পূজা- অর্চনা ধূপফুনায় আচ্ছন্ন করে দেবতার পর্যায়ে তুলে দেন, তারা তার ভাববাদী, এনীচেতনাকেই বড় করে দেখেন। আবার অন্ত পক্ষ রবীন্ত্রনাথকে ন্বকালের পটভূমিতে ফেলে তার এতিহামিক দায়বদ্ধতার উল্লেখ করে তাকে একজন নিভের্জাল প্রগতিশীল মানুষ বলে পরিণত করার চেষ্টা চাশান। তার নানবতবাদকে শ্রেণীচেতনার সংগে গুলিয়ে ফেলেন এই ছুই পক্ষের!সালোচনাই ্ান্ত। উল বা তুর্গেনিভের মত রবীন্ত্রনাথও একজন বুর্জোয়া" ফম্ঠানশিল্পী__ একথা দ্বীকার করায় লঙ্জ! নেই। একথা স্বীকার করেই রবীন্নাৃর মূল্যায়ন গ্রয়োজন। তার সবটাই ভাল, কিংবা! লবটাই মন্দ, এমনি ধরনের আলোচনা সার্কপীয় তত্বের বিরোধী দ্বান্থিক বন্তবাদের আলো! ফেলে তার সাহিত্য শিল্পের শরীর ব্যবচ্ছেদ ঘটাতে হবে।

কিন্তু এই ক্ষেত্রেও একটা প্রশ্ন আছে। এই যে মতাদর্শগত বিশ্লেষণ কিংবা পপ্রগতি-প্রতিক্রিয়ার ঘ্বান্বিক প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে রবীন্দ্র মূল্যায়ন, তাতেও সময় একটি বিশেষ ফ্যাকটর। বিপ্লবোত্বর রাশিয়ায় কিংবা! চীনে ঘেন-ৃট্িতঙ্গিতে সাহ্যিতের বা কোন বিপ্লব-পূর্ব সাহিত্যিকের সাহিত্য সন্তারের মূল্যায়ন কর! হয়, বিপ্লবপূর্ব যুগ বা সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সময় সে-ভাবে হতো না। এবং না হওয়াই বাঞ্ছনীয় কেননা, বিপ্রবের পরে অর্থনৈতিক হ্বনির্ভরতা এলে এবং শ্রেণী হীন সমাজ প্রতিষ্তিত হলে একজন কবির বা সাহিত্যিক-শিল্পীর ভালমন্দ বিচার করার প্রচুর সময় মেলে, এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোও সম্ভব হয়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথের মূল্যায়নের বিষয়টিই ধরা যাক, বিপ্লবের পর তীর সামগ্রিক জীবন ভাবনা, হুজিত শিল্প-সাহিত্য-নংগীত নিযে একাডেমিক এবং ফলিত উভয় দিক থেকেই মূল্যায়ন হতে পারে। কিন্তু যে-দবেশে এখনও বিপ্লব পরিস্থিতি সি হয়নি, যেদবশ এখনও আধিক ্বনির্ভরত! অর্জন করতে পারেনি, যে দেশ এখনও উ্নয়নমুখী প্রক্রিয়ার পথে ধাবমান, সে দেশে ভাবে রবীন্তরনাথকে মূল্যায়নের সময় কোথায়? প্রয়োজনই বাকি? আন্দোলনে যতটা গ্রয়োজন, সাংন্কাতিক কর্মকাণ্ডে যতটা প্রয়োজন, ঠিক সেই ধরনের লদর্থক জিনিসেরই দরকার | মগজ চর্চার অযথা! নময় পরে দেখ! যাবে। এখন দেখতে হবে রবীক্তনাথের দর্শন, চিন্তা-ভাবনা হষ্টির সমর্থক ভূমিক। ইদানীংকার জীবনে কতখানি এবং এটাই বড় কথা। বাংলাদেশে রবীন্দ্রনাথ যুদ্ধের সময় হাতিয়ার হয়ে বাবন্বত হয়েছে ) পশ্চিমবঙ্গে জরুরী অবস্থা সঙ্্াসের সময় রবীন্দ্রনাথকে ছাতিযার হিলেবে ব্যবহীর করার প্রয়োজনীরতা দেখা দিয়েছিল। এই-থে রবীন্দ্রনাথের

নদর্থক ভূমিকা এবং উপযোগ্িডামূলকত| সেটা ধৃজে বের করে আজকের ্রয়োন্ধনের সংগে প্রাসঙ্গিক যোগস্থত্র বের করা জরুরী কাজ। বলছিনা ফে

এই ধরনের আলোচনায় ভ্রান্তি নেই। নিশ্চয়ই আছে, সীমাবদ্ধতার কথ! না তুলে শুধুই এঁ নদর্থকতা৷ কিংবা! নিছকই প্রীসঙ্গিকতা খু'জতে গেলে কার্ব-কারণহীন সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারে কিন্তু দেশের বর্তমান সংক্রাস্তির পরিস্থিতির মধা দিয়ে এগুবার লমন্ব এছাড়া গত্যন্তর নেই। রবীন্দ্রনাথ আমাদের এতিহ্য এবং সময় বিশেষে সেই এঁতিহৃকেই আমাদের হাতিয়ার করতে হবে। এই সম্পাদনার ক্ষেত্রেও এই নীতি অনুম্ৃত হয়েছে সমাজ ব্যবস্থার যূল কাঠামোর পরিিরর্তন ঘটলে সীমাবন্ধতা প্রাগ্রদর নিয়ে পাশাপাশি আলোকপাত করা যাবে, একাডেমিক গবেষণার দৃষ্টিতঙ্গি থেকে এখন শুধুই উপযোগিতাবাদের কারণে সমর্থক প্রানঙ্গিক তার সন্ধান

গত দেড় দশকে ভারত তথ! পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বহু ঘটন! ঘটেছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে রাবীন্দ্রিক প্রাসঙ্গিকতার সন্ধান বিশেষ প্রয়োজন রবীন্দ্রনাথ ফ্যামি বিরোধী ছিলেন : সত্তরের দশকের পশ্চিমবাংলায় ফে আধা-ক্যাসিস্তননত্াদের করান ছায়া নেমেছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে রবীন্নাথের ফ্যাসি-বিরোধী ভূমিকার মৃগ্যায়ন করে সাযুজ্য সন্ধান করা যেতে পাব্রে। হিজলী জেলের বন্দী হত্যার বিরোৌধিত]| করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ; দশকে, . তৎকালীন কংগ্রেস শাসনে জেলে জেলে বন্দী হত্যা হয়েছিল, বন্দী মুক্তির দাবি উঠেছিল, এই পরিপ্রেক্ষিতেও রবীন্দ্রনাথের হিজলী জেলের বন্দী হত্যার প্রতিবাদ ধবং বন্দী মুক্তির প্রাসঙ্গিকত| খুদে বের করা সম্ভব এবং এটাই জরুরী

কাজ। এই নীতি অনুসরণ করে গত দেড় দশকের ঘটনাবলীকে এই গ্রন্কে চারটি পরধায়ে বিভ্তম্ত করে মূল গ্রস্থটিকে চারটি পর্বে বিভক্ত কর] হয়েছে,

প্রথম পর্ব সামাজিক রাজনৈতিক সংকট!১

সত্তর আশির দশকে পশ্চিমবাংলার মানুষকে বু সামাজিক রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি দীড়াতে হয়েছিল। এই সময় মংকট থেকে পরিত্রাণের জন অন্তত স্বাভাবিক কারখে বারবার রাজ্যের মাহগুষকে রবীন্দ্প্রাস্গিকতা খু'জতে হয়েছে। স্শ্পকালীন এই লব সংকট এবং আন্দোলনের মধ্যে ছিল : দত্তরের সন্্রা। জেলে জেলে বন্দীহত্যা সেই বন্দীদের মুক্তির দাবিতে নংগঠিভ আন্দোলন, জরুরী অবস্থায় ব্য্ি-ম্বাধীনতা অধিকারের মুলোচ্ছেদের চেষ্টা এবং. তার বিরুদ্ধে মোচ্চার অন্দোলন, বিনা বিচারে আটক এবং এঁমা-মিসুর ভয়াল ফামের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা, অপসংস্কৃতির দৌরাত্ম্য সুস্থ সংস্কৃতি প্রচারের দুর্বার সংগ্রাম, সহজ পাঠ বর্জন সংক্রান্ত বিতর্ক, মাতৃভাষ! বাংলায় প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা, বিশ্বভারতীর ছাত্র বিরোধী বিল তার প্রতিবাদ, রবীন্ত্রচনাবলী নিয়ে বিশ্বভারতী সরকারের মধ্যে টানাপোড়েন, জাতীয় শিক্ষানীতি নিম্নে বিতর্ক: এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি-বিষয়ক দুর্বার লড়াই এইসব সংকটে আন্দোলনে রাবীন্দ্রিক-প্রামঙক্নিকতা কতখানি এবং এসব ক্ষেত্রে কি ভাবে রবীন্দ্রনাথকে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার কর! হয়েছে, এই পর্ধায়ে তা নিয়ে আলোকপাত কলা হয়েছে। গ্রাসঙ্গিক এতৎসংক্রান্ত আন্দোলনের প্রগতিসঞ্জারের ইতিবৃত্ত পাশাপাশি বর্র্দের, প্রয়াস চালানো হয়েছে।

“দ্বিতীয়! পর্ব: সামাঞ্জিক রাজনৈতিক নংকট/ং

ভারতীয় উপমহাদেশের লমাজ কাঠামোতে নান! সংকট দীর্ঘদিন ধরে বাধির যত সংক্রমিক হথে আসছে। এর কৃপ্রতাবের ফল এতংঅঞ্চলের মানুষ পূর্বেও তোগ করেছে, এখনও তার উত্তরাধিকার বহন করছে বুটিশ সায়াজাবাদ এবং তাদের তল্লীবাহক এদেশের শোষকশ্রেণী এইসব নংকটের জন্ম দিয়েছে এখনও ক্ষমতা লড়াইয়ের স্বার্থেই ত| আকড়ে ধরে আছেন এর মধ্যে আছে : সাশ্প্রদায়িকতা, ধর্মান্বতার জিগির, ধর্মনিরপেক্ষতার নাম করে ধর্মায় সংকট বুদ্ধি করা, জীত- পাঁতের প্রশ্ন, অস্পৃশ্তার মত সামাজিক কুসংস্কার, পণ-প্রথার মত বর্ধর ব্যাধি, বিচ্ছিন্ততাবাদ, প্রাদেশিকতার মত কৃটকৌশন, নারী সমাজের প্রতি মধাযুগীয় আচরণ প্রদর্শশ এবং সর্বোপরি সাত্তরাজাবাদী যুদ্ধের আতংক শান্তির অনন্ত আকাংখ।ৎ রবীন্দ্রনাথ তার জীবংকাপে এইপবের বিরোধিতা করেছেন, মূল- উৎপাদনের জন্য আন্দোলনে নেমেছেন, আজকের দিনেও এইসব শিকড় গেড়ে বমে মাছে সমাজের গভীরে এসবের বিরুদ্ধে আজকের প্রাগ্রসর মানুষের ংগ্রামে রবীঞ্জনাথের মদর্থক ভূমিকা এঁতিহ কতখানি প্রাঙ্গিক, তারই অনুসন্ধান এই পর্যায়ের বিষয়বন্ত।

তৃতীয় পর্ব: সামাজিক রাজনৈতিক সংকট (৩ রবীন্দ্রনাথ তার জীবদ্দশায় স্বদেশ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রের প্রতিটি ঘটনায়

তার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন এবং তাতে তাঁর কোন তণিতা ছিল না, চেষ্টা করেছন, প্রয়াস চালিয়েছেন, হয়তে! সেই গ্রয়াস ব্যর্থ হয়েছে, কিন্ত

কাজে বথায় তিনি ছিলেন অভিন্ন। সেই রবীন্দ্রনাথকেই কিন্তু দেশ বিভাগের পর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ভারতে রাজনীতির শিকার হতে হয়। সম্তুর দশকে ভারতের জরুরী অবস্থার মময় সংবাদপত্র, বেতার এবং দূর- দর্শনে রুবীজজুনাথের ক্রোধ করা হয়েছিল, প্রকাশ বদ্ধ করা হয়েছিল তীর €গ(তিবাদী বা জাতীয় উদ্দীপনামূলক কবিতা গগ্য ভান্ত। বেতারে গাইতে দেয়। হ়নি তার বেশ কিছু সংগীত। অন্য ঘিকে, বাংলাদেশ শ্বাধীন হওয়ার আগেও তৎকালীন লামরিক শাসক এবং তার তগ্মীবাহ্‌ক প্রতিত্রিয়াশীল তম্দধ,ন- গন্থীবরা জাতিগত শোষণের কারণে বাঙালীর অস্তিত্ব নিল করতে এবং সাংস্কৃতিক আত্মনিয়ঙ্্পের ওম্ুকে ন্থাৎ করতে'সাম্প্রধায়িক বজ ছড়িয়ে রবীন্দ্রনাথকে বর্জন করার ষড়যঞ্ করেছে, বেতারে দবীন্ুনীথ নিষিদ্ধ হয়েছে। প্রগতিশীল বুদ্ধি- জীবীরা সেই দ্বণা চক্রান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে রবীন্দ্রনাথকে হবমহিমায় প্রতিষ্ঠা দিয়েছে কিভাবে, এই পধায়ে তারই বর্ণনা লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

চতুর্থ গৰ : রৰীক্রনাথ বনাম দাধারণ মানুষ /৪

রবীন্্রনাথ তর সায়াহ সাধারণ মাহষেরই এবজন হওয়ার জন্য আন্তরিক আকাজ্! গ্রকাশ করেছিলেন। সাধারণ মানুষও বরাবরই রখীঞ্ুনাথকে বুঝতে চেয়েছেন। কিন্তু একশ্রেণীর বুদ্ধিজীবী রবীন্দ্রনাথকে ড্রয়িং রুমের সম্পদে পরিণত করে তাকে জনমানস থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে ববীন্দরনাথকে মেই প্রাচীর ভেঙে কিভাবে সাধারণ মানুষের কাছে গৌছে দেয়া সম্ভব, এই পর্বে তারই বিতুকিত বিষ্লেষপের চেষ্টা চালানো হয়েছে।

রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে বহু দৃষ্টিকোণ থেকে মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং একাডেমি থেকে শ্তরু করে বহু চটুল গ্রন্থ সম্ভারও রচিত হয়েছে। কিন্তু এই ধরনের একটি

গ্রন্থ, বলতে গেলে একেবারে তিন্ন গোটিতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথকে দেখার চেষ্টা এর আগে হয়েছে বলে মনে করি না। রবীন্দ্রনাথের ১২৫তম জন্মবাধিকীতে এই গ্রন্থ পাঠককুলকে আরুণ্ঠ করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো। সম্পাদনা-গ্রস্ঠের জন্য বহু অমূল্য সময় ব্যয় করে যারা এই নতুন পরধবেক্ষণ পদ্ধতি অন্থসরণ করে রচনা লিখে দিয়েছেন, তাদের অভিনন্দন জানাই সম্পাদনার কাজে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী অন্নয় চট্টোপাধ্যায়, গণতান্ত্রিক লেখকশিল্পী সংঘের নেতা ইন্্রনাথ বন্দ্যোপাধায় অমিতাভ মুখেপাধায় আজিজুল হক এবং নজরুল ইসলাম আমাকে নানাভাবে সাহাযা করেছেন আশার স্ত্রী অধ্যাপিকা প্রথমা রায়মণ্ডল পু প্রতীক সংসারের আথিক দায়দায়িত্ব কাধে নিয়ে আমাকে এই কাজে দৌড়-ঝাপ করার সময় বের করে না দিলে এই গ্রন্থ বেরুত না। প্রকাশক মজহারুল ইসণাম এই বিরাট গ্রন্থ গ্রকাশের ঝুঁকি নিয়ে একটি এঁতিহাসিক দায়িত্ব পাপন করেছেন। তারজন্য রইলো! আমার সংগ্রামী অভিনন্দন মুদ্রণযন্ত্রের অসহযোগিতার কারণে কিছু ভুল থেকে গেছে। তার জন্য ক্ষমাগ্রার্থী। বান্তত। অন্ুস্থতার মধ্যে প্রখ্যাত প্রচ্ছদশিল্পী খালেদ চৌগুরী বইটির প্রচ্ছদ একে দিয়ে আমাদের বাধিত

করেছেন।

চিত্ত মল

সচীপত্র

অম্পাদনা-প্রসঙ্গে

সামাজিক বাজণনেণক নংকট |

রবীন্দ্রণাথ, মমকাণ সাম্প্রতিক প্রাসঙ্গিকতা অনুনয় চট্টোপাধ্যায় ১৩, ফ্যাসি-বিরোধা ববীন্্রনাথ সন্তরের মন্ত্াস। দীপককুমার রায় ৩৫, বন্দী হত্যা বিরোধিতায় রবান্্রনাথ / নেপাল মজুমদার ৪৬, ব্ক্তি-স্বাধীনতা, বাকি- অধিকার রবীন্দ্রনাথ শ্যামল মৈজ্ ৭৯, ভারতরক্ষা আইন, রবীন্দ্রনাথ এবং এসমা-মিস' অকুণ দাশগুপ্ত ৮৫, সুস্থ সংস্কৃতির সপক্ষে রবীন্দ্রনাথ / নারায়ণ চৌধুরী ১০৪, শিক্ষার বাহন মাতৃতাষ", বিতর্ক রবীন্দ্রনাথ অজিত মণ্ডল ১১৩, শিশুশিক্ষা 'সহজ পাঠ" বর্জন-বিতর্ক / অলখ মুখোপাধ্যায় ১২২, রবীন্্-শিক্ষাদশ বনাম বিশ্বতারতা বিল মুকুলেশ বিশ্বার্স ১৩৮, রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাচিন্তা জাতীয় শিক্ষানীত / শুভংকর চক্রবতী ১৫০, রবীন্দ্র রচনার স্বত্ব: সরকার বনাম বিশ্বভারতী / প্রবীর নিয়োগী ১৬২, রবীন্দ্রপল্ীভাবনা আজকের পঞ্চাযেত'রাজ শীল্গানারায়ণ চক্রব্তী' ১৬৯, পশ্চিমবঙ্গের গণতান্ত্রিক আন্দেশন রবীন্দ্রনাথ / রবীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮০, ত্রিপুরার গণতান্ত্রিক চেতনায ববীপ্রনাথ। ইজ্জনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯০

সামাজিক রাজ্ণাতক মংকট |

ভেদ, বিভেদ, ধর্মান্ধত। রবীন্দ্রনাথ | সৈয়দ সাহেদুল্লাহু ১৯৯, হিন্দু-মুসলমান সমস্তা রবীন্দ্রনাথ / ভুমায়ুন আজাদ ২১০, অস্পৃশ্তা-বিরোধী আন্দোলনে

রবীন্জনাথ। স্বরোচিষ সরকার ২২৭, বিচ্ছিন্নতা-বিরোধিতা) জাতীয় সংহতি রবীন্নাথ / জিয়াদ আলী ২৩৭, প্রাদদেশিকতা, জাতীয়তাবাদ রবীন্দ্রনাথ | দিলীপ মজুমদার ২৪৯, ধর্মীয় মংকট এবং ধর্ম প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ / চন্দন চার ২৫৫, ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্ন রবীন্রনাথ | হীরেজ্জকুমার রায় ২৭১, নারীর অধিকার মুক্তির প্রশ্নে রবীন্দ্রনাথ / অন্ধুশীল। দাশগুপ্ত ২৮*, পণপ্রথ! পণপ্রধা-বিরোধী রবীন্দ্রনাথ / প্রথম। রায়মণ্ডল ২৯৬, বর্ণবাদ বর্ণবিদ্বেষ- বিরোধী রবীন্দ্রনাথ / কৃঞকলি বিশ্বাস ৩১৩, সাত্রাজ্যবাদদ-বিরোধিতা রবীন্দ্রনাথ / মানস ভট্টাচার্য ৩২৩, যুদ্ধ শাস্তি এবং রবীন্দ্রনাথ / জ্যোতির্ময় ঘোষ ৩৩১।

সামাজিক রাজনৈর্তিক সংকট |

জরুরী অবস্থা রবীন্দ্রনাথের কঠরোধ / সেজান সেন ৩৫৩, বাংলাদেশে রবীন্দর-বিতর্ক নিষিদ্ধ রবীন্দ্রনাথ / শামন্ুজ্জামান খান ৩৬৩।

রবীন্দ্রনাথ বনাম সাধারগ মানুষ | $

সমাজ সাধারণ মানুষের জীবনে রবীন্তরনাথ / প্রনব চট্টোপাধ্যায় ৩৯১, রবীন্দ্রনাথের চোখে দাধারণ মানুষ শ্রমজীবী / অরিঙ্গম চট্টোপাধ্যায় ৪০২, জীবন সংগ্রামী মানুষের চোখে রবীন্দ্রনাথ ; সমীক্ষা | রণজিৎকুমার সমাদ্দার ৪১৮, বুবীন্দরনাথকে জনগণের কাছে নিয়ে যেতে হবে চিত্ত মণ্ডল ৪৪৬, লেখক পরিচিতি ৪৬১।

সামাজিক রাজনৈতিক সংকট।১

সত্তর আশির দশকে পশ্চিম বাংলার মানুষকে বণ সামাঞ্জিক রাজনৈতিক

২কটের মুখোমুখি ঈাডাতে হয়েছে এসৰ নক্ট থেকে পর্রব্রাণেব জন্য অন্তত স্বাভাবিক কারণে বারবার রাজোর মানুষকে রবীন্দ্র প্রাসঙ্গিকত। থুঁজতে হয়েছে। হ্বপ্নকালীন এসব সংকট এবং আন্দোলনেব মধ্যে ছিল ; আধ -ফ্যাপসিই সম্বীমের আত"ক, বন্দীহম্যা বিরোধিতা বদ্দী১ক্তিৎ লাবি, ব্যক্তি-হ্বাধীনত। ভ্বি-অধিকা।রর প্রশ্ন, এসষা মিসার করালছাধা, অপমংস্তিব ৌঁর্মা এব" সুস্থ সংস্কৃতির জন্য সংগ্রাম, সহজ পাঠ বর্জন-বিতর্ক, শিক্ষা মাধাম মাতৃভাবা হওয়! উচিত কন", বিশ্বভারতী বিল নিয়ে তুমুল হৈ ঠ, রবীন রচনাবলীব প্রকাশ নিয়ে বিশ্বভারতী বনাম বাজা সরকারের টাণা পোডেন, জাতীয় শিক্ষানীতি সা্রান্ত বিরোধ এবং গণতাস্ত্িত সংস্কৃতিপব্ষয়ক বার লড়াহ্‌ ইত্যাদি। এসব নংকট আন্দোলনে রবীন্্র-প্রাপঙ্গিকতা কতখানি এবং ধসব ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথকে কিভাবে হাতিয়ার হিসেবে বাবহার কর] হয়েছে, তারই অপবছ। দলিল পর্যা'য়র মূল প্রতিপাদ্য বিষয়।

অনুনয় চট্টোপাধ্যায় রবীন্দ্রনাথ, মমকাল সাম্প্রতিক প্রাসঙ্রিকতা

সম্প্রতিকালের সমাজ বাজনাতিতে রবীন্দ্রনাথের প্রাসঙ্গকত' গুকত্ অনস্বীকাঘ। ভীর গল উন্নয়ন ভাবনা, যুদ্ধ বিরোধী ভাবনা, সাআাজ্াবাদ- বিরোধা ফা।সজম শিেধ। ভাবনা শিক্ষাচিন্তা অজও বিশেবভাবে ম্মরণীয় অনুধাবনযোগ্য | স্বাংদাশকতাকে রবীন্দ্রনাথ পারিবারিক্ষ সূত্রেই আজন্ম সংস্কাররূপে লাভ করেছিলেন এর স্বন্দেশচিন্তা মানবতাবাদ একই হতে বীধা ছিপ রবীন্দ্রনাথ বলতেণ ভাগতবর্ধ কেবল শহরে নয়, গ্রথমেও, ভারতবর্ষ শুধু হপুৰ শয, নূসপমানেবগু | তিনি তাই হপু-মুসপমান এফোর ওপর প্রভূত জো দযেছেন।

রবান্জনাথ মতভাষার মধ্যয়ে শিক্ষাদীক্ষার যে দাবি গুকত্বের কথ' বলে গেছেন, এখনও সেই দাবিতে পড়তে হচ্ছে ব্বীন্দ্রনাথের পল্লাসমাজের বিকাশের ক্স্চীর গ্রঠিফলন কি বর্তমানকালে রাজোর গ্রামীণ প্রশাসনের মধ্যে প্রতিফপিত হচ্ছে শা? ববান্্রনাথ সন্থুসবাদের রোমান্টিকতাবু বিবোধিতা করেছেন, সন্গাসব।দেন সমন্সা 'নযে কি বিপ্লববাদরদের আজও ভাবনায় পড়তে হয় না? 'এখ|নেই ববীক্ত্রন[থেব দুরদশিত। |

রবীন্ণাথ ঘুর যে মামাজ্যবাদী চরিত্র ফ্যাসিবাদের ভয়াবহতা লক্ষ্য কপে।ছশেন, বঙ্মানকালেও কি তার ছায়াপাত ঘটছে না? বর্ণবাদেব ।বকদ্ধে রবীন্দ্রনাথ আফ্রিকা কবিতায় যে আতি ফুটিযে তৃলেছেন, সেই বর্ণবাদের আগুনের লেলহান শিখ। কি এখনও জপছে ন।? জ্লছে। এখানেই মমকাল সাম্প্রতিক সম[জ গাজনীতির সংকটে রবীন্দ্রনাথের সংলগ্ুতা।

রবীন্দ্রনাথের সমকালে প্রতিটি সামাজিক রাজনৈতিক ঘটনা সম্পর্কে কৰি

তীব প্রতিক্রিয়া প্রেকাশ করেছেন। নিজেকে তিনি কখনো গুটিয়ে রাখেননি ; কখনো সরাষরি, কখনোব! সাহিতো, চিঠিপতে তব সেই প্রতাক্রযার প্রতিফলন

4৫8

ঘটেছে জাতীয় মুক্তি আন্দোলনে তীর বিরাট ভূমিকা ছিল। প্রকৃতপক্ষে তার জন্ম থেকে মৃত্যু পযন্ত দীর্ঘ জীবনের ইতিহাস অঙ্গাঙ্গীভাবে যুক্ত হয়ে আছে ভারতবর্ষের মুক্তি আন্দোলনের প্রতিটি পদক্ষেপের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ মূলতঃ কবি রসদ্রষ্টী, কিন্তু কদাচ ভৃমিত্রষ্ট নন জন্ম সামন্ত পরিবারে কিন্তু সেই পরিবারেই বহমান ছিল নবান পুঁজিবাদী আবহাওয়া এবং পাশ্চাতা শিক্ষার আলে! বাংলার সামন্ত ব্যবস্থার ভূমিতে দীভিয়ে যে কজন বাঙালী বাবনা শিল্পে অর্থ বিনিয়োগ করে নতুন অর্থনাতির গোডাপত্তন করতে প্রয়াসী হয়েছিলেন, দ্বারকানাথ ঠাকুর তাদের অন্যতম | যুক্তিবাদী, মানবিকতা, সমাজ সংস্কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে উজ্জীবন স্ৃষ্টি হয়েছিল, সেকালে তার শ্রেষ্ঠ অন্থশীলন-ক্ষেত্র ছিল জোডাসাকোরু ঠাকুর পরিবার |

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এবং নগরকেন্দরিক পাশ্চাত্য শিক্ষ। চিত ত্র সভতার উন্মেষ বাংলার প্রাচান সমাজ অর্থনীতিকে যেমন প্রধপভাবে নাডা দেয়, ০৩খনি আলোডন শ্্ট করে মানুষের চিন্তার জগতে | ফলে সৃষ্টি হয় মোক্াশ মো।বিলিটির দেখা দেয় পদে পদে দ্বন্দ, হ্ববিরোধিতা, এই দ্বন্দ স্বাববোধিতা ।বগ্চমান ছল দ্বারকানাথের মধ্যেও | তিনি ছিলেন অংশত এতিহাবাহ? জ।ত'যতাবাদ”, শত সমহয়বাদী এবং অংশত পাশ্চান্যবার্দী | দেবেন্দ্রনাথ বিন্ুবু্দিব প্রচেগ্ায উদ্যেগী ন' হয়ে ব্রাঙ্গসমাজের হাল ধরে সমাজের সংগ্কারে আত্মনিয়োগ করে নতুন পথে মঅগ্রসব হলেন, কিন্থ পত্রাধান দেশে নানা উপাদানগত কারণে যখন একবার জঙ্গমতার স্থচন। হয়, তখন শাসক শাসিতের প্রধান ছন্দ থেকে দূরে সরে থাক! বাস্তণত সম্ভব হয় না। তাই স্বাদেশিকতাকে রবীন্দ্রনাথ ডাব পরিবারে আজন্ম সংঙ্গাৰ কপেই লাভ করেছিপেন, প্রথম জবনের ম্বতিচারণ। করতে গিয়ে বনীজ্নাথ বলেছেন, বু বিদেশী প্রথার প্রচপন থাকলেও তাদের পরিবারের হাদয়ে একট স্বদেশভিমান [স্বর দীঞ্থিতে জাগ্রত ছিল ।১

রাজনাায়ণ বন্থ ১৮৬১ সালে মেদিনীপুর “জাতীয় গৌর সম্পাদনী সভা" স্থাপন এব 21095106০0১ 01 & ০১০1০ 0০1 0119 010177910191) 01 19101017981 [5০1106 2719008 0৩ 5৫8০০10৫ 202.01%৩০ ০৫ 9670891২ পুস্তিকা প্রকাশ করেন। এতে ঠাকুরবাডীর দান শ্রেষ্ঠ হলেও ১৮৬৭ সালে নবগোপাল মিত্র কলকাতায় যে হিন্দুমেলার আয়োজন করেন তাতে ঠাব পারিবারিক উদ্ঘোগ প্রবল ছিল। গণেস্্রনাথ 2

জ্যোতিরিন্দরনাথ প্রমুখ দীর্ঘদিন এই মেলার সম্পাদক, সহ-সভাপতি, সভাপতি পদে সক্রিয় ছিলেন এই মেলার উদ্দেশ্য বর্ণনা] করে গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেন্‌ £

এই মেলার প্রথম উদ্দেশ্ট, বৎসরের শেষে হিন্দু জাতিকে একব্রিত করা ।.""যত লোকের জনতা হয় ততই ইহা! হিন্দু মেলা ইহা হিন্দুদিগের জনতা এই মনে করিয়। হৃদয় আননি'ত স্বদেশান্রাগ বধিত হইতে থাকে আমাদের এই মিলন সধরণ ধর্মকর্মের জন্য নহে, কেবল মনন্দ গ্রমোদের জন্য নহে ইহ স্বদেশের জন্য, ভারতভূমির জন্য 1৩

মনোমোহন বন্থু একই অধিবেশনে বলেন £ মেলায় ধর্ম সক্রান্ মতভেদ তিরোহিত হইয়। সকলেই সৌধ্রাত্র সৌহার্দ্য শঙ্খলে আবদ্ধ হইবেন-__ সেখানে শৈষহ্ব। শক, শৈব, গাণপত, বৌদ্ধ, জৈন, নাস্তিক, আস্তিক সকলেই আপন আপন মেলা ভাবিয়া নঃসন্দিপ্ধ চিত্তে উৎসবের সমভাঁগী হইতে পারেন ।৪ এখানে পক্ষীয় নাস্তিকদের আহবান করা হলেও মুসপমানদের কথ! বলা ভল না |

১৮৬৯ সাপে প্রতিঠিত 'জাতায় সভা"ও এই হিন্দু জাত'য়তাভিত্তিক ছিল তং্ক|শ ১,1১1181890৩1৫-এ ১.3. ছন্পনামে একজন লেখক লেখেন £ গন মুসলমানদের অন্তর্র্ত ন। করলে কেবলমাত্র 'হন্দুদের নিয়ে গঠিত সভাকে জাতীয় সভ! ধলা যায় না। ঘোষণায় মুসণমান খুষ্টানরা বজিত হলেও তখনকার হন্গুমেপা জীতয় সভায় মুসলমান খুষ্টানরা অংশগ্রহণ করতেন স্বল্প সখ্যায় হশেও' অপরদিকে একথাও ঠিক তৎকালীন মুপলনানদের মধ্যে শিক্ষিত স্বদেশাগর।গার সখা! সামান্যই ছিল। ত.: সবেও সত্য অস্বীকার করা যায় ন।যে এই হন্ু স্বাজাত্যবোধ বাস্তব হলেও এর পরোক্ষ ফল ভালো হয়নি

[দে।শব তায় উর, জ্যোতিরিজ্রনাথ ঠাকুরের পুকুবিত্রম' "সরোজিনী” নাটক

ছুটিতে যখন 1পদেধ বেশ দৃষ্টিকটু ! করাঁসা নাটাকার জী রাসিনের 5168000 (10 01৩00 ন(টকের অগ্গবাদ 'পুকাবক্ম" "1]1180010-অভসারী “নরোজিনী, (১৮৭৯ )-ত জো[তিরিজ্রনাথ তিনটি করে যে নতুন দৃশ্বী সযোজন করেছেন, তার মধোই যণন ।বছেষ গন পেয়েছে নাটকে রবীন্দ্রনাথ রচিত সঙ্গীতেও তার অগরপ্রণেশ ঘটেছে £ শোনরে যখন ' শোনরে তোরা ' / যে জালা হৃদয়ে জাপালি সপে, সাক্ষা রলেন দেবতা তার / এর প্রাতফল ভুগতে হবে। ঠাকুরবাড়ীর অন্যতম স্ষ্টি 'সপ্পাবনী' মভাতেও খথেদের পুথি, মড়ার মাথার খুলি দিয়ে যে উপাসনা হ্তুত/ইশৃশ্বাদেশিকতারই প্রভাবজ।ত। এই সভায় সবভারতীয় পোষাক

২৯

কী হবে এই নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথের মন্তব্য--ধুতিটা কর্মক্ষেত্রের উপযোগী নহে অথচ পায়জাম।টা বিজাতীয়”- একই প্রভাবজাত। কিন্তু যৌবনে প। দিতেই হিন্দু মেলার বাশক কবি সঞ্জীবণী সভার কিশে।র সন্ত এমশ তৎকালীন জাভীয় আন্দোশনের সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেনি “টোচয়ে কথা? “জিহবা আশ্ষানন', "ন্যাশনাল ফাণ্, “টোন হলের তামাম “হাতে কলমে” “নবাবঙ্গের আন্দৌলন, ১২৮৯ থেকে ১২৭৪৬ বঙ্গাবে রচিত প্রবন্ধে রুবীন্্রন।থ সামগ্রিক সমাজ সচেতনতা ওুঁদাধের পরিচয় দিতে থাকেন জনগণ গেকে দৃরবর্তী তৎকালীন রাজনৈতিক আন্দোলনকে তিনি কঠোবভাবে সমালোচন

করেন রব'ভ্দ্রনাথের ভাষায় 8 “তখনকার দিনে দেশের পলিটিব্স নিয়ে যাব' আসর জমিয়েছিলেন, তাদের মধ একজনও ছিলেন ন। ধাবা পল্লাব সাকে এদেশের লৌক বলে অনুভব করতেন |--*আমাদেব দেশাত্ুবোধারা দেশ বলে একটা তন্বকে বিদেশের পাবলিশ।র থেকে সংগ্রহ করেছেন শহরের সমাধছ্ একটি পরিণেশে

কতিপয় শিক্ষত ব্ক্তি ইংরেজি ভাষা উংরেজের পাছেই চাখুবি দেশ শাসনের

ক্ষেত্রে অধিক স্বাধিকার দাপি করবে এট সব ঞ্রনাথের কাছে হালকৰ মনে হয়েছিল ইংবেজ বিরোধা পাঁজটনহতিক প্রচাবের মাধমে তলে কাপডে

কল স্থাপন, দেশলাই তৈরার চেষ্ট। পেজ কোম্পানীর সঙ্গে প্রতিষে'গত করে জাহাজ চালনা ইতাদ্ি ঘটনা ঠাকুরবাডীরু ম্বাদেশিক প্রয়াসের আগ্চলিকত প্রমাণ করে। কিন্ঞু একথা ন্লতেই হবে ১৮৯০ সাল পদধ জনসংখ্যার শঠতকপু। ৯9 জন বসবামকারী' গ্রামবাংলার সঙ্গে রবান্দ্রনাথের প্রতাক্ষ যে।গাষে।গ ঘটেনি, আকুতি

দেখা দিয়েছিল মাত ইরেজ প্রাজতে সনাতনা সমাজ অর্থন।তিব যে পপষ্য ঘটেছিল এব নখরকেন্দিক সভ্যতার অভিঘাত সমাজ যে ধবংসপ্রাঞ্থ চেহারা পাভ করেছিল, রবান্্নাথ তা! সম্যক উপলঞ্ধি করেছিলেন এব” ১৯০৮ সাপে পাটণায়

অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের প্রাদেশিক সম্মেলনের ভাপা তর ভাসঞ্রে তা হনি মর্মম্পশী ভাষায় ব্যক্ত করেন ভারতবর্ম যে শুধু কলক্!তায় শয় পল্লাগ্রামে, ভারতবন যে 'কবলমাত্র হিন্দুর শয় নুসলমানেরও, রাজনাথ তা উপলব্ধি +প্পোছলেন পল্লা- নাংলায় জমিদারা কত্রে গিয়ে। তই গোরাকে বিবতনের স্বাথে একটি মুসলমান ল্লীতে নিয়ে গিয়ে তুলেছিলেন রবীন্দ্রনাথ স্পষ্ট বুঝেছিপেন কংগ্রেসে যদি হিন্দু

[সলমানের এঁক্য প্রতিষ্ঠিত না হয় তাহলে ইংরেজের ভয় পাওয়ার কিছু নেই।

স্থবিচারের অধিকার' প্রবন্ধে তাই তিনি উভয় সম্প্রদায়ের এক্য ইংরেজের

১৫

বিভেদনীতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন কংগ্রেস আন্দোলনকে কেন্দ্র করে স্বাদেশিক আন্দোলনের পুরোধা অন্যান্য রাজনীতিবিদর্দের তুলনায় অনেক অগ্রসর চিন্তার নায়ক রবীন্দ্রনাথ জাতীয় আন্মশক্ির উদ্বোধন সাম্প্রদায়িক বৈষমোর দিকে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তিনি বলেন: যে রাজপ্রাসাদ এতদিন আমরা ভোগ করিয়া অ।সিয়াছি আজ প্রচুর পরিমাণে তাহা দুসলমানের ভাগো পড়ুক, ইহা আমরা যেন প্রসন্ন মনে প্রার্থনা করি ।৬

“দেশে জন্মাপেই দেশ আপন হয় নী, যতক্ষণ দেশকে না জানি ততক্ষণ সে দেশ আপনার নয ।” রবীন্দ্রনাথের মতে বাষ্ট মুষ্টিমেয় স্বদেশী বা বিদেশী শাসকের অধ।ন নয় পবাধনতা ধশতেও কেবল পরজান্তির অধানতা বোঝায় ন'। বিদেশী রাজার পব্বিতে স্বরাজ এলেই সেই দেশ পরাধনতা খুক্ত হতে পারে না। সামাজক উন্নতি ব্যতীত পাজনৈতিক উন্নতি নিতাহ্ুই অর্থভ'ন | রবীন্দ্রনাথের এই সব চিগ্তা পন, শুধু বাস্তবসম্মত তাই শয়, অনেক অগ্রসর চিন্তার পারচায়ক শ্ব(ধণতার পরেশ আমাদের সংগ্রামে এহ সব প্রশ্ন মুখাড়মিক। শিয়ে আছে। অন্প।স্থত জমদ'র পাবুবানেের সন্তান হযেও বব নাথ যেভাবে পল্লা বাংলা সম।জ অর্থশা।তর ব।।খ্যা করেছেন, পল্ল)পাশ'ব পক্ষ অবনন্ধন করেছেন তা সে যুগে বিম্ময়কব | যাপ জামদ!রপা জোক, প্যারাস।ইট ইত্যাদি উন্ত সন্তেও জমিদারিটা ছেডে [তে পারেননি, এই শ্রেণী সীমাবদ্ধতা 'নযেও ১৯০০ সাল থেকে পল্লা পুনর্গঠনের যে কদকাপ্ড শুক করেন তা যুগান্তকারা ঘটন। |

বব।জ্ৰন[থেন জ'বন দষ্টিতে বাজন।তিব চেয়ে সম[জধর্মেব গ্রকতু অধিক এবং সেই সমাজধর্ধ আবার ম।নবধমের সঙ্গে ।ন'বডভাবে বিজড়িত তিলকের কার।দও, সাম়াজাবাদের দমনন'তি, কার্জনা আমলের শক্ষা সংকে'চন ভাষ! বিচ্ছেদের এ, পঙ্ঈ-বিভাগের আয়োজন, শত।ব শেষ ভাগে ব্রটিশ, সাআ্াজের দা, রুষ্ক অথ্রিণায অভ্াচার, বুযুর যু, কশ-জাপান যুদ্ধ ইতাদি ঘটনা প্বান্দ্রনাথের মন্ধ্য থে ে৩নার ।ববওন ঘটায় ঠারই ফ্লশ্রু/ত এবার কেরাও মোরে" কবিতীগ |

রবীন্দ্রনাথের জাতয় মুক্তি 'চণ্তার প্রধান দিক হল শ্বদেশী সংস্কৃতির বিকাশ রবান্দ্রনাথ ভারতের একজন শিক্ষা ইখরজ প্রবতিত শিক্ষায় জাতির অগ্রগতি সম্ভব নয় তাই তিনি স্বদেশ পরিচয় মূলক শিক্ষানীতি প্রবর্তন করেন যার পরীক্ষা নিরাক্ষা শুরু হয় শ।(গ্নিকেতনের ব্রক্মচর্য বিদ্যাপয় আশ্রম দিয়ে এবং পরিণতি

২৩

লাভ করে বিশ্বভারতীতে স্বদেশের ভাষা সাহিত্যের অনুশীলন, লোককথা লোকগীতি সংগ্রহ থেকে শব্দতত্ব পর্যন্ত তাঁর নিত্য কর্মস্থচীর অস্ততূক্ত হয়ে পড়ে। শিক্ষায় মাতৃভাষ।র স্থান নিয়ে তিনি যে সমস্ত প্রবন্ধ লিখেছিলেন এবং আন্দোলনের স্্টি করেছিলেন জাতীয়তাবৌধের তা যে কতবড যুগাস্তকারী দৃষ্টান্ত তা আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে অনুসরণযোগ্য | স্বাধীনতার প্রায় চার দশক পরেও মাতৃভাষার উপযুক্ত মধাদার জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে দাস্থা মনোভাবের বিকদ্ধে। সেকালে জাতীয় গ্রেসের কাধবিবরণীও পরিচালিত হত ইংরাজীতে | রবীন্দ্রনাথই প্রথম পাবনা প্রীর্দেশিক সম্মেলনে সভাপতির ভাষণ দেন বাংল! ভাষায় | সর্বত্র সাহেবায়নার বিপরীতে ঈাড়িয়ে রবীন্দ্রনাথ পোষাক থেকে শুক করে দৈনন্দিনতার সমস্ত ক্ষেত্রে এক স্বতন্ত্র দেশীয় কচির বাতাবরণ হ্্ট করেন বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন পায় পর্যন্ত অর্থাৎ "সাধনা, পধায়ে প্রবান্দ্র-চিস্থার আকাশে বঙ্কিম চন্দ্রনাথ বসুর বক্ষণনীপতার স্থান না হলেও অতাত ভারতের গৌরব পুনরুদ্ধার যেন তার পক্ষ হয়ে দাড়ায় “কথ।'র কবিতায় এবং “নৈপেগ্যের" সনেটে ভারতবর্ষের মহি্ময় ক্পটি মৃত হয়ে উঠেছে এই পর্বে তিনি প্রাচা পাশ্চান্তোর সত্যতার মমবাণীর তুলনামূ ন্চ বিচার করে প্রাচ্যের শ্েষ্ত্ব প্রমাণ করেছেন দ্মার ত! করে গিয়ে তিন ভার ৩য বর্ণাশ্রম ধর্কেও সমর্থন করে ফ্পেছেন | ভারততত্বের অবাবহিত পরেই তার “নেশন বনাম সমাজ' তব প্রাধান্য পা রবীন্দ্রনাথের স্যিব 'বশ্বাম নেশনবাদই বপান্তরিত হয় সাম্রাজ্যবাদে “শতাব্দীর স্র্ধ 'মাজ রক মেঘ মাঝে / মস্ত যায়' | শ্বাে স্বার্থে বেধেছে সংঘাতি' ইত্যাদি সনেটে তিনি নেশনবাদের বিকছ্ছে মাগণকে সতক করে দেন নেশনবাদেএ 'পাগণম? “জাতিপ্রেমের' 'বপর তে ।তান বৈচিোর মধ এক্যের ভারতীয় মমাজ মাদশ, প্রচার কনেন। ন্যাশনাণল জিম'-এর ই'বরেজা বক্ৃতাগুপে রচনায় তিন নেশনবাদের বিরুদ্ধে ঠার মত প্রচার করেন হার "চন্য “নেশন” মাই শভিশিজম পা ংকীর্ণ লাত্যভিমাণ এক ইম্পে বুযা'সলম বা স্বাথান্গ সামাজাণাদ এটাকে নি উউনে'পীয় সম।জের একটি মত কা তন, প্রো চান ব। ভারতে 21 সম্ভব নয় বপে ঠার বিশ্বাস ছল | মামাদের স্প£ ধারণা থাকা প্রয়োজন ঘে _ণাবাপ্রণ।থ স্বদেশশিকত। বা জাতাঘতাব শর্ঘ গ্যাশান।লজম ব। রাষ্টধম মনে ফরেনান, তার লক্ষ্য ভরচায় সমাজের বিশ্ব, বৈটিন্যেৰ মধ্যে একা স্থাপন, দেশপ্রেমের ভিন্তিতে বিশ্বপ্রেমের সাধন! ভারতবর্ষের দুক্ষি, বাস্্রিক মতামত রাস্ত্রিক কর্ম এই

9

সাধনার উপচার মাত্র ভারততত্ব নেশনতত্ব এই দুই ইতিবাচক নেতিবাচক ধ্যান ধারণার পরিপ্রেক্ষিতে রবীন্দ্রনাথ তার স্বদেশী কাজকর্ম পরিকল্পনা! করেন তার পথ স্বদেশী রাষ্ট যতটা নয় তার চেয়ে বেশী স্বদেশী সমাজ তার কষ্টমূলক কর্ম। মোট কথা, ন্বদেশী যুগের পনের বছরের মূলকথ। "স্বদেশী সমাজ' স্বদেশী সমাজের কাজ কী-_সংগঠন কর্ম, শিক্ষিত সম্প্রদায় বৃহত্তর জনসয়াজের মেলবন্ধন এবং গণনম।জে পাঠশাপা, শিল্প শিক্ষণালয়, ধর্ম গোলা, ব্যাঙ্ক স্থাপন, সমবায় গ্রথায় চাষ ইত্যাদি কাজের মাধ্যমে জাগবণ কি কব), ববান্দ্রনাথ বাস্টীয় স্বাধ নতার প্রশ্নটি মূলতৃবা রেখে এই +।জ.ক অগ্রাধকার নিতে চেযোছলেন কেনা ত' স্তর কবে বলা শক্ত তবে তার এই পথকে একজন বাজনৈ।তক দলের বাপের মানতষেণ আন্তরিক প্রযাস ৰপে শ্রা ন। জানিয়ে উপাষ নেই | এক্স মধ্যে তখন কতগুলো মৌল সঞ রয়েছে বা পববতীক।শে জঞ্গা বলে গণনায় হয়ে উঠেছে সবার কাছেই! বিশেবতঃ পঞ্চাযেত রাজ' 'শাষ্টপ্রধন স্বরাজ" 31৭1৩ ৮/10017 3141০) গডার এই প্রথম পরিকল্পন' গান্ধাজ'ব অহিংস অসহযোগ গঠনমূলক কাজের ১৭ব্ছর অগে ধণচত। গ্রামাঞ্চলে ক্ষমন্রার বকেন্দ্রীকরণের যে নতি আজ পশ্চিমবঙ্গে অন্রহ্ুত হচ্ছে তই পুবঙ্গ বব রবন্দ্রনাথেব পর্বের পরিকল্পনায লক্ষ্য কর' যায় না'

স্বদেশ, আন্দোলনের রাজনোতক মঞ্চে রবন্রনাথ আঁবিভূ তি হয়েছিলেন প্রধানত বঙ্গতক্ষেব কাপে দেশাত্মবোধক গান, কাবভা, বাখীবন্ধন উৎসব, মিন্ছুল ইত্যাদি ক্কাণ্ডে 'নজেকে তিনি স।ঞ্যভাবে বিজি কৰে ফেলেন উত্তেজনার হাত থেকে মও নিষ্কৃতি পাইনি ববান্্রনাথের ৮পিত্র বিরোধা কমকীণ্ডে কয়েক মাচপব মধ্োই ক্লান্তি এপ, বললেন--ব্দায় দেহ ক্ষমো আমায় * ভাই/কাজের পথে আম তে। আর নাই ।" কিন্তু বিদায় নিতে পারনেশ কৈ ৮. +পাতী জ্রব) বয়কট- আন্দোলন মজঃঘ্রপুবে কেনেডি হঙ্যার (১৯০৮) সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের প্রাদুতাব বকে বিচলিত কবে তুলশ। সন্ত্রস তার ন।ত ।বক্গ, শপব দকে ।বলাত" এবা জনের স্সেগ।ন ।হ্ণু এুসলম নেব মধে। একা বন করল তিন বললেন যে কোণ মূল্যে হন্দুযুসপম[শ এক। রক্ষ। বখতে হবে, গ্রিহ বিচ্ছেদদেব মতো এত খড আহত আর |কছু নেই ।, ইংবেজদ্ের বিভেদ নী।তই একমা দাঁধী নয়, নিজেদের মধ্যেও রয়েছে তেদ বোধ রবীন্দ্রনাথ তাই পল্লীস্তর থেকেই জনসমাজের বৃহত্তর ধক্য রচণা করতে চেয়েছিলেন তার আশঙ্ক। ঞ্মশ সঠিক প্রমাণিত হয়েছে

্খ

উত্তরকালের রাজনৈতিক মঞ্চে কংগ্রেস লীগের বিরোধমূলক ভূমিকায় এবং অবশেষে একাধিক সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় কিন্তু প্রসঙ্গত অন্য কথাও মনে অসে। ভিয়েতনাম, কোরিয়। প্রভৃতির ঘটনা অ।মাদের দেখিয়েছে ভেদাভেদ না থাকপেও সাম্রাজাবাদ জাতীয় মুক্তি আন্দোলনে নান? কৌশলে বিভাজন স্থ্টি করে জনগণের মধ্যে। ভিয়েতনাম বনু রক্তের বিনিময়ে তার সমাধান করলেও, কেোারয়। এখনও বিভক্ত হয়ে রয়েছে এবং তার জন্যও সাম্রাজ্যবাদ আত্যন্তিকভাবে দায়। | 'পথ পাথেয়”, “সমস্তা”, 'সছুপায়', “দেশহিত, প্রভৃতি প্রবন্ধে ' এবং ঘরে বাইরে”, "চার অধায়' উপন্তাসে তিনি সঙ্জাসবাদেক বিবদ্ধে নিদারুণভাবে সওয়াশ করেছেন আবার “বদনাম গল্পে শস্তিনিকতনে বেশ কয়েকজন সন্বাসবাদী বিপ্রবাকে স্থান দ্রিয়ে তিনি সহান্ুভুউব দষ্টান্তও স্থাপন করেছেন অন্ত্রাসবাদের রোমান্টিকত|কে রবীন্দ্রনাথ যেভাবে উদঘাটন করেছেন তাকে বস্তবাদী দিতে অন্বীকারই | কি করে কর! যায় গণআন্দোশন-বিচ্ছিন্ন সন্বাসবাদ যে কি ভয়াবহভ।বে প্।জনৈতিক অগ্রগতির পথে পাধ| তা দেশ বিদেশের মার্কসবাদীদের নাতিগত সংগ্রাম ধারা থেকে এমন কি স্তরের দশকে এই রাজোব অভিজ্ঞত' থেকেও স্ম্ণতযগ্য | স্বাধীনতার যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থত রবান্ণাথের দুষ্টিভ'্গ ভয়তো দৃষ্টিকটু বা ত২কাশে নিন্দনীয় ভয়েছিপ। কিন্তু সঞ্জাসবাদ বোমান্টিকতার পারণাত কি হযোছল ? একদন অনিব।ৰভাবে কমিউনিস্ট হযোহুলেন, মারেকদল সাখুস হয়ে ।গয়ে।ছলেন | দেশাত্মবোধের মাগ্ঘপ্রিকতায় সন্দেহ না করে নাতি হিসেবে এর বিবোধিত। ৩ে কাউকে না কাউকে করতেই হত?

ভূশ বোঝাবুঝি রব ন্দ্রনাথকে নিয়ে কর্ম হয়নি 'জনগনমন অধিনায়ক" গানটি নিয়ে মজীর ঘটন। টেছিপ ১৯১১ সাপের ২৭ ডিসেম্গর কপকাতা কংগ্রেসে অন্য দুটি গানের সঙ্গে এই গানটি গ!ওয়া ভয। উংলিশম্য।ন স্ন্টসম্য।প পর্িণায় সংবাদে প্রকাশিত হয় রবান্দ্রনাথ এই গাণ পঞ্চম জজের প্রশন্ত ভিসেবে রচন' করেছেন” বঙ্গভঙ্গ রোধ হওয়ার পর মডারেট নেতার। স্থিত করেন কংগ্রেসের অধিবেশনে রাজদম্পতিকে সংবর্ধনা জানাবেন এই উপলক্ষে একটি গান রচনার জন্য রবীন্দ্রনাথের কাছে অন্তরোধ আসে ববীন্দ্রনাথ প্রত্যাখ্যান করণে সরল' দেবীর স্বামী যিঃ রামহ্জ দত্ত চৌধুরী৯ একটি হিন্দী গান রউন| করেন এবং সরল! দেবীর পরিচালনায় রাজ প্রশস্তি রূপে গানটি গাত হয় সংবাদপত্রের বিভ্রান্তিকর প্রচারে রবীন্দ্রনাথ বিচলিত ক্ষুন্ধ হয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন এই ঘটনা তাকে

৩৩

অন্স্তিতে নিক্ষেপ কবেছিল। ১৯৩৭ সালে শ্রীপুলিন বিহারী সেনকে লিখিত এক পত্রে ববান্দ্রনাথ বলেছেন £ রাজ সবকারে প্রতিষ্ঠাবান আমীব কোন বন্ধ ( শআশ্ততোষ চৌধুবা ) সমতাটের জধগান রচনাণ জন্য আমাকে বিশেষ করে অনরোধ জানিষে ছিলেন শুনে বিস্মিত হযেছিলুন, এই বিন্মযের সঙ্টে মনে উন্লীপেবণ সধা!ব পযেছি | তারই প্রবল প্রতিতিয়ব ধাক্কা আমি জনগণমন ম্মধিনাক গানে সেই ভাবত ভ'গ্য বিধাতার জয ঘোষণ| করেছি, পতন অভ্্যুদ্য- বন্ধুর পঞ্গাষ যুগ মুগ ধ।বিত যাঞ।দের ণ্ঘনি চিন সাবথি, |যনি জনগণের অন্থর্সীমী পথ পরিচালক সেই যুগ শগাক্গবুর মানব ভাগাবথ চাপক যে পঞ্চম ষষ্ট বা কোনে। দজ বে।নণমেউ হাত পারেন শ' নথা বাজতক্ত বন্ধু অন্তভৰ পবেছিলেন অবশ্ত বণগ্রেস প্রধান শুপেন্দনাথ বন্যোপধ্যাযের বেঙ্গল? কাগজ সঠিক স্বাদ প্রকাশিত ভযেছল। গানটি প্রথম দিকে নবীনতর বচনাবলীতে ব্রহ্মসঙ্গীতের লাপিপায ছি এবং মীঘে সবে গাওয়া তয |

কিন্থ কগেসে পবিবেশা" হওযাৰ এক মাসের মধ্যেই তৎকালান বাংলা মাসামেব শিক্ষ' বিভাগের টব্রেক্টর এক গোপন সাকু লাবে (২৬ জান্যাথী ১৯১২) সরকার" কর্চচ'ব দেব সতকি কবে দেন যেন তাদের সগ্তানদের শান্তিনিকেতনে পড়তে না প'ঠান। কেনন। ৮1৭05 4119৫017৩1 9050105616 101 (16 ৬৫০৭0] (116 ১০1)১ 61 0909৬০1771101)1 ১০1৮ ০100১) |

১৯০৮ ১৯২২ সাশবেই অনেকেই ববীন্দ্রনাথের স্বাদেশিক চিন্তাব “ভারত তার্থ বশে আখাতি ধরেছেন সাইতে)ব ক্ষেত্রে গীতাঞ্জলি “বলাকার উপপব ছুটিকে চিহনত বর! হযে থকে | এই পবে হিন্দু স্ব'জাত্যবে ধেব এঞম- অবসান এবং প্রাচা পাশ্চান্বোর সমন্বিত সংস্কৃতি বোধেব কপ বশাকার পক্ষ বিধুননে স্পষ্ট হযে উঠেছে সামন্ত সমাজে মচল।যতন তিনি ভাঙ্গতে চেষেছেন, 'হে মোর দুভাগ। দেশ”, ভারত 'তীথ”, 'জনগণমনঅধিনায়ক' ইত্যাদি ক।ব্ত' গানে 'আমাব মোন।ব বাংলা যুগ থেকে ভাবত পথক বপে যাত্রা শুক কবেছেন। যুদ্ধকালীন আটক না তর বকছে। 'ছেটি বড়ো" প্রবন্ধ, জালিযানওষাপাবাদেব ঘটনায় নাঁইটহুঙ ত্যাগ কাণ্ড ঘটে গেছে এই পর্বে তার শ্রেষ্ঠ পরিচয় তিনি সামন্ত সংস্কার বিরোধী, স্বার্থাঙ্ধ রাষ্ট্রধর্ম বিরোধা এবং ভারত বিশ্বপ্রেমে স্থাস্থব

এব পরের পবে বান্রনাথ গাদ্ধীজীর চত্রকা মতবাদ বিজ্ঞান ।বরোধা পশ্চাদমুখিতাখ বিরুদ্ধে বিজ্ঞানের সপক্ষে, সভ্যতার অগ্রগতির বিশ্বীসে এবং বিশ্ব-

২৭

সংস্কৃতির মিলনের প্রশ্থ্ে তাবিত। ভারতীয় জাতীয় ওঁপনিবেশিকতা বিরোধী ভূমিকার পাশে তিনি সর্বদাই থেকেছেন “হিজলীর বন্দী হত্যা”, “দেশীয় মানুষদের বিনা বিচারে আটক করার সাআজ্যবাদী নীতি, "কঠবোধ' প্রয়াস ইত্যাদির বিরুদ্ধে অনেক সময় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের চেয়েও তার ভূমিকা ছিল উজ্জ্ল। ভগস্বাস্থা বার্ধক্য সেখানে কখনও বাধা হয়ে দাড়ায় নি। পায়ে সমাজের শোষক শৌধিতের শ্রেণী সম্পর্ক বিষয়েও রবীন্দ্রনাথ অবহিত হন! 'প্রক্তকরবী” নাটকে শোষণমূলক সমাজব্যবস্থার হবন্বগুলি এবং বিভিন্ন সামাজিক স্তরের মানুষের শ্রেণী অবস্থান নির্দেশ করেছেন অভ্রান্তভাবে এবং ছন্দেদে বিপ্রবাজ্মক পরিণতিও ঘটিয়েছেন কিন্তু “গাজা” “নন্দিনা' চারত্রছুটির (£০461900 তান করেছেন তার মানবিক আদর্শে, ১১১৫০)-এর প্রতি শ্রেণী দ্বণার আম্পদ না করেও রাজার ব্যক্তিগত উদ্ধতন ঘটিয়েছেন শ্রেণী অবস্থানের সীম! অতিঞ্ম করে

নিজস্ব শ্রেণী অবস্থানের অখ্বস্তি ব্রবীন্দ্রনাথের মধোও দেখা দিয়েছিল বেশ কিছুকাপ | রাশিয়ায় গিয়ে তাই যেন তার চিত স্ফৃতি পেয়েছিল ধন-বৈষমযোর অবসান, শিক্ষার আমূল বিস্তার তাকে মুগ্ধ করেছিল। ॥ত।'শ যেশ তার সারা জীবনের অস্পষ্ট স্বপ্রগুলি, পরিচ্ছন্ন চিন্তাগুলির সমাধান বাস্তব বপায়ণ প্রত্যক্ষ করে.ছলেন সমাজতাস্ত্রক কশিয়ায় বিশ্বের আর কোন মনাধা সমাজতাস্ক রুশিয়াকে তার্থভূমি পে অন্িহিত করেন নি। কশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তু দৃষ্টির বহু আচ্ছন্নতাকে স্বচ্ছ করে দেয়। য্দও কিছু প্রশ্ত্ে ক্ধ। যে শা ছিপ না এমন নয়, সে দ্বিধ তো ইউরোপে অর্ধিকতর আভজবল। অগ্রসর পরিবেশে বসবাসের স্বযোগ লাভ করেও রোম | রোল | মধ্যেও ছিল আপি বারবুম রোম রে'লার শিহচক যেসব প্রশ্ন ।ঘবে ঘটেছিল হার অনেকপ্রপ তে রবান্দ্রনাথের৪।

রবাক্রনাথের জাত।ষ নুক্তি চেতনায় দেশপ্রেমের অঙ্গে বশ্বপ্রেম সম শ্বত হয়েছে, জাতায়ত আন্ত্াতিকতায় উদ্ধতিত হয়েছে, উগ্র গ্শনালিজম তথ। ইম্পিরিকসা।'লজমেপ বিশিপাতে সমাজ তখের 'বজয সঙ্গ'ত থোবিহ হয়েছে। দ্বিতায় পেশ্বযুদ্ধের সমকালে সভ্যতান্র চরম সংকটের কালে তাপ শমস্ত (বসবাস গ্কাপিত হয়ে ছল সোভিয়েট রুশিয়ার ওপর ভার ছুবদুষ্টি যে কত সঠিক ছিল ফ্যাংসবাদের বিরুছ্ছে সমাজবাদের বিজয়ে তা প্রমাণিত। জমিদারতত্ত্ের অনিবাধ পতন, পু [জর দেশীয় আন্তজ1তিক ক্ষেভ্তে আম্কালিনের উৎ্কট বাণ ভার দষ্টিতে স্পট

সত

হয়ে উঠেছে ধঙ্নতান্ত্রিক সমীজ ব্যবস্থার বৈষম/ শোষণের রূপ কবি রবাকন্্রনাথ বহু রাষ্ট্রনেতার চেয়েও স্পষ্ট করে বুঝেছিলেন £ ডিমক্রামির লক্ষ্য এই যে, প্রত্যেক প্রজার মধ্যে যে আত্ম শাসনের ইচ্ছা শক্তি আছে তারই সমবায়ের দ্বারা রাষ্ শাসন শক্তিকে অভিব্যস্ত করে তোলা মামেরিকার যুক্তরাজা এই ডিমক্রাসির বঙাই করে থাকে | কন্ক যেখানে মূলধন মঙ্ছুরির মধ্যে অত্যন্থ ভেদ আছে সেখানে ডিমঞাশি পদে পদে প্রতিহত হতে বাধ্য কেননা সকপ রকম প্রতাপের প্রধান বাহক হচ্ছে অর্থ সেই অথথ অজনে যেখানে ভেদ গ!ছে সেখানে রাজপ্রতাপ সকল প্রজার মধো সমানভ।বে প্রবাহিত হতেই পারে না তাই যুনাইটেড স্ট্ট্সএ রাষ্ট চালনার মধ্যে ধনের শাসনের পদে পদে পরিচয় পাওয়া যায়। টাকার জোরে সেখ।নে লোকমত তৈরা হয়। টাক।ব দৌবাত্মে সেখানে ধণীর স্বার্থের সর্বপ্রকার প্রতিকূলতা দলিত হয় একে জনসাধারণের স্বায়্ত শাসন ধপা চলে না।১৭ থেকে পরত্রাণের পথ হিসেবে তিনি বলছেন, “যথেষ্ট পরিমাণ স্বাধীনতাকে সবসাধারণের সম্পদ কবে তোলবার মূপ উপণ্য হচ্ছে ধন অঙ্জনে সম্পসাধ।বণের শকিকে সম্মিলিত করা

অপবাঁদকে সো(ভয়েতে তিনি ধনগ।রমার ইওর'ত'র সম্পূর্ণ তিরে।ভাব দেখে- ছিপেন। ১৯৩১ সালে একটি প্রবন্ধে তিনি লেখেন" 'খেজবগাছ তালগাছ বিধাতাব দান, তাডিখানা মানুষের টি তালগাছকে মারলেই নেশার মূল মরে না। যন্ত্রের বিষ দাত যদ্দি কোথাও থাকে, তবে সে আছে আমাদের লোভের মধ্যে রাশিয়। এই বিষদাতকেে সজোরেও গপডাতে লেগেছে, কিন্ব সেই সঙ্গে য্টাকে শ্বদ*টান মারেনি, উল্টো যন্ত্রের স্থযোগক্টে লবজনের পক্ষে সম্পূর্ণ স্গম কবে দিয়ে গ্রোগের কাখণটাক্েই সে ঘুচিয়ে দিতে চায় | এই উক্তির*মধো কি আমরা সোভিষেত বাবস্থাব সম্পত্তির বাষ্ত্রীকরণ বৈষমাহান ধনব্টন নীতির সমর্থন পাই ন"'?

স্বীয় রাষ্্নোতিক মত সম্পর্কে বলতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথের মন্তব্য অন্থধাবন- যোগ্য “অন্তত আমার সন্বদ্ধে জানা চাই যে রাষ্টনীতির মত বিষয়ে কোনে বাধা মত একেবারে স্ুসম্পূর্ণভাবে কোনো এক বিশ্ষে সময়ে আমার মন থেকে উৎপন্ন হয় নি, জীবনর অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে নান! পরিবর্তনের মধ্যে তারা গডে উঠেছে সেই সমস্ত পরিবর্তন পরম্পরার মধো নিঃসন্দেহে একটা একান্ত আছে সেইটিকে উদ্ধার করতে হপে বচনার কোন অংশ মুখা, কোন্‌ অংশ গৌণ, কোনটা

২৯

তৎ্সাময়িক, কোন্ট। বিশেষ সময়ের সীমাকে অতিঞ্রম করে প্রবহমান, সেইটি বিচার করে দেখতে চাই বস্তুত সেটাকে অংশে অংশে বিচার করতে €গলে পাওয়। যায় না, সমগ্রভাবে অনুভব করে তবে পাই | এঁতিহামিকভাবে সামগ্রিক দষ্টিতে বিচারের এমন মাপকাঠিই নির্দেশ করেছিলেন পোনন “তশশ্ঠয মুল্যায়ন গ্রুসঙ্গে লেনিন বলেছিলেন, তিনি মহ লেখক ধার হষ্টিতে সমকালীন বৈপ্নবিক ঘটনাবলী প্রতিফাশত হয় উনবিংশ শতাবীর [দ্বতীয়ার্ধ থেকে বিংশ শতাব্দীর খ্রথমার্ধ-_তারত থা আধুনিক বিশ্বইতিহাসের সবাপেক্ষ। ঘটনাবহুল সময়, আর এসেই ঘটনাবলীর মহাকেন্জ প্রধানত ইউরোপ ।কন্ত স্থদুব ভারতখর্ষে? মতো একটি পশ্চাৎপদ পরাধীন দেশের নাগারক হওয়া সত্বেও রবা শ্র“প্রতিঞিয়া থেকে সামান্ত ঘটনাও এডিয়ে যায় নি। আমাদের বোঝা দরকার, পোম। রোল ছাডা আর দ্বিতীয় পুরুষের নাম কর! কষ্টসাধ্য ধার স্ষ্টি রবীন্দ্রনাথের মত বিশ্বদর্পণ হয়ে উঠেছে রোলার তুলনায় রবান্ত্রনাথের কাজ অনেক কঠিণ ছিল। কেনন! রোল সংস্কার মুক্ত শিল্প বিপ্লবে অগ্রসর, আম্মশক্তিতে সমৃদ্ধ একটি সমান্গে লাপিত পালিত হয়েছিলেন। কিন্ধু রবীন্দ্রনাথকে সীমাবদ্ধ নবজাগরণের কধিত ভূমিতে বীজ বপণ থেকে পাকা ফসল তোল। পযন্ত প্রায় একক ভুমিকা গ্রহণ করতে হ্য়েছিল। রবীন্দ্রচিন্তা হ্ষ্টিধারার রেখা।চত্র কেউ যদি আকতে প্রয়াসী হন তাহলে নিশ্চিতভাবে দেখা যাবে র্েখার গতি প্রতিটি স্তরে নিয়ত অগ্রা ভিমুধী, কাল যুগের ঘোডার পিঠে তিনি নিবিকার আরো হীমাত্র ছিলেন পা বরং সমযের বন্নায় অতিরিক্ত গতিবেগ নঞ্চার করে যুগান্তত্রের ঠিকানায় পৌছে দিয়েছেন দেশকে

রবীন্দ্রনাথ যখন বলেন, “এশিয়রি প্রত্যেক দেশ আপন শংঞ্জ প্রকৃতি প্রয়েজন অনুসারে মাপন এতিহাসিক সমস্যার সমাধান করবে, কিন্তু আপন উপ্নতিণ পথে তারা প্রত্যেকে যে প্রদদাপ নিয়ে চলবে তার আপোক পখধমস্পর সম্মিপিত হযে জ্ঞানজ্যোতির সমবায় সাধন করবে'-তখন কি আমাদেব বাশ্ুং সম্মেলনের প্রস্তাবের কথা ম্মরণে আসে না? আজ যখন ভারতে রাজ্াগ্র্লর অসম বিকাশ, উচ্চ শিক্ষা সাংস্থতিক নীতিতে, বিচ্ছিন্নতাষ। ভেদাভেদে অগ্রিগঙ তখন প্রত্যেক রাজ্যের হষষ বিকাশের দাবি এই একহ দৃষ্টি ভঙ্গিতেই সোচ্চার হযে উঠেছে

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিণতি রবীন্দ্রনাথ দেখে যেতে পারেন নি। কিক মৃত্যু 'পষস্ত তার সুদ্পই পক্ষপাত ছিল পোভিয়েতের প্রতি সোভযেত আক্রাপ্ত হপে

২) 0

তিনি সামাজবাদ-ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে নিজের স্বাক্ষর রেখে গেছেন সেই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ফ্যাসিবাদের পরাজয় এবং তাঁর পরবর্তী ঘটনাবলী ভারত সহ বহু দেশের জাতীয় মুক্তি সম্ভব করে তুলল সাম্রাজ্যবাদের বিষদাত ভেঙ্গে গেছে, গুপনিবেশিকতার প্রাচীন পদ্ধতির প্রায় অবসান হয়েছে কিন্তু আফ্রিকার বুকে ব্রিটিশ ওপনিবেশিকতা, মাকিন সাম্রাজ্যবাদের নয়। ওপনিবেশিক নীতি সমর অভিযান অ।জ নিকারাগুয়া, লিবিয়া প্রভৃতি দেশে যে তীব্র সংকট হৃট্টি করে তুলেছে এবং তান বিকছে যখন বিশ্ববাসী সরব হয়ে উঠেছে, তখন পার বাবু রণীন্দ্রনাথের কথ! মনে পড়ে যায় 'আফ্রিকা” কবিতায় তার সেই মহান আাহব'ন আজও আবেগে ম্থত করে £

আজ হেরো, পাশ্চম ধিগন্তে হোথ। / ঝঞ্চ। মেঘে উঠে ওই বজ্রের ঝঞ্চনা-__/ ধু'পবাষ্প-আবতেখ আবি আকীশে, দিন বুঝি হল অবসান / পশুর? উঠিল গজি, ছিপ যাব। গোপন গহ্বরে- / নখে নখে ছিন্ন করিতেছে তারা / অঙ্গনের বনুমূলা আস্তরণ, / ধুশবে করিছে অধারিত। / এসে। তুমি যুগান্তের কবি, / আত্ম অনমাননাব আসন্ন সন্ধ্যার অন্ধকারে এই চির [নপীডিতা মানবার কাছে, / ওই অপমা নতেব দ্বারে / ক্ষমা ভিক্ষা করো / হোক তাহা তব সভ্যতার / হিংশ্্ প্রলাপেব মাঝে শেব পুণ্যবাণী |

দেশ বিদেশের মুক্তি সংগ্রাম'দের প্রতি কবির পক্ষপাত কিন্তু আকৈশোব ব্রিটিশ প।লামেন্টে আই বিশ সদন্যদের হেনস্থা, চীনের মরণ ব্যবসায় প্রভৃতি ঘটনা তাকে কৈশোরে বিচলিত কবেছিপ সেদিন থেকেই তার সাম্রাজ্যবাদ সম্পকে মূল্যায়ন কখনও ভিন্নখাতে প্রবাহত হয শি।

আজও লুণুস্গ' বেন্জ।মিন মোলোয়েজদের প্রাণ দিতে হচ্ছে নিজের দেশের মুক্তিব জন্য | আপেন্দেদের হত্যা কর] হচ্ছে। সহ্শ্র সহম্ব মানুষকে বিন! অপরাধে পোমা ধর্ষণে গণহত্যা করা হচ্ছে শত সহম্র মায়ের ক্রন্দনে পথিবার পাঙ।স আজ আবার ভারী হয়ে উঠেছে, বহু বীরের আত্মদান প্রযো জন হয়ে পড়ছে, তখন কবির জিজ্ঞাসা কি ব্যথ হয়ে যাবে? বীরের রক্তশ্রোত, মাতার অশ্রধার। / এপ যত মূল্য সে কি ধরার ধুলায় হবে হারা? /স্ব্গ কিহবেনা কেনা / বিশ্বের ভাগ্ডারী স্ধিবে না/। এত খণ ? রাত্রির তপস্তা সেকি আনিবে ন] দিন।১৯

জিজ্ঞাসা জীবন শেষে সংশয়োত্বীর্ণ বিশ্বাসে পর্রণত হয়েছে £ উদয় শিখরে

৩১

জাগে মাভৈঃ / নবজীবনের আশ্বীনে, / জয় জয় জয় রে মানব অভায / মন্ড্রি-_ উঠিল মহাকাশে 1,

কবির মৃত্যুর পর চীন কিউবার মুক্তি ঘটে গেছে, বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ আজ শোষণমুক্ত, কিন্তু উত্তরক1লের মানুষের সামনে আরও ছুস্তর দ্রীর্ঘ পথ পডে আছে। সাম্রাজাবার্ধের বিকদ্ধে মুক্তি আন্দোলনের প্রশ্নে এবং আত্ম শক্তিতে সমুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে একালের কবির আহ্বান £

তোমার আকাশ দাও, কবি দাও / দীর্ঘ" আশি বছরের, / আমাদের ক্ষীযমান মানসে ছডাও / স্যোদয ক্র্যাস্তের আশি বছরের আলো বহুধ! কীতিতে শত শিল্পকর্মে উন্মুক্ত উধাও / তোমার কীতিতে আর তোমাতে যা দিকে দিকে / একাগ্র মহৎ +

কৰিও বুঝেছিলেন দেশে দেশে জাতীয় সংগ্রাম সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী সংগ্রামে রূপান্তরিত হবে--তাই তার বিশ্বাস ছিল, "শান্তির ললিত বাণা শোনাইবে বার্থ পরিহাস |, সুতরাং আজ প্রযোজন “দানবের সাথে সংগ্রামের তবে ঘরে ঘবে প্রস্াতি' সেখানে রবীন্দ্রনাথের প্রেরণা শিক্ষা আমাদের বড প্রযোজন | তাই উত্তরকালের কবি স্থকান্তেরও দাবি £

পূর্বাচল দীপ্ত করে বিশ্বজন সমৃদ্ধ সভায় রবীন্দ্রনাথের বাণী তার দাবি ঘোষণ' করুক এবারে নতুন রূপে দেখা দিক রবীন্দ্রঠাকুর বিপ্লবের স্বপ্ন চোখে, কণ্ঠে গণসঙ্গীতের সর জনতার পাশে পাশে উজ্জশ পতাকা নিষে হাতে / চলুক নিন্দাকে ঠেলে, গ্লানি মুছে আঘাতে আঘাতে / যদিও সে সমাগত, তবু যেন শুনি তার ডাক / আমাদের মাঝে তাকে জন্ম দাও পঁচিশে বৈশাখ ।১৩

এক রবীন্দ্রনাথের যুগ শেষ হয়েছে | একাল তীর উত্তবস্থরিদের | আর স্গ্রামী মানুষের তুণে রয়েছে রবীন্দ্রনাথের মত মহাপুরুধদের শষ কর্মের অসংখ্য আযুধ মানবতার শত্রু চিহ্নিত, এথন প্রয়োজন বিশ্বজোভ!| প্রস্ততি প্রস্ততি প্রস্ততি | বর্তমানের রবীক্দ্রচচা সেই উত্তরাধিকার বহন করে অগ্রসর হোক

অন্রনয় চট্টোপাধ্যায় এই লেখাটি পশ্চিমবঙ্গ গণতান্ত্রিক লেখক" শিল্পা সংঘ আয়োজিত সেমিনারে [ রবীন্দ্রনাথের ১২৫তম জন্ম বাঁধিকী উধলক্ষে নন্দন মিনিয়েচারে অন্ষ্ঠিত ] পাঠ করেছিলেন। অবশ্য প্রকাশের স্রময় কিঞ্চিৎ পরিমার্জন। সংঙ্কার করা হয়েছিল প্রবন্ধটি “স্বদেশী আন্দোলন রবীন্রভাবনা,

৩৭

শিরোনামে ভারতের কমিউনিষ্ট পার্টির (মার্কসবাদী ) পশ্চিমণঙ্গ রাজা কমিটির স!হিত্য মাসিক “নন্দনের” বিশেষ রবীন্দ্রসংখ্যায় [ মে-জুন ভলাম ১-২+ ১৯৮৬] প্রকাশিত হয় অবশ্য এই লেখাটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য সংস্কৃতি বিভাগের সটাক ওয়েলফেয়ার ক্লাব-এর যাণ্মাসিক সাহিত্য মুখপত্র সপ্তপণীর বিশেষ রবীন্ত্র- সংখ্য।য় | এয়োদশ বধ বৈশাখ ১৩৯৩ , মে ১৯৮৬ ] “জাতীয় মুক্তি আন্দোলন £ ববীন্ভাবন] উত্তরাধিকার” শিরোনামে প্রকাশিত হয় এখানে মূল রচনাটির সঙ্গে মুখবন্ধাটি সংযোজিত করে লেখাটির নাম বদল করে বিবীক্নাথ, সমকাল সাম্প্রতিক প্রাসঞ্ষিকতা? রাখ! হলো | সম্পাদক ]1

টীকা টিপ্পনী

রি

স্বার্দেশিকতা £ জীবনম্থত্তি, ববীন্দ্রন।থ, হ্থলভ সংস্কপরণ) ১৯৮৩ 5 ৭৭ |

শিক্ষিত বঙ্গবাসীর মধো জাতীয় গৌরবেচ্ছ! সঞ্চারণী সভ। স্থাপনের এক প্রস্তাব

হিন্দুমেপার দ্বিতীয় অধিবেশনে | ১৮৬৮ ] সম্পাদক গণেন্দ্রনাথ, ঠাকরের ভাষণ

বক্তণা £ মনোমোহন বস

21109091 721991-এর 5. 9. নামক জনৈক ছন্সনামের শেখক |

স্থবিচারের অধিকার, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

এবার ফিরাও মোরে, চিত্রা, রবীন্দ্র রচনাবলা, পঃ বঃ সরকারের জন্ম- শতবাধিকী সংস্করণ, পৃঃ ৪৭৩

২৮ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালের [21051151)7791)-এ লেখা হয় £ 106 019- ১০০৫।9১ 90600 ৮101) 2 39109 ০0 ৬61001770 19 016 1010 [777006101, ১0601411% 001101709569 101 1179 90025101; ৮৮ 732০0 [২9100181090 088016. দিনেরই 91819577187) লেখা হয় 2 116 01811 ০01 81115---581185 & 1) 01? ৮/০1০991710 19 1116 10185 50১6০019115 ০0910109980 007 06 90০95101095 827: ২৪100181791)

198০070, 06 736178911 7০061. ১৯১১ সালের কংগ্রেস অধিবেশনে পঞ্চম জর্জকে দ্বাগত জানিয়ে গাওয়া

৩৩

রবীন্দ্র--৩

১৩ ১১

১২

১৩

হয়েছিল বামতুজ দন্ত রচিত হিন্দী গান 'যুগ জী মেরা পাদশী, চব্‌ দিশবাজ?

সমবায় নীতি, রবীন্ত্র বচনাবলী |

বলাকা, ৩৭নং ব।বতা, রব।জ্ রচলাধ্লী ২য় খণ্ড, শ্চমবঙ্গ সরকার কতৃক রবীন্দ্রণাথেব জন্মশভবাধিবী উপ বক্ষ্যে প্রকাশিত |

খিষু' দে পঁচিশে বৈশাখের উদ্দেশে, সুকান্ত ভট্রাচাষ, গ্ুকান্ত সমগ্র, সাবন্বত পাইব্রেরী

কলিকাতি | এক দশ মুদ্ণ, রন ১৩৮৫) পঃ ১২৭

দীপক কুমার রায় ফ্যাসি-বিরোধী রবীন্দ্রনাথ সত্তরের সন্ত্রাস

পব্দ্রনাথ পিশ্বের অন্যতম শ্রেগ মানবতাবাদী। কবি একজন মানবতাবাদী কপি হিসেবে ববান্দ্রনাথও দ্যাসিবাদী শণ্জ সমুহের বিকদ্ধে সোচ্চার হয়ে ছলেন। ফ্াাসিবাদের জঘনা ধপ তিনি প্রতাক্ষ করেছিলেন বিভিন্ন ঘটনার মধা ।দধে। ১৮২১ সাপে বা।সিষ্ট মুসে। পনি ইত।।পতে ক্ষমত' দখল কবেছেন। ক্ষমতা দখল সপ্ত বার পব মুষোোোলনি হট |রেব জাপান মুগ্ছবাজদের সঙ্গে যোগাযোগ প্রনি। করেন ১৯৩৩ সালে ২১ সেপ্টেম্বব প'ইখগ্টাগে অগ্রি সংযোগের সাজানে মশার স্রযেগ নিষে নাসির] কমিউশি্ পমী ইন্থাদর্দের ওপর মত।চ।ব ওক পবে। নাৎপি ঝটিকা পাহিনাবু সঙ্গে ব'মউ নগ্ুদেব ব্রাস্তায বাস্তয় প্রচণ্ড সঘমচপে এক্ষতে একটি কথা পাপ পাখশে ভলো &খ যে. জার্ানীর পামউ ন& পাটি ৭)।সণ দের বিকদ্ধে “পিপলস ফ্রন্ট করাব